Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Twinkle Khanna

রান্নাঘরে মুঘলযুগের মশলা! কটন ক্যান্ডির সঙ্গে তুলনা টেনে মুন্ধেরকে ‘টিপ্পনি’ টুইঙ্কেলের

রেস্তরাঁয় হানা থেকে লাইসেন্স বাতিল, হোটেল মালিকদের 'মক অডিট'। দেশ জুড়ে চলছে 'মুন্ধে এফেক্ট'। কী প্রতিক্রিয়া টুইঙ্কেল খান্নার?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৩:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০২৬, ১৩:২৭

options
link
রান্নাঘরে মুঘলযুগের মশলা! কটন ক্যান্ডির সঙ্গে তুলনা টেনে মুন্ধেরকে ‘টিপ্পনি’ টুইঙ্কেলের zoom
টুইঙ্কেল খান্না ও তুকারাম। ছবি: সোশাল মিডিয়া
Advertisement

মুম্বইয়ের বহু রেস্তরাঁয় ঢুঁ মারলেই চোখে পড়ছে FSSAI-এর লাইসেন্সের সার্টিফিকেট। রাতে রান্নাঘর বন্ধ করে চলছে ‘ডিপ ক্লিনিং’য়ের কাজ। ফুড সেফটি দপ্তরের প্রাক্তন অফিসারদের দিয়ে হোটেল মালিক অগ্রিম ‘মক অডিট’ও করাচ্ছেন। আচমকা বদলের নেপথ্যে রয়েছেন মহারাষ্ট্রের ‘এফডিএ’র কমিশনার তুকারাম মুন্ধের কড়া অভিযান। ‘মুন্ধে এফেক্ট’এ রেস্তরাঁগুলো একেবারে তটস্থ। এখন শুধু মহারাষ্ট্রেই সীমাবদ্ধ নয়, এই অভিযান ছড়িয়ে পড়েছে দেশের একাধিক রাজ্যে। স্বভাবসুলভ রসবোধের মাধ্যমে অভিনেত্রী টুইঙ্কেল খান্না (Twinkle Khanna) ‘মুন্ধে এফেক্ট’এর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

‘মিসেস ফানিবোনস’ কলামের মাধ্যমে জানিয়েছেন তুকারামের অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজের রান্নাঘরে ‘রেইড’ চালিয়ে মেয়াদ উত্তীর্ণ একটি শাহী মশলার প্যাকেট পেয়েছেন। রসিকতা করে লিখেছেন, এই মশলাটা মুঘল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তির সময়কালের। একইসঙ্গে ভেজাল খাদ্যপণ্য নিয়ে উদ্বেগের কথাও তিনি তুলে ধরেছেন নির্ভেজাল খাদ্য ও গুণগত মান রক্ষার্থে এখন বাড়িতেই পনির তৈরি করা শুরু করেছেন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সেলেব মম ডিম্পল কাপাডিয়াও। মা-মেয়ে কার্যত ভালো পনির বানানোর প্রতিযোগীতার শামিল হন। নিজের রান্নাঘরে ‘রেইড’ প্রসঙ্গে বিশদে কী জানালেন অক্ষয়ঘরনি?

Advertisement

টুইঙ্কেল জানাচ্ছেন, ‘মিস্টার মুন্ধের অনুপ্রেরণায় আমি আমার রান্নাঘরে একটি অভিযান চালাই। সেখানে একটি শাহী মশলার প্যাকেট পেলাম। যার মেয়াদ শেষ হয়েছিল মুঘল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তির সময়ে। যাঁরা ইতিহাসের পাতা থেকে মুঘলদের মুছে ফেলতে চান তাঁদের মধ্যাহ্নভোজ দিয়ে দিন শুরু করা উচিত। কোফতা, কোরমা, কাবাব সব ছেড়ে দেওয়া উচিত। এগুলোর প্রত্যেকটির সঙ্গেই মুঘল প্রভাব জড়িয়ে আছে।’

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Twinkle Khanna (@twinklerkhanna)

মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া মশলাকে মুঘল সাম্রাজের সঙ্গে তুলনা করার নেপথ্যে রয়েছে এক বিশেষ কারণ। মুন্ধের কড়া অভিযানের জেরে বহু রেস্তরাঁর ঝাপ পড়েছে। বন্ধ হয়েছে ডমিনোজও। এই ঘটনার বিরোধীতা করে টুইঙ্কেলের সংযোজন, ‘ছোটবেলায় যখন কটন ক্যান্ডি খেতাম তখন সেটার রং ছিল গোলাপি। এখন সেটা আমার চুলে কালার করার সময় টাচ আপের মাঝে এই রংটা আসে। গোলাপি রঙের সেই দিন শেষ হওয়ার জন্য দায়ী এফডিএ কমিশনার তুকারাম মুন্ধে। তাঁর অভিযানের জেরে শত শত রেস্তরাঁ একের পর এক ধসে পড়েছে। এমনকি ডমিনোজও। মুন্ধে যেখানে যান সেখানেই ‘মুন্ডি’ গড়াগড়ি খায়।’

কটন ক্যান্ডির মতো লোভনীয় জিনিসেও কাচি মেনে নিতে পারছেন না অভিনেত্রী। আর ঠিক সেই কারণেই মুঘল সাম্রাজ্যকে রূপক হিসেবে ব্যবহার করেছেন। ভেজাল পরিনর বিতর্কে টুইঙ্কেল জানান, ‘নকল পনির কেলেঙ্কারি শিরোনামে আসার পর থেকে মা আর আমি বাড়িতেই পনির তৈরি করছি। আমাদের পুরনো তর্কও চলছে। মায়ের বাড়িতে এক লিটার দুধ থেকে ২৫০ গ্রাম পনির হয় আর সেই একই পরিমাণ দুধ থেকে আমার হয় ১৮০ গ্রাম। এখন আবার কার পনির বেশি সুস্বাদু, সেটাও প্রতিযোগিতার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এবার মনে হচ্ছে, কার পনির বেশি সাদা সেই প্রতিযোগীতাও শুরু হতে চলেছে। তখন হয়তো আমি আমার পনিরে ডিটারজেন্ট মেশানো শুরু করে দেব!’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.