Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
The Kerala Story 2

কাটল আইনি জট, ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’-এর মুক্তিতে স্থগিতাদেশ তুলে নিল হাই কোর্ট

মুক্তির আগে থেকেই একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল এই ছবি। এবার জটিলতা কাটিয়ে মুক্তির আলো দেখতে চলেছে এই ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৭:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৭:৩২

options
link
কাটল আইনি জট, ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’-এর মুক্তিতে স্থগিতাদেশ তুলে নিল হাই কোর্ট zoom
'দ্য কেরালা স্টোরি ২', ছবি: সোশাল মিডিয়া
Advertisement

‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’-এর মুক্তিতে স্থগিতাদেশ তুলে নিল কেরল হাইকোর্ট। শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ছবি মুক্তির কথা ছিল। মুক্তির আগে থেকেই একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছিল এই ছবি। এবার জটিলতা কাটিয়ে মুক্তির আলো দেখতে চলেছে এই ছবি।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ছবির মুক্তিতে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি বেচু কুরিয়ান টমাস। প্রশ্ন তোলেন সেন্সর বোর্ডের ভূমিকা নিয়েও। নিয়ম মেনে কাজ করেনি সেন্সর বোর্ড এই মর্মে তিনি ক্ষোভ প্রকাশও করেন। এহেন পরিস্থিতিতে হাই কোর্টের উচ্চতর বেঞ্চের দ্বারস্থ হন ছবির নির্মাতারা। এবার বিচারপতি এসএ ধর্মাধিকারী ও পিভি বালাকৃষ্ণনের ডিভিশন বেঞ্চ বিচারপতি বেচু কুরিয়ান থমাসের আদেশ বাতিল করে দেন। একইসঙ্গে জানানো হয় সেন্সরের ছাড়পত্রপ্রাপ্ত এই ছবির মুক্তি স্থগিত রাখার কোনও প্রয়োজন নেই। শুক্রবার, বিকেল ৪টেয় এই স্থগিতাদেশ তুলে নেয় কেরল হাই কোর্ট। পূর্ব নির্ধারিত দিন অনুসারে এদিন অর্থাৎ ২৭ ফেব্রুয়ারি ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ মুক্তির কথা ছিল। আইনি জটিলতায় তা হয়নি। এরপর ঠিক কবে এই ছবি মুক্তি পাবে তার সঠিক দিনক্ষণ আলোচনার পর জানাবেন নির্মাতারা।

Advertisement

বলে রাখা জরুরী, জীববিদ্যা বিশেষজ্ঞ শ্রীদেব নাম্বোদরি নামের এক ব্যক্তির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছিল উচ্চ আদালতে। শ্রীদেবের দাবি, ছবির ট্রেলারে কেরলকে অত্যন্ত নঞর্থক ভাবে দেখানো হয়েছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়তে পারে সমাজে। বুধবারই শুনানির সময় হাই কোর্ট জানায়, ওই পিটিশনারের দাবি ‘সম্ভবত’ সত্যিই। এরপরই ছবির মুক্তিতে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। ভর্ৎসনার মুখে পড়ে সেন্সর বোর্ডও।

বৃহস্পতিবার ছবির মুক্তিতে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি বেচু কুরিয়ান টমাস। প্রশ্ন তোলেন সেন্সর বোর্ডের ভূমিকা নিয়েও। নিয়ম মেনে কাজ করেনি সেন্সর বোর্ড এই মর্মে তিনি ক্ষোভ প্রকাশও করেন। এহেন পরিস্থিতিতে হাই কোর্টের উচ্চতর বেঞ্চের দ্বারস্থ হন ছবির নির্মাতারা।

ছবির টিজার ও ট্রেলার সামনে আসতেই দেখা গিয়েছিল, একাধিক ভয়ার্ত নারীর মুখের আড়ালে তুলে ধরা হয়েছে জোর করে ধর্মান্তরিতকরণের এক ভয়ংকর কাহিনি। তাঁরা কেউ সুরেখা নাইয়ার, নেহা সন্ত। নেপথ্য কণ্ঠে উল্লেখ, “আমাদের মেয়েরা প্রেমে পড়ে না, ফাঁদে পড়ে। এবার থেকে আর সহ্য করবে না তারা। ঘুরে দাঁড়াবে।” সেই মেয়েগুলির কেউ চেয়েছিল আইএএস অফিসার হতে তো কেউ চেয়েছিল নামী নৃত্যশিল্পী হয়ে সমাজে নিজের পরিচয় গড়ে তুলতে। কেউ আবার বলছেন, হিন্দু থেকে ইসলাম ধর্মাবলম্বী হয়েছিলেন শুধু ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে সুখে ঘরকন্না করবেন বলে। কিন্তু সেই সুখ আসলে ফানুস! তাদের সিংহভাগই বলপূর্বক ধর্মান্তরিতকরণের শিকার। এমনকী টিজারেও উল্লেখ করা হয়েছিল যে, এ দেশকে মুসলিম অধ্যুষিত দেশ বানানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আর সেই সূত্রেই ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ ছবির বিরুদ্ধে প্রথমার্ধের মতোই সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপনের অভিযোগ উঠেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.