Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Saif Ali Khan Taslima Nasrin

‘প্রাইভেসির নামে মুখে কুলুপ! সইফের গল্প বিশ্বাসযোগ্য নয়’, ভয়ংকর অভিযোগ তসলিমার

'চারদিন পর সইফকে দেখে মনে হয়নি, আদৌ কিছু হয়েছে', দাবি তসলিমা নাসরিনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৫, ১৩:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৫, ১৩:৩২

options
link
‘প্রাইভেসির নামে মুখে কুলুপ! সইফের গল্প বিশ্বাসযোগ্য নয়’, ভয়ংকর অভিযোগ তসলিমার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত ১৬ জানুয়ারি, ভোররাতে নিজের বাসভবনেই দুষ্কৃতীর ছুরিকাঘাতে গুরুতম জখম হন সইফ আলি খান (Saif Ali Khan)। দিনকয়েক হাসপাতালে চিকিৎসার পর মঙ্গলবারই ‘ছোটে নবাব’ বাড়িতে ফিরেছেন। সেলেব্রিটিদের অন্দরমহলে এহেন মারাত্মক কাণ্ড ঘটায় ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে বলিউড অভিনতা বাড়ি ফিরলেও সেই ইস্যু নিয়ে জলঘোলা এখনও অব্যাহত! এবার সইফের উপর হামলার ঘটনার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন তসলিমা নাসরিন (Taslima Nasrin)।

বলিউড অভিনেতা সইফ আলি খানের হামলাকারী পুলিশের জালে ধরা পড়লেও বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তুলেছেন তসলিমা। জেরায় তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ধৃত আততায়ী আদতে বাংলাদেশের বাসিন্দা। বিগত পাঁচ-ছয় মাস ধরেই নামবদলে এদেশে রয়েছেন। সেই ইস্যুতেই তসলিমা নাসরিনের দাবি, “সইফ আলি খানের কোনও গল্পই বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। যে লোকটাকে ধরা হয়েছে, আর যে লোকটাকে সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, তারা এক লোক বলে মনে হচ্ছে না। বিখ্যাত সেলেব মানুষদের বিল্ডিংয়ে কোনও নিরাপত্তারক্ষী নেই, বিশ্বাস করা যায় না। সবচেয়ে বেশি অবিশ্বাস্য, সইফকে ছুরিকাঘাত করার পর বিল্ডিং থেকে নির্বিঘ্নে চোরবাবাজি বেরিয়ে গেল। হেঁটে ১১ তলার সিঁড়ি পার হল, গেট পার হল। দারোয়ান কিংবা সইফের বাড়ির কোনও কাজের লোক, কেউ এসে তাকে আটকালো না। সইফকে হাসপাতালের পথে সঙ্গ দিতে হল সাত বছর বয়সী তৈমুরকে। তাও আবার অটোরিক্সায়। করিনা অথবা কোনও আত্মীয় বা প্রতিবেশী কেউ গাড়ি চালিয়ে নিয়ে গেল না হাসপাতালে, বিশ্বাসযোগ্য নয়।”

Advertisement

Police sources says, Saif Ali Khan's attacker admits to crime

ফেসবুক পোস্টে আরও লেখিকা আরও বিস্ফোরক সইফের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে। তাঁর দাবি, “সইফের মেরুদন্ডের খুব কাছে নাকি আড়াই ইঞ্চি গভীর পর্যন্ত ঢুকে গিয়েছিল ছুরি। অস্ত্রোপচার হয়েছে দীর্ঘ ছ’ ঘণ্টা, স্পাইনাল ফ্লুয়িড বেরিয়ে গিয়েছিল, আইসিইউতেও ছিলেন। যদিও চারদিন পর সইফকে দেখে মনে হয়নি, তাঁর আদৌ কিছু হয়েছে। ঘটনাটা যখন পাবলিক করা হয়েছে, তখন প্রাইভেসি রক্ষা করার নামে মুখে কুলুপ আঁটা তো ঠিক নয়। খুব অদ্ভুত লাগছে যে সইফ আলি খান জানিয়ে দিচ্ছেন না- কী ঘটেছিল সে রাতে, যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে-ই আসল অপরাধী কি না। তিনিই জানেন কী উদ্দেশ্য ছিল চোরের, শুধুই চুরি করা নাকি অন্য কিছু? নাকি বাইরের কেউ নয়, ঘরের কেউ তাঁকে আঘাত করেছে! এসব তথ্য পুলিশের চেয়ে বেশি জানেন সইফ।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.