Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Sreemoyee Chattoraj

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বিতর্কে তিতিবিরক্ত শ্রীময়ী! রাগের বশে কোন সিদ্ধান্ত নিলেন কাঞ্চনপত্নী?

কী বললেন অভিনেত্রী তথা বিধায়কপত্নী?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ১৭:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৫, ২০২৫, ১৭:০০

options
link
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বিতর্কে তিতিবিরক্ত শ্রীময়ী! রাগের বশে কোন সিদ্ধান্ত নিলেন কাঞ্চনপত্নী? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মঙ্গলবার সুকান্ত মজুমদারের এক পোস্ট শোরগোল ফেলে দিয়েছে নেটভুবনে! সরকারি প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধে নেওয়ায় কাঞ্চনপত্নী শ্রীময়ী চট্টরাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি। ‘সূচাগ্র মেদিনি’ না ছেড়ে অভিনেত্রী তথা বিধায়কপত্নীর পালটা জবাব, “কোথাও লেখা নেই বিধায়কপত্নী লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য আবেদন করতে পারে না।” সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় যেমন অনুরাগীদের পাশে পেয়েছেন, তেমন সমালোচনার মুখোমুখিও হতে হয়েছে শ্রীময়ী চট্টরাজকে। এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বিতর্কে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে নয়া সিদ্ধান্তের কথা জানালেন অভিনেত্রী।

মঙ্গলবার এক্স হ্যান্ডেলে বেশ কয়েকটি ছবি দিয়ে নামোল্লেখ না করে সুকান্ত দাবি করেন, শ্রীময়ী চট্টরাজ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছেন। এমনকী ‘লুটে নেওয়া’র অভিযোগও তোলেন বিজেপি সাংসদ তথা মন্ত্রী! তার পর থেকেই নেটপাড়ার রোষানলে কাঞ্চন-শ্রীময়ী! কেউ কেউ বিধায়কের বেতনের বিষেব নিকেশ কষে প্রশ্ন ছুঁড়েছেন, ‘এরপরও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দরকার?’ কারও কটাক্ষ, ‘বিধায়কের স্ত্রী হয়েও বছরে বারো হাজার টাকা দরকার?’ এহেন নানা কটূক্তির ভিড় নেটপাড়ায়! আর তাতেই তিতিবিরক্ত শ্রীময়ী। এবার সাফ জানিয়ে দিলেন, “আমি অন্য কোনও দলের লোকেদের কথা শুনতে বাধ্য নই। আর সবার সব কৌতূহলের উত্তর দিতেও বাধ্য নই। যাঁরা ভুলভাল কথা বলছেন, তাঁদের অনেক সময়। তাঁরাই আপনাদের যাবতীয় কৌতূহল মিটিয়ে দেবেন। দয়া করে আমাকে আর কেউ বিরক্ত করবেন না!” শ্রীময়ীর এহেন উত্তরের নিশানায় যে বিজেপি সাংসদও রয়েছেন, তা বোধহয় আর আলাদা করে কিছু বলার প্রয়োজন হয় না!

Advertisement

মঙ্গলবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বিতর্ক নিয়ে সুকান্তকে পালটা দিয়ে কাঞ্চনপত্নী জানান, “বিধায়কের স্ত্রী হওয়ার আগে থেকেই আমার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কার্ড ছিল। তখন কাঞ্চনও বিধায়ক ছিল না। এরকম কোনও অন্যায় কাজ করিনি যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিতে পারব না। আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ডি-অ্যাক্টিভেট হয়ে গিয়েছিল, তাই আবার আবেদন করেছি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সকলের জন্য, কোথাও লেখা নেই বিধায়কের স্ত্রী আবেদন করতে পারবেন না।” শ্রীময়ীর সংযোজন, “বিজেপির বহু নেত্রী-অভিনেত্রীও সরকারি সুযোগ নেন, তাঁদের নামও আমি জানি।” যদিও বুধবার শ্রীময়ী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট বিতর্কে এখানেই ইতি টানতে চান তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.