সুগৃহিণী বলতে যা বোঝায়, অনিলকন্যা সোনম কাপুর একেবারে তাই। বিয়ের পর থেকেই লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশনের দুনিয়ায় তাঁর উপস্থিতি খানিক কম। দিল্লি ‘টু’ লন্ডন, দু’জায়গাতেই পাকা গিন্নির মতো ঘর-সংসার সামলাচ্ছেন নায়িকা। পুত্র বায়ুর জন্মের পর বছরের বেশিরভাগ সময়টাই লন্ডনে কাটান আনন্দ আহুজা এবং সোনম (Sonam Kapoor- Anand Ahuja)। সেখানকার নটিং হিলে এক বিলাসবহুল বাংলোয় সুখের ঘরকন্না ‘ধনকুবের দম্পতি’র। এবার অভিজাত এলাকার প্রতিবেশীদের রোষানলেই পড়তে হল সোনম-আনন্দকে।
আবাসনের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ‘তাঁদের না জানিয়েই সোনম-আনন্দ এহেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আরেক প্রতিবেশীর অভিযোগ, ‘আনন্দ আহুজা প্রভাবশালী হওয়ার কারণেই নাকি অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না!’
আরও পড়ুন:
ঠিক কোন অভিযোগ উঠল সোনম-আনন্দের বিরুদ্ধে? খবর, সম্প্রতি লন্ডনে তাঁদের নতুন সম্পত্তি ক্রয়কে ঘিরেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, নিজেদের বহুমূল্য প্রাসাদোপম ম্যানশনের কাছেই কারি কারি টাকা ঢেলে আরও পাঁচটি ফ্ল্যাট কিনেছেন সোনম-আনন্দ। আর দম্পতির এহেন সিদ্ধান্তকে ঘিরেই ক্ষোভে ফুঁসছেন সংশ্লিষ্ট আবাসনের বাসিন্দারা। সূত্রের খবর, সোনম কাপুর এবং আনন্দ আহুজা লন্ডনের নটিং হিলের যে বাংলোতে থাকেন তার আনুমানিক মূল্য ৫১ কোটি টাকা। সেই প্রাসাদোপম বাসস্থান থেকেই অভিনেত্রী মাঝেমধ্যে সোশাল পাড়ায় সংসার সুখের ঝলক মেলে ধরেন। এবার খবর, ওই অভিজাত আবাসনের আরেকাংশে ২৭০ কোটি টাকা দিয়ে পাঁচটি বড় ফ্ল্যাট কিনেছেন সোনম-আনন্দ। কানাঘুষো, ওই ফ্ল্যাটগুলিতে নাকি তাঁদের বাড়ির পরিচারকদের থাকার ব্যবস্থা করা হবে। আর এহেন খবর চাউড় হতেই চোখ রাঙিয়েছেন লন্ডনের প্রতিবেশীরা!

আবাসনের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ‘তাঁদের না জানিয়েই সোনম-আনন্দ এহেন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেউ কেউ আবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ‘গৃহকর্মীরা একই আবাসনে থাকলে সেখানকার পরিবেশ বদলে যেতে পারে।’ তাঁদের দাবি, ‘দীর্ঘদিন ধরে যে শান্ত এবং অভিজাত পরিবেশ বজায় রয়েছে, তা বিঘ্নিত হতে পারে।’ আরেক প্রতিবেশীর অভিযোগ, ‘আনন্দ আহুজা প্রভাবশালী হওয়ার কারণেই নাকি অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না!’ তাঁদের কথায়, ‘ধনী ও প্রবাবশালী ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ছে আবাসনের সাধারণ বাসিন্দাদের জীবনযাপনের উপরেও।’ তবে বিতর্কের সূত্রপাত অন্য একটি কারণে। জানা যায়, ২০২৩ সালে সোনম-আনন্দ নটিং হিলে ২০০ বছরের পুরনো একটি ম্যানশন ২১ মিলিয়ন পাউন্ডে কিনেছিলেন। সম্পত্তিটি কেনার পরপরই, তাঁরা নিজস্ব বাংলোর বাইরেটা অক্ষুণ্ণ রেখে ভিতরটা সম্পূর্ণ নতুন করে সাজানোর পরিকল্পনা জমা দিয়েছিলেন। যেখানে বেসমেন্টে একটি সুইমিং পুল এবং একটি বাস্কেটবল কোর্ট তৈরির প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত ছিল। দীর্ঘ বিতর্কের পর শেষমেশ মে মাসের গোড়ার দিকে তাঁদের প্ল্যান অনুমোদিত হয়। এরপর থেকেই নাকি তাঁদের উপর প্রতিবেশীদের রোষ আরও বেড়েছে বলে খবর। সেই সূত্র ধরেই এবার পাঁচটি নতুন ফ্ল্যাট কেনা নিয়ে বিতর্ক ঘনিয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে সোনম কাপুর কিংবা তাঁর স্বামী আনন্দ আহুজা কেউই এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া দেননি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
রোজ ইনসুলিনের ঝামেলা শেষ! কীভাবে কাজ করবে বিশ্বের প্রথম সাপ্তাহিক ইনসুলিন?
-
বিশ্বকাপের ক্ষত না শুকোতেই ইঙ্গিতবাহী পোস্ট! রোনাল্ডোর মন্তব্যে দ্বিধাবিভক্ত নেটপাড়া
-
জীবিত ব্যক্তির পাঁজর ভেঙে ‘ডানা’! সত্যিই কি নিষ্ঠুরতা আর ভাইকিং ছিল সমার্থক?
-
অধিকৃত কাশ্মীরে গণহত্যার ছক পাকিস্তানের! বিদ্রোহ দমনে আরও ৪০০০ সেনা, ৭ রেঞ্জার্স উইং
-
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে টানা ১৪ দিন অনশন, অসুস্থ সোনম ওয়াংচুক বলছেন, ‘আমি গান্ধী নই’