Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Shaan on AR Rahman

বলিউডে কি ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি চলে? রহমানের বিস্ফোরক দাবিতে ‘চরম সত্যি’টা জানালেন শান

এই বিতর্কের দাবানল যে এখনই থামবে না, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। এবার অস্কারজয়ী রহমানের 'সাম্প্রদায়িক বিভাজন ত্বত্ত্ব' নিয়ে মুখ খুললেন শান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৩:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৩:১৫

options
link
বলিউডে কি ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি চলে? রহমানের বিস্ফোরক দাবিতে ‘চরম সত্যি’টা জানালেন শান zoom

মুসলিম ধর্মাবলম্বী হলে কি বলিউডে কাজ পাওয়া যায় না? বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিন্দি সিনেদুনিয়ায় কি ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতির রমরমা? এআর রহমানের সাম্প্রতিক মন্তব্য এমনই কিছু প্রশ্ন তুলে দিয়েছে বর্তমানে। যা নিয়ে বিনোদুনিয়ায় শোরগোলের পাশাপাশি রাজনৈতিকমহলেও চর্চার অন্ত নেই। যদিও রহমানের দাবি নস্যাৎ করে বিজেপি উদাহরণস্বরূপ শাহরুখ-সলমনের তিন দশকের খান সাম্রাজ্যের উদাহরণ দর্শিয়েছে, তবে এই বিতর্কের দাবানল যে এখনই থামবে না, তা বেশ বোঝা যাচ্ছে। এবার অস্কারজয়ী রহমানের ‘সাম্প্রদায়িক বিভাজন ত্বত্ত্ব’ নিয়ে মুখ খুললেন শান।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এআর রহমান দাবি করেন, “গত আট বছরে ক্ষমতার পালাবদলের পাল্লায় পড়ে বলিউডে বহু কাজ হাতছাড়া হয়েছে। এর নেপথ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন নীতিও হতে পারে। যদিও বিষয়টি মুখের উপর আমাকে কেউ বলেননি, তবে কানাঘুষো এসব কথা আমার কাছে এসেছে।” অস্কারজয়ী সুরকার তথা গায়ক এও বলেন যে, “আন্তরিকতা দিয়েও যদি কাজ না আসে আমি আবার কারও কাছে গিয়ে নিজের তদবির করতে পারি না। কারও অফিসে গিয়ে বসে থাকতে পারব না।” এহেন মন্তব্যের রেশ টেনেই এবার আইএএনএস-এর ক্যামেরার সামনে মুখ খোলেন শান। সঙ্গীতশিল্পীর মন্তব্য, “কাজ না পাওয়ার কথাই যখন বলছেন, তাহলে আমার উদাহরণ দিই। আমি তো বছরের পর বছর ধরে এত গান গেয়েছি, তবুও তো মাঝেমধ্যে কাজ পাই না। তবে আমি বিষয়টাকে ব্যক্তিগতভাবে নিতে নারাজ। তবে প্রত্যেকের নিজস্ব চিন্তাভাবনা মতামত তো রয়েইছে।” কিন্তু সত্যিই কি বলিউডে ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি চলে?

Advertisement

প্রশ্নের মুখে শানের জবাব, “গানের জগতে এভাবে কাজ চলে না। এখানে ‘মেরিট’, সৃজনশীলতাই শেষ কথা। যদি তাই হত, তাহলে গত ৩০ বছরে আমাদের তিনজন সুপারস্টার, যাঁদের আপনি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বলতে পারেন, তাঁরাও এদেশে এতটা উন্নতি করতে পারতেন না। এখানে সাম্প্রদায়িক কোনও ত্বত্ত্বই নেই। ভালো কাজ করুন, ভালো গান তৈরি করুন এবং এই বিষয়গুলো নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা করা উচিত নয়।” এখানেই অবশ্য থামেননি শান। গায়কের সংযোজন, “প্রযোজক ও সুরকাররা সিনেমায় কীরকম গান চাইছেন? তার উপর ভিত্তি করে গায়ক নির্বাচন করা হয়। তাই কারও ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি থাকতেই পারে। কিন্তু সেটায় অযথা বিভাজনের রং না দেওয়াই শ্রেয়।” রহমানের উলটো সুর গাওয়ায় শানের এহেন মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা শুরু হয়েছে নেটভুবনে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.