দক্ষিণী সিনেমায় অভিনেত্রীদের ‘পণ্য’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়! জাহ্নবী কাপুর অভিনীত ‘পেড্ডি’ মুক্তির পর এমন অভিযোগেই সরগরম হয়েছিল নেটভুবন। খোদ জাহ্নবী কাপুরও দক্ষিণী সিনে ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। নেপথ্যে সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি চ্যাটের স্ক্রিনশট। সেই চ্যাটের তথ্য অনুযায়ী, কিয়ারা আডবাণীও একই সমস্যার ভুক্তভোগী। দক্ষিণী অভিনেতা যশের সঙ্গে মাত্রাতিরিক্ত সাহসী দৃশ্য নিয়েও আপত্তি তুলেছিলেন কিয়ারা। মিডিয়া রিপোর্ট মোতাবেক, ট্রেলার মুক্তির পর কিয়ারা নিজেই অন্তরঙ্গ দৃশ্যে কাঁচি চালানোর অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু, সিনেমার প্রথম গান ‘তাবাহি’ মুক্তির পর যেন দর্শকমহলে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
বোল্ডনেসের সব সীমা অতিক্রম করে ফেলছেন যশ-কিয়ারা। গানের প্রতিটি দৃশ্য অন্তরঙ্গতায় মাখামাখি। যশ-কিয়ারা জুটির রোম্যান্সের প্রতিটি ক্লিপিং যেন এক একটি আগুনের গোলা! কিয়ারাকে কোলে তুলে নেওয়া থেকে ঠোঁটঠাসা চুম্বনের দৃশ্যে দর্শকের হৃদস্পন্দনের গতি কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে তা বললে অত্যুক্তি হবে না। কিয়ারার লাস্য আর আবেদনের মিশেলে এখন চর্চার কেন্দ্রে ‘টক্সিক: আ ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন-আপস’-এর প্রথম গান ‘তাবাহি’।
আরও পড়ুন:
গান জুড়ে শুধুই রগরগে যৌনতা আর ঘনিষ্ঠতা। সার্কাসের ব্যাকস্টেজ থেকে গাড়ি, এমনকী রাস্তার মাঝে, সমুদ্রসৈকতে ভালোবাসায় মাখামাখি যশ-কিয়ারা। গানের প্রতিটি কলিতে যেন বপন করা হয়েছে উত্তেজনার বীজ। এমন সাহসী দৃশ্যে আগে কখনও দেখা যায়নি কিয়ারাকে তা বলাই বাহুল্য়। এর আগে শাহিদ কাপুরের সঙ্গে ‘কবীর সিং’-এ একটি চুম্বন দৃশ্যেও ঝড় তুলেছিলেন কিয়ারা। বলিউডের গ্রিক গড হৃত্বিক রোশন ও জুনিয়র এনটিআরের সঙ্গে ‘ওয়ার’ ছবিতে বিকিনি লুকেও মোহময়ী কিয়ারার উপস্থিতিতে পর্দায় যেন ছিল উষ্ণতার হাতছানি। বোল্ড অবতারে কিয়ারার গ্ল্যামারে বুঁদ হয়েছিল সিনেপ্রেমীরা। এবার ‘টক্সিক’-এর এই গানে তিনি ফের আলোচনায় সাহসী দৃশ্যের জন্য।

অনেকেই জানতে চেয়েছেন স্ত্রীকে নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া তারকা স্বামী সিদ্ধার্থের? বিয়ের পর উত্তেজক দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে তুমুল সমালোচনার স্বীকার হয়েছেন কিয়ারা। তবে নিন্দুকদের মুখ বন্ধ করার জন্য কিয়ারার সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র তাঁর স্বামীর সমর্থন।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কিয়ারা এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। তিনি জানিয়েছেন, কাজের ক্ষেত্রে তিনি সিদ্ধার্থের পূর্ণ সমর্থন পান। সমালোচকরা যখন কিয়ারাকে বিঁধেছেন তখন সিদ্ধার্থের সান্ত্বনা, “দেখো, এই ধরনের নেতিবাচক মন্তব্য সবসময়ই থাকবে। তুমি কেন ওঁদের এত গুরুত্ব দিয়ে ঘরে বসে কান্নাকাটি করছ? তোমার সমস্যাটা কী? তুমি তাঁদের কাউকেই চেনো না। আর তাঁরাও তোমাকে চেনে না। এইসব ব্যাপারে কান দিও না।”

আরও যোগ করেন, “সিদ্ধার্থ বুঝিয়েছিল এই ভাবনা আমাদেরই বদলাতে হবে। যাঁরা আমাদের সম্পর্কে ভালো কথা বলছে তাঁদের দিকে মনোযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু, আমরা নেতিবাচক মন্তব্য নিয়ে বেশি ভাবনাচিন্তা করি।” নেটিজেনদের সমালোচনা দেখে কিয়ারার পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন তাঁর স্বামী সিদ্ধার্থ। মনে সাহস জুগিয়েছেন, ভালো পরামর্শ দিয়েছেন। সিদ্ধার্থের যুক্তি, শিল্পকে শিল্প হিসেবেই দেখা উচিত।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মহারাষ্ট্রে ফের বিরোধী শিবিরে ভাঙন! পওয়ারের ‘অস্থিরচিত্ত’ বিধায়কদের ‘সন্দেহ’ কংগ্রেসের
-
১৬ বছর পর কলকাতা পেল মহিলা ওসি, একসঙ্গে রদবদল ৩৩ ইন্সপেক্টরের
-
খেয়াল রাখতে হবে অভিযোগকারিণীর মানসিক দিকটিও, লালবাজারে বিশেষ প্রশিক্ষণ ১৮৩ মহিলা পুলিশকে
-
ইথানলের মিশ্রণে গাড়ির ক্ষতি না হওয়ার দাবি, গড়করিকে পালটা ‘চ্যালেঞ্জ’ সমাজকর্মীদের
-
সেবাশ্রয়ের ‘ভুলে’ বাদ পা! অভিষেক-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের মহিলার