Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Irrfan Khan Shoojit Sircar

‘ঝালমুড়ি আর আমাদের আড্ডা সেশন খুব মিস করি’, বন্ধু ইরফানের মৃত্যুদিনে কলম ধরলেন সুজিত

প্রিয় বন্ধু ইরফান খানের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকীতে খোলা চিঠি পরিচালক সুজিত সরকারের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৫, ১৩:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৫, ১৩:৪১

options
link
‘ঝালমুড়ি আর আমাদের আড্ডা সেশন খুব মিস করি’, বন্ধু ইরফানের মৃত্যুদিনে কলম ধরলেন সুজিত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরপারে কাটানোর পাঁচ বছর। তবুও বিশ্বজুড়ে অনুরাগীদের স্মৃতির খাতায় ইরফান খান রেখে গিয়েছেন ‘পান সিং তোমার’, ‘লাইফ অফ পাই’, ‘পিকু’, ‘লাঞ্চবক্স’, ‘হিন্দি মিডিয়াম’, ‘তলোয়ার’, ‘ডুব’-এর মতো ছবি। যাঁর শিল্পীমন, শৈল্পিকসত্তা আজও অভিনেতাদের কাছে সিনে ব্যাকরণ। আজ ইরফান খানের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী। সোশাল মিডিয়ার পাতায় প্রিয়জনদের কত স্মৃতির ভিড়। প্রিয় বন্ধু ইরফানের স্মৃতিচারণা করলেন সুজিত সরকারও।

মৃত্যুদিবস বলেই হয়তো কলমের আঁচড় পড়েনি তাঁকে নিয়ে। আসলে প্রিয় শিল্পী হোক কিংবা প্রিয় মানুষ, তাঁদের নিয়ে আদিখ্যেতা করার কিংবা ভালোবাসা জাহির করার জন্য কোনও নির্দিষ্ট দিনের দরকার হয় না ঠিকই। তবে অলিখিতভাবে তার যাবতীয় দায়ভার বর্তায় জন্মদিন আর মৃত্যুদিনের উপর। ২৯ এপ্রিল, ইরফান খানের পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় বন্ধুকে খোলা চিঠি লিখলেন বলিউড পরিচালক সুজিত- “প্রিয় ইরফান, বন্ধু তুমি যেখানেই থাকো না কেন, জানি ভালো আছো। সম্ভবত ওখানেও অনেক নতুন বন্ধু তৈরি করে ফেলেছ। আমি নিশ্চিত, ওখানেও সকলে আমাদের মতোই তোমার ব্যক্তিত্বের প্রেমে পড়ে গিয়েছে। তুমি হয়তো জেনে অবাক হবে, তোমাকে কতটা মিস করি আমরা এখনও। ঝাল মুড়ি খেতে খেতে আমরা যে হাসিঠাট্টা করতাম, সেটা খুব মিস করি। জীবন যে কতটা ম্যাজিক্যাল তোমার সেসব পরামর্শ আজও নিজের মধ্যে লালন করছি। লন্ডনে থাকাকালীন তোমার সঙ্গে বিজ্ঞান এবং আধ্যাত্মিকতা নিয়ে যেসব আলোচনা হয়েছিল, মনে আছে তোমার?”

Advertisement

ইরফানকে যে তিনি প্রতিটা পদে পদে মিস করেন সুজিত, সেটা তাঁর স্মৃতিচারণাতেই ফুটে উঠেছে। ইরফান খানের সুপারিশ করা বইপত্রগুলো আজও যত্নে রেখে দিয়েছেন পরিচালক। স্মৃতির সরণি বেয়ে সুজিতের সংযোজন,”প্রায়ই মনে পড়ে জীবন-মৃত্যু ঘিরে আমাদের গভীর আলোচনাগুলো। তোমার হাসি আর ওই রহস্যময় দৃষ্টি কোনওদিন ভুলতে পারব না। তোমাকে ছাড়া প্রতিদিন বেঁচে থাকা সহজ নয়, একটা বিশাল শূন্যতা তৈরি হয়েছে আমার মধ্যে।” ইরফানের অবর্তমানে তাঁর পুত্র বাবিলের অভিভাবক হয়ে উঠেছেন সুজিত। বন্ধুবিয়োগের কাতর যন্ত্রণা যে আজও তাঁকে তাড়া করে বেড়ায়, সেটা পরিচালকের চিঠিতেই স্পষ্ট। লিখলেন, “ইরফান তোমাকে জানাই যে বাবিল আর অয়ন খুব ভালো আছে। বাবিলের সঙ্গে আমি ফুটবল খেলি। কিছুটা ওর অভিভাবকও হয়ে উঠেছি। তুমি চিন্তা কোরো না, আমি ওর সব খোঁজখবর রাখি। সুতপার সঙ্গে মাঝেমধ্যে কথা হয়। আমি আর রনি, বাবিলের সঙ্গে সদ্য একটা শেষ করলাম। খুব দক্ষ শিল্পী হয়ে উঠছে বাবিল। ধীরে ধীরে ইন্ডাস্ট্রিতেও নিজের জায়গা তৈরি করছে। আমি নিশ্চিত যে, বাবিল ঠিক পথেই এগোচ্ছে। ঠিক যেমনটা তুমি চেয়েছিলে। আমি জানি, তুমি যেখানে রয়েছো, সেখান থেকেই আমাদের দেখছো। এটাই আমার বড় সান্ত্বনা। তোমার সঙ্গে কত কথা বাকি কিন্তু আপাতত বিদায় নিচ্ছি বন্ধু। অনেকটা ভালোবাসা।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.