আচমকাই গুরুতর অসুস্থ সাবা আজাদ! বিগত দু’ সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে শয্যাশায়ী হৃতিক রোশনের প্রেমিকা। ভয়ানক সংক্রমণের জেরে চরম শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছেন অভিনেত্রী-গায়িকা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, একটা কাঠি তোলা তো দূরঅস্ত, ঠিকমতো উঠে বসতেও পারছেন না তিনি! হাসপাতালের বেডে শুয়েই সাবার আক্ষেপ, “আমার জীবনের সবথেকে খারাপ চোদ্দ দিন।” এই কঠিন সময়ে শক্ত করে প্রেমিকার হাত ধরে রেখেছেন হৃতিক রোশন।
ঠিক কী হয়েছে সাবা আজাদের? অভিনেত্রীর শেয়ার করা ছবিতেই দেখা গেল, তাঁর চেহারা খানিক আরও ভেঙে গিয়েছে। বিবর্ণ মুখ। সাবা জানালেন, সাইক্লোস্পোরা কায়েটানেনসিসে আক্রান্ত তিনি। এহেন সংক্রমণের জেরে মাত্র দুই সপ্তাহে ৪ কেজি ওজন কমে গিয়েছে তাঁর। এমনকী হাঁটাচলাও প্রায় অসম্ভবপর হয়ে উঠেছে। কীভাবে ঘটল? সাবা আজাদের মন্তব্য, আমি সবসময়ে ঘরের তৈরি খাবার খাই। নিজের পানীয় জলের বোতল সঙ্গে রাখি। তবুও যে কোথা থেকে এই সংক্রমণ এল, বুঝতেই পারিনি। দিন কয়েক আগে পর্যন্ত শরীরচর্চা করেছি। এই তো সেদিনও দিনে দু’বার করে ট্রেনিং করেছি। পুল-আপ করেছি, ভারী ওজন তুলেছি। আর পরের দিনই আমার শরীর অর্ধেক হয়ে গেল! এখন একটা টুথপিক তোলার মতোও শক্তি নেই আমার, ওজন তোলা তো দূরের কথা। নিজের এহেন অভিজ্ঞতা থেকেই সকলকে সতর্ক করে দিয়েছেন হৃতিক রোশনের প্রেমিকা।
আরও পড়ুন:

সাবা বলছেন, “নিজের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে স্যালাডের পাতা আর সবজি ভালো করে ধুয়ে নিন। কারণ কখনও-কখনও এটাই জীবন-মরণের প্রশ্ন হয়ে উঠতে পারে!” অভিনেত্রী জানালেন, এই কঠিন সময়ে দিনরাত এক করে তাঁর যত্ন নিচ্ছেন হৃতিক রোশন। খারাপ পরিস্থিতিতেও সবসময়ে সাবার মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলছেন সুপারস্টার প্রেমিক। উল্লেখ্য, ২০২২ সাল থেকে সম্পর্কে রয়েছেন সাবা আজাদ এবং হৃতিক রোশন। তখন থেকেই রোশন পরিবারের প্রায় উৎসব-অনুষ্ঠানে অভিনেত্রীকে দেখা যায়।
View this post on Instagram
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সাত বছরের অপেক্ষার অবসান, বাংলাদেশকে গুঁড়িয়ে ফের সাফ মহিলা ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন ভারত
-
তৃণমূল বিধায়কের কার্যালয়ে কন্ডোম, গুদাম থেকে মিলল প্রচুর ত্রাণ! চাঞ্চল্য খণ্ডঘোষে
-
‘সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে আবার হাওয়া বদল!’ রুদ্রনীলকে পাশে নিয়ে আর কী বললেন পরমব্রত?
-
‘মাওবাদী মুক্ত’ ছত্তিশগড়ে পুরভোটে এগিয়ে বিজেপি, সমান টক্কর দিয়ে প্রত্যাবর্তনের ইঙ্গিত কংগ্রেসেরও
-
মাদ্রাসার আড়ালে বেআইনি কার্যকলাপ নয় তো? খুঁটিনাটি জানতে চেয়ে জেলাশাসকদের ‘ডেডলাইন’ নবান্নের