Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৯ জুন ২০২৬
Dhruv Rathee

মোদিকে ‘অপমানের ইন্ধন’ জুগিয়ে বিতর্কে ধ্রুব রাঠি! ‘বিদেশে বসে ফোড়ন কাটা’, চরম কটাক্ষ রুপালির

সম্প্রতি ইউরোপ সফরে থাকাকালীন ভারতে সংখ্যালঘু অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় নরেন্দ্র মোদিকে। সেপ্রসঙ্গ উত্থাপন করেই মোদিকে নিয়ে বিস্ফোরক কথা বলেন ধ্রব রাঠি। পালটা ইউটিউবারকে 'স্বভূম ভারতে'র কথা মনে করিয়ে কী জবাব 'অনুপমা'র?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ১৯:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৬, ১৯:৩৯

options
link
মোদিকে ‘অপমানের ইন্ধন’ জুগিয়ে বিতর্কে ধ্রুব রাঠি! ‘বিদেশে বসে ফোড়ন কাটা’, চরম কটাক্ষ রুপালির zoom
মোদিকে 'অপমানের ইন্ধন' জুগিয়ে বিতর্কে ধ্রুব রাঠি! কটাক্ষ রুপালির

দিন কয়েক আগেই সলমন খানের ‘ব্যাটেল অফ গালওয়ান’ ওরফে ‘মাতৃভূমি’ সিনেমায় চিনবিরোধী প্রেক্ষাপট কাটছাঁটের জেরে নরেন্দ্র মোদিকে ‘৫৬ ইঞ্চির কাপুরুষ’ বলে নজিরবিহীন তোপ দেগেছিলেন। এবার প্রধানমন্ত্রীর নরওয়ে সফর নিয়ে ‘ফোড়ন কেটে’ করে ফের বিতর্কের শিরোনামে নাম লেখালেন ধ্রব রাঠি (Dhruv Rathee)। যার জেরে উঠতে-বসতে লাগাতার কটাক্ষের শিকার হতে হচ্ছে ইউটিউবারকে। বিতর্কের আবহে এবার ধ্রবকে ছেড়ে কথা বললেন না ‘অনুপমা’ রুপালি গঙ্গোপাধ্যায়ও।

“মোদি যেখানেই যান না কেন, সেখানেই প্রতি পদে পদে তাঁর অপমানিত হওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর গত ১২ বছরে একটিও সাংবাদিক বৈঠক করেননি তিনি।…” 

অভিনেত্রী বরাবর স্বঘোষিত বিজেপি সমর্থক। নরেন্দ্র মোদির ‘ভোকাল ফর লোকাল’ ক্যাম্পেইনের মুখ ছিলেন রুপালি গঙ্গোপাধ্যায়। ‘আত্মনির্ভর ভারত’ গড়ার স্বপ্নে জনসাধারণের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর মন্ত্র ছড়িয়ে দিয়েছিলেন হিন্দি সিরিয়ালের ‘অনুপমা’। এবার মোদির অপমানে গর্জে উঠলেন রুপালি। ঠিক কী ঘটেছে? সম্প্রতি ইউরোপ সফরে থাকাকালীন ভারতে সংখ্যালঘু অধিকার এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় নরেন্দ্র মোদিকে। সেপ্রসঙ্গ উত্থাপন করেই সাম্প্রতিক এক পোস্টে মোদিকে নিয়ে বিস্ফোরক কথা বলেন ধ্রব রাঠি। ইউটিউবারের পোস্টে উল্লেখ, ‘মোদি যেখানেই যান না কেন, সেখানেই প্রতি পদে পদে তাঁর অপমানিত হওয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর গত ১২ বছরে একটিও সাংবাদিক বৈঠক করেননি তিনি। একজন শীর্ষ নেতৃত্ব হিসেবে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির মৌলিক শর্তগুলি পূরণ করতে তিনি ব্যর্থ। সেজন্যই ইউরোপের অন্যান্য দেশের সাংবাদিকদের আমি উৎসাহ দিতে চাই যে- তাঁরা যেন মোদিকে যেখানেই দেখতে পান, সেখানেই প্রশ্ন করে করে এতটা বিব্রত করেন, যাতে জনতার সামনে কিছুটা হলেও জবাব দিতে বাধ্য হন উনি। ঠিক যেমনটা করলেন হেলে লিং।’ এখানেই শেষ নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
PM Modi to chair ministers' meeting on governance
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

“ভারতের উন্নয়নের বিষয়টি না হয় আমাদের ভারতীয়দের উপরেই ছেড়ে দিন। ১৪০ কোটিরও বেশি ভারতীয় তাঁদের দেশের জন্য কোনটা ভালো, সেটার সিদ্ধান্ত নিতে যথেষ্ট সক্ষম। আমাদের এমন কোনও ইউটিউবারের প্রয়োজন নেই, যিনি…।” 

বিদেশি সাংবাদিকদের ইন্ধন জুগিয়ে ধ্রব রাঠির সংযোজন, ‘ভারতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে আপনারা কিন্তু এর মাধ্যমে বড় সেবা করবেন।’ ইউটিউবারের এহেন মন্তব্য দাবানল গতিতে ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল নেটভুবনে! প্রধানমন্ত্রীকে অপমানের প্ররোচনা দেওয়ায় গর্জে উঠেছেন রুপালি গঙ্গোপাধ্যায়ও। ধ্রুবকে একহাত নিয়ে হিন্দি টেলিদুনিয়ার ‘অনুপমা’র মন্তব্য, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নামের সঙ্গে ‘অপমান’ শব্দটি শুনতে বেশ হাস্যকরই লাগে! উনি এমন একজন রাষ্ট্রনেতা, যাঁকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রতিনিয়ত তাদের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মানে ভূষিত করে চলেছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম শ্রদ্ধেয় ও সম্মানিত শীর্ষ নেতৃত্বদের মধ্যে অন্যতম। এবং বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তিনি। গত ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি একটানা গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়লাভ করে আসছেন— প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে, আর এখন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। লক্ষ লক্ষ ভারতীয় যে তাঁকে কতটা গভীরভাবে ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন এবং বিশ্বাস করেন— সেটা বর্ণনা করার মতো কোনও ভাষা আমার কাছে নেই।’ এরপরই ধ্রুব রাঠির উদ্দেশে চরম আক্রমণ শানালেন রুপালি গঙ্গোপাধ্যায়।

অভিনেত্রীর সংযোজন, “ভারতের উন্নয়নের বিষয়টি না হয় আমাদের ভারতীয়দের উপরেই ছেড়ে দিন। ১৪০ কোটিরও বেশি ভারতীয় তাঁদের দেশের জন্য কোনটা ভালো, সেটার সিদ্ধান্ত নিতে যথেষ্ট সক্ষম। আমাদের এমন কোনও ইউটিউবারের প্রয়োজন নেই, যিনি বিদেশে বসে ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়েও নিজেদের ‘মুখপাত্র’ হিসেবে জাহির করতে থাকেন! মজার বিষয়, এই ইউটিউবারের পুরো কেরিয়ারই গড়ে উঠেছে নিজের দেশকে উপহাস, সমালোচনা করার মাধ্যমে, এমনকী জনতার মধ্যে ভয় ছড়িয়ে দেওয়ার উপরও ভিত্তি করে। যে দেশটির কারণেই আজ তিনি পরিচিতি-প্রাসঙ্গিকতা লাভ করেছেন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.