৪ জুন বৃহস্পতিবার পুলিশের জালে টলিউডের ‘ত্রাস’ স্বরূপ বিশ্বাস (Swarup Biswas)। রিজেন্ট পার্ক থানার সামনে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন এলাকাবাসী। দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইন্ডাস্ট্রির সদস্যরাও। স্বরূপ নিধনে যেন এক অনাবিল আনন্দ সিনেপাড়ায়! বিজেপি সরকারের ‘ভয় আউট ভরসা ইন’- নীতিতে ভর করেই স্বরূপ জমানার কুকীর্তি ফাঁস করছেন ইন্ডাস্ট্রির সেলেবরা। একসময় ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর ভয়ে যাঁরা যুযু হয়ে থাকতেন তাঁরা আজ ‘নির্ভীক’, সে কথা বলাই বাহুল্য। অন্যদিকে স্বরূপের সিন্ডিকেট রাজকে চ্যালেঞ্জ করেই বিজেপি সমর্থক সেলেবদের সঙ্গে কাজ করেছেন ‘রাজার রাজা’ দেব। গৈরিক বঙ্গে আরও সাহসী সুপারস্টার। দিন কয়েক আগেই এক সিনেমার প্রিমিয়ারে দেবের বিস্ফোরক মন্তব্য, “তৃণমূল আমলে আমি টলিউডে যেভাবে ভুগেছি, সেটা অন্তত নতুন সরকারের আমলে হবে না বলেই আশা করছি…”।
সিস্টেমে থেকেও স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বুক ঠুকে লড়াই জারি রেখেছিলেন দেব (Dev)। স্বরূপ তেরো দিন পুলিশি হেফাজতে থাকার নির্দেশ জারি হতেই ছাই চাপা আগুনের মতো সেসব ক্ষোভ ‘লাভা’র মতো ফুঁড়ে বেরিয়ে এসেছে। দেবের অকপট স্বীকারোক্তি, “দল জিতলে স্বরূপ বিশ্বাসকে আটকানো মুশকিল হয়ে যেত। আমাকেও ব্যান করে দিত।” সুপারস্টার দেবের এই অকুতোভয়কে স্যলুট করেছেন বিজেপি বিধায়ক রূপা গঙ্গোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন:

রূপা বলেন, “রাজনীতিক হওয়ার পরও দেবের স্বভাবে কোনও পরিবর্তন আসেনি। ভীষণ মিষ্টি একটা ছেলে। আমার ওকে খুব ভালো লাগে। মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে, আবার কখনও বেফাঁস কথাও বলে ফেলে। তখন ওকে একটু বকাবকি করি। আমাকে সেই জায়গাটা দেব দিয়েছে।”
সংবাদ প্রতিদিনকে নেত্রী-অভিনেত্রী বলেন, “ঠিকই তো বলেছে। ওঁর যেটা মনে হয়েছে সেটাই বলেছে। দেব তৃণমূলের সাংসদ বলে ওঁর বক্তব্য বেশি হাইলাইট হচ্ছে। শুধু দেব নয়, অনেকেই এখন নিজেদের কথা মন খুলে বলতে পারছেন। নিজেদের মতামত জানাতে পারছেন। সেটাই তো হওয়া উচিত।”

রঘু ডকাতে ডাকাত মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায় (Roopa Ganguly)। তৃণমূল জমানায় বুক চিতিয়ে বিজেপি বিধায়ক রূপাকে নিয়ে কাজ করার সাহসী পজক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়েও সিনেমা বানিয়েছেন। রাজনীতির পিচে তিনি সত্যিই ‘সৌজন্যের পোস্টার বয়’! তৃণমূলের তারকা সাংসদ হলেও প্রাক্তন শাসকদলের রক্তচক্ষু, নিষিদ্ধ সংস্কৃতির উর্ধ্বে গিয়ে দেবের চ্যালেঞ্জকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।
দেবের মিষ্টি স্বভাবের প্রশংসা করে রূপার সংযোজন, “ওঁর ব্যবহার ভীষণ ভালো। আমি বহুবার সেটা উপলব্ধি করেছি। রাজনীতিক হওয়ার পরও স্বভাবে কোনও পরিবর্তন আসেনি। ভীষণ মিষ্টি একটা ছেলে। আমার ওকে খুব ভালো লাগে। মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে, আবার কখনও বেফাঁস কথাও বলে ফেলে। তখন ওকে একটু বকাবকি করি। আমাকে সেই জায়গাটা দেব দিয়েছে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজির অভিযোগ, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ
-
‘খুব বাঁচা বেঁচেছি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ’, রচনার সুরবদলের পরই কেন একথা বললেন মনোরঞ্জন?
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের