Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
RG Kar Issue

RG Kar আবেগে সিনেমার প্রচার! দেব-সৃজিত-স্বস্তিকাদের বিঁধলেন কুণাল ঘোষ

ছবি শেয়ার করে কী লিখলেন তৃণমূল নেতা?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪, ১৪:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪, ১৪:০২

options
link
RG Kar আবেগে সিনেমার প্রচার! দেব-সৃজিত-স্বস্তিকাদের বিঁধলেন কুণাল ঘোষ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘আমার মেয়েকে কে ফেরাবে?’ শহরের বুকে এমনই পোস্টার ‘টেক্কা’ ছবির। সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় দেব, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, রুক্মিণী মৈত্র। আর এই ছবির প্রচার কৌশল নিয়েই প্রশ্ন তুললেন কুণাল ঘোষ।

বুধবার তৃণমূল নেতা নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ‘টেক্কা’ ছবির পোস্টারটি শেয়ার করেন। ক্যাপশনে লেখেন, ‘যদিও ছবিটির বিষয়বস্তু অপহরণের, তবু, এই RG Kar (RG Kar Issue) আবহে ট্র্যাজেডিকে কাজে লাগিয়ে সিনেমার প্রমোশনের কৌশল একটু চোখে লাগছে। ‘উৎসবে ফিরব না’ অথচ ‘সিনেমার পোস্টারে ফিরব’, এটাও দ্বিচারিতা। সৃজিতের ছবি আমার প্রিয়। কিন্তু, যতই ছবির থিম হোক, সবাই বুঝবেন, কোন আবেগকে প্রচারে ব্যবহার করা হল।’

Advertisement

 

এবারের পুজো রিলিজ ‘টেক্কা’। দেবের প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারেই তা তৈরি হয়েছে। কলকাতার এক বিলাসবহুল মলে ছবির টিজার লঞ্চ অনুষ্ঠান হয়েছে। উল্লেখ্য, আর জি কর নিয়ে আন্দোলনের প্রথম সারিতে শামিল স্বস্তিকা। মহামিছিলে হাঁটেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়ও। ‘উৎসবে ফিরছি না’ পোস্টারও শেয়ার করেছেন স্বস্তিকা।

Swastika Old Post

যদিও ‘টেক্কা’র টিজার লঞ্চে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বস্তিকা ও সৃজিত জানিয়েছিলেন, আন্দোলনের সমর্থন তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। তবে সিনেমার প্রচারের কাজ পেশাদারিত্বের মধ্যে পড়ে এবং তার সঙ্গে অনেক মানুষের কাজও জড়িত।

এদিকে উৎসব নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে দেব এর আগে বলেন, “উৎসব হল মানুষকে একত্রিত করার জন্য। মানুষের মনে প্রতিবাদ থাকলে, সেটাও উৎসবের মাধ্যমেই পরস্পরের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায়। উৎসব মানে এই নয় যে, কাউকে প্রতিবাদ করতে আটকানো হচ্ছে। কিন্তু আমাদেরও তো কাজ করতে হবে। সকলেই তো রোজ চাকরি করতে যাচ্ছেন। কত মানুষের রুজিরুটি জড়িয়ে এই দুর্গাপুজোর সঙ্গে। আমাদের কাছে পাঁচ দিনের খরচ মনে হলেও কিছু মানুষের সংসার চলে এই পাঁচ দিনের রোজগারে। তাই বাংলার মানুষের মুখ চেয়েই পুজো হোক। মানুষের বিরুদ্ধে তো যেতে পারব না। একটা বিচার পাওয়ার জন্য বাংলার বাকি মানুষের সঙ্গে অবিচার করা উচিত নয়।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.