ভারতের সমৃদ্ধ চলচ্চিত্রের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী প্রচারের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের। এর অধীনস্থ ন্যাশনাল ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন–ন্যাশনাল ফিল্ম আর্কাইভ অব ইন্ডিয়া কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋত্বিক ঘটকের কালজয়ী আটটি সিনেমাকে ‘প্রিসটিন-৪কে’ রেজলিউশনে রূপান্তরিত ও সংরক্ষিত করেছে৷ ছবিগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘কোমল গান্ধার’,‘মেঘে ঢাকা তারা’, ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘যুক্তি তক্কো আর গপ্পো’, ‘বাড়ি থেকে পালিয়ে’, ‘সুবর্ণরেখা’, ‘নাগরিক’ এবং ‘অযান্ত্রিক’। ঋত্বিক ঘটকের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ন্যাশনাল ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন সঙ্গে যৌথভাবে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে লন্ডনে রেট্রোস্পেকটিভ-এর আয়োজন করা হবে৷
এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্তরের দর্শক ঋত্বিক ঘটকের সিনেমা উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। জুন মাসব্যাপী প্রদর্শিত হবে ‘রেভলিউশনারি সিনেমা, দ্য প্যাশন অফ ঋত্বিক ঘটক’ শীর্ষক এই রেট্রোস্পেকটিভ। দিল্লি মন্ত্রক সূত্রে খবর, লন্ডনের সাউথব্যাঙ্কে আয়োজিত এই রেট্রোস্পেকটিভে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বাংলার খ্যাতনামা চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরাও৷ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশে ন্যাশনাল ফিল্ম হেরিটেজ মিশন প্রকল্পের আওতায় দেশের অডিয়ো-ভিজ্যুয়াল ঐতিহ্যের সংরক্ষণের লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক দীর্ঘদিন কাজ করছিল। ঋত্বিকের মূল সৃষ্টি অক্ষত রেখে ‘কালার গ্রেডিং’প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধান করেন জাতীয় পুরস্কার জয়ী খ্যাতনামা চিত্রগ্রাহক অভীক মুখোপাধ্যায়৷
আরও পড়ুন:

তিনি বলেন, “ঋত্বিক ঘটকের কালজয়ী সিনেমা পুনরুদ্ধার প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত গর্বিত। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে অন্যতম মৌলিক চলচ্চিত্র নির্মাতা। একজন চিত্রগ্রাহক হিসেবে তাঁর অসাধারণ শিল্পকর্মকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পেয়েছি।ন্যাশনাল ফিল্ম আর্কাইভ অব ইন্ডিয়ার ন্যাশনাল ফিল্ম হেরিটেজ মিশনের এই প্রকল্প ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ হয়ে থাকবে। এই চমকপ্রদ উদ্যোগের জন্য আমি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।”

ন্যাশনাল ফিল্ম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন সঙ্গে ব্রিটিশ ফিল্ম ইনস্টিটিউটের উদ্যোগ ভারতীয় চলচ্চিত্রের কালজয়ী সম্পদকে আন্তর্জাতিক স্তরে পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের প্রতি তাদের অঙ্গীকারকে আরও সুদৃঢ় করল তা বলাই বাহুল্য। অন্যদিকে ন্যাশনাল ফিল্ম হেরিটেজ মিশনের অধীনে এই ধরনের পুনরুদ্ধার ও প্রচারমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে ভারত সরকার নিশ্চিত করল এই অমূল্য চলচ্চিত্রগুলো ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে আগামী বহু দশক বিশ্বজুড়ে দর্শকদের অনুপ্রাণিত করবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অবশেষে শুরু অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদন, কীভাবে পূরণ করবেন ফর্ম? জানুন খুঁটিনাটি
-
হিন্দু-মুসলমানের রাজনীতি আর কতদিন! দিল্লিতে বিক্ষোভ ককরোচ পার্টির, নিরাপত্তা দিল শাহের পুলিশ
-
শওকতের গ্রেপ্তারিতে ভাঙড়ে মিষ্টি বিলি আরাবুলের, তুমুল নাচ আইএসএফ কর্মীদের
-
বিশ্বাস ভাইদের অবিশ্বাস্য কীর্তি! এলআইসির জমি ‘জবরদখল’ সুরুচি সংঘের
-
আর জেড প্লাস নিরাপত্তা নেই লালুর, লাঠি হাতেই বাড়ি পাহারায় দলের কর্মীরা