সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুম্বইয়ে লোকাল ট্রেনে করে শুটিংয়ে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন অভিনেত্রী করিশ্মা শর্মা। গন্তব্য ছিল চার্চগেট। কিন্তু ট্রেনে ওঠার আগেই দুর্ঘটনার শিকার হন অভিনেত্রী। মাথায় গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন করিশ্মা। মুম্বইয়ের কোকিলাবেন হাসপাতালে চিকিৎসার পর অবশেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন করিশ্মা। নিজেই সোশাল মিডিয়ায় এই খবর শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। সঙ্গে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখেছেন একটি পোস্ট। সেই পোস্টে তিনি তুলে ধরেছেন তাঁর জীবনের এই দুর্বিষহ ঘটনার কথা।
এদিন করিশ্মা হাসপাতালে তোলা তাঁর একটি ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘আমি সবাইকে জানাতে চাই যে আমি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছি। চিকিৎসকের পরামর্শে সেরে উঠেছি এবং আমার চিকিৎসক জানিয়েছেন যে, আমার ক্ষত সেভাবে গভীর নয়। ক্ষতস্থানে বেশ যন্ত্রণা রয়েছে এখনও। তবে তা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেরে যাবে বলেই বলেছেন চিকিৎসক।’

একইসঙ্গে করিশ্মা আরও লেখেন, ‘এটা সত্যিই খুব কঠিন সময় ছিল। আমি এখনও সেদিনের কথা মনে পড়লে ভয় পেয়ে যাই। আমি নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে করি যে আমার জন্য আপনারা সকলে অনেক প্রার্থনা করেছেন। আমাকে অনেক ভালোবেসেছেন। তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। যার কথা না বললেই নয় তিনি হলেন আমার মা। আমার এই অবস্থার কথা শুনে তিনি সেদিনই ফ্লাইট ধরে চলে আসেন আমার কাছে। আমাকে প্রতি মুহূর্তে আমার মা শক্তি জুগিয়েছেন।”
করিশ্মার এহেন হাড়হিম করা অভিজ্ঞতার খবরে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল বলিপাড়ায়। ততোধিক উদ্বিগ্ন ছিলেন তাঁর ভক্তরা। অভিনেত্রীর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন তাঁরা। ঠিক কী ঘটেছিল? করিশ্মা জানিয়েছিলেন, মুম্বইয়ের চার্চগেটে শুটিংয়ে যাওয়ার সময় শাড়ি পরে ট্রেনে ওঠার সময়ে আচমকাই ট্রেনের গতি বেড়ে যায়। সেইসময় ট্রেনে উঠতে না পেরে আচমকাই লাফ দেন তিনি। অভিনেত্রীর বন্ধুরা এমনটা দেখার পর আর ট্রেন ধরতে পারেনি। ট্রেন থেকে লাফ দিয়ে নামার পর করিশ্মা পিঠে-মাথায় গুরুতর চোট পান।
সর্বশেষ খবর
-
সোশাল মিডিয়ায় আলাপ, ভিনরাজ্যে ‘ধর্ষণে’র শিকার বঙ্গকন্যা, প্রভাব খাটিয়ে জেলমুক্ত যুবক!
-
কঠিন সময়ে অলকাকে বিশেষ বার্তা শানু ও শানের, কী বললেন তাঁরা?
-
ভারতে ঢুকেছিল তিনটি পাকিস্তানি বিমান, এয়ার ইন্ডিয়া বিপত্তির এক সপ্তাহ আগে
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?
-
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন