দাপুটে অভিনেত্রীর পাশাপাশি স্পষ্টবক্তা হিসেবেও জুড়ি মেলা ভার। তিনি বলিউডের ‘ক্যুইন’ কঙ্গনা রানাউত। পুণে হত্যাকাণ্ডকে সামনে রেখে বর্তমান প্রজন্মকে সম্পর্ক লালনের বিশেষ টিপস দিয়েছেন অভিনেত্রী। যুবসমাজের উৎশৃঙ্খল জীবনযাপন, একসঙ্গে একাধিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার মতো বিষয়গুলোকে ধিক্কার জানিয়েছেন কঙ্গনা। আধুনিক ডেটিং সংস্কৃতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিনেত্রী। তরুণ প্রজন্মকে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।
কর্মক্ষেত্রে সাফল্য, আর্থিকভাবে সচ্ছলতাকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইনস্টা হ্যান্ডেলে নিজের মত ব্যক্ত করেছেন ‘ক্যুইন’ কঙ্গনা। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, মুক্তমনা হও কিন্তু শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবনযাপন করো। এই মর্মে অভিনেত্রী লিখছেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ডেটিং অ্যাপ, বেঞ্চিং, ঘোস্টিং, ডাবল/ট্রিপল ডিজিট বডি কাউন্ট, ক্র্যাম্বিং, সিয়িং, টেস্টিং, ফিল্টার, স্টোরিজ, মাদক, ক্লাব, পার্টি এসবের পরও তরুণদের আনন্দ যে পরিপূর্ণ হয় না। এহেন মোহ-মায়া, আবেগ, উদ্দেশ্যহীন জীবনযাপন সবকিছু ওলোটপালট করে দেয়। তাই আবেগ থাকা উচিত, কিন্তু সেটা নিজের কেরিয়ার বা জীবনে সাফল্য অর্জনের লক্ষ্যে। তরুণ প্রজন্মকে বলতে চাই, নিজেদের শক্তি, ভাবনাকে গঠনমূলক কাজে ব্যবহার করো।’
আরও পড়ুন:

আরও একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘খোলা মনে ভাবো কিন্তু রক্ষণশীল জীবনযাপন করো। তাহলে জেল, একঘেয়েমি, নেতিবাচকতা, অবসাদসহ অনেক সমস্যার হাত থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবে।’ কঙ্গনার মতে, আধুনিক ডেটিং সংস্কৃতি পরোক্ষভাবে বৈবাহিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে। যার ফলে অপরাধপ্রবণতাও বাড়েছে। সংশ্লিষ্ট ঘটনায় অনেকেই অভিযুক্ত সিয়ার মা-বাবাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। প্রশ্ন উঠেছে, বাড়ির শিক্ষা নিয়েও। এমতাবস্থাতেই পুণের হাড়হিম কাণ্ডে সমাজের সম্মুখে আয়না ধরেছেন বিজেপির তারকা সাংসদ কঙ্গনা রানাউত।

অভিনেত্রীর মন্তব্য, ‘এখনকার দিনে শুধু কোনও পরিবারের পরিবেশ বা মা-বাবাকে দেখে সন্তানদের মূল্যবোধ সম্পর্কে ধারণা তৈরি করা উচিত নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কে তাদের চিন্তাভাবনাকে প্রভাবিত করছে? বা তারা কার সঙ্গে সময় কাটাচ্ছে? ওদের জীবনে সোশাল মিডিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই বা কী ধরনের প্রভাব ফেলছে? এগুলি দেখা উচিত।’


কঙ্গনার সংযোজন, ‘বাবা-মাকে দোষারোপ করা যায় না। কারণ মানুষ এখন সমান্তরালে একাধিকভাবে জীবন যাপন করতে অভ্যস্ত। খুব সতর্কতার সঙ্গে সমাজের কাছে নিজেদের একটি কাঙ্ক্ষিত ভাবমূর্তি গড়ে তোলে। কারণ তাদের কাছে নিজের অনুভূতির চেয়ে সমাজ তাদের কোন চোখে দেখছে? সেটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। তাই সন্তানদের কুকর্মের জন্য পরিবারকে দায়ী করা উচিত নয়।’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মহারাষ্ট্রে ফের বিরোধী শিবিরে ভাঙন! পওয়ারের ‘অস্থিরচিত্ত’ বিধায়কদের ‘সন্দেহ’ কংগ্রেসের
-
১৬ বছর পর কলকাতা পেল মহিলা ওসি, একসঙ্গে রদবদল ৩৩ ইন্সপেক্টরের
-
খেয়াল রাখতে হবে অভিযোগকারিণীর মানসিক দিকটিও, লালবাজারে বিশেষ প্রশিক্ষণ ১৮৩ মহিলা পুলিশকে
-
ইথানলের মিশ্রণে গাড়ির ক্ষতি না হওয়ার দাবি, গড়করিকে পালটা ‘চ্যালেঞ্জ’ সমাজকর্মীদের
-
সেবাশ্রয়ের ‘ভুলে’ বাদ পা! অভিষেক-সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের মহিলার