তিনি দুই বাংলারই অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ। কাজের সূত্রে কলকাতা আসা-যাওয়ার মাঝে থাকলেও অবসরযাপনের জন্য পদ্মাপারের বাড়িই তাঁর প্রথম পছন্দ। রূপোলি পর্দার বাইরে একেবারে অন্যরকম। বিনোদুনিয়ার চাকচিক্যের ছিটেফোঁটাও নেই বাস্তব জীবনে। সহজ, মাটির কাছাকাছি আর প্রকৃতিপ্রেমী একজন মানুষ। ঢালিউডের পাশাপাশি বলিউড, টালিউডের চরম ব্যস্ততা আর তারকাখ্যাতির মধ্যেও ঘরোয়া জীবনের প্রতি এক অমোঘ আকর্ষণ! তিনি আর কেউ নন, গ্ল্যামারাস ডিভা জয়া আহসান।
সোশাল মিডিয়ায় খুবই সক্রিয় অভিনেত্রী। ব্যক্তিগতজীবন আড়ালে রাখলেও ওপার বাংলার বাড়িতে প্রকৃতির সঙ্গে কাটানো সুন্দর মুহূর্তগুলো সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। প্রকৃতির প্রতি জয়ার ভালোবাসার কথা কারও অজানা নয়। পরম যত্নে বাড়ির ছাদ বাগানের পরিচর্চা করেন জয়া। মরশুমের ফল, সবজির বাগানের টাটকা সবজির নানান ছবি সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নেন অভিনেত্রী।
আরও পড়ুন:
পেঁপে থেকে নানারকমের সবজি, কলা, কাঠলিচু কী নেই জয়ার ছাদ বাগানে! রয়েছে বাহারি ফুলের সমাহার। এবার দেশি ডুমুর বা কাকডুমুরের ছবি শেয়ার করলেন জয়া আহসান। সেই সঙ্গে এই সবজির খাদ্যগুণ নিয়েও কয়েকটি শব্দ খরচ করে অভিনেত্রীর সংযোজন, ‘খাদ্য হিসেবে এটি খুবই পুষ্টিকর। রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম ও আয়রন।’
গাছের ডুমুর দেখেই জয়ার মনে পড়ে গেল, ‘মাংসের মশলা ব্যবহার করে মা ডুমুর দিয়ে একটা দারুণ পদ রান্না করে।’ এরপরই কমেন্ট বক্সে ডুমুরের তরকারি নিয়ে জমা পড়েছে একাধিক মন্তব্য। জয়ার সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে নজর রাখলেই দেখা যায়, নিজের বাগান থেকেই ব্যাগভর্তি সবজি নিয়ে ঘরে আসেন।
জয়ার ছাদবাগানে বাম্পার ফলন সে কথা বলার অপেক্ষাই রাখে না। বাগান করা জয়া আহসানের শখ সে কথা নিজেই বলেন। ছাদ ও ব্যালকনির চারপাশে প্রায় শতাধিক ফল ও সবজির গাছ, করোনায় তাঁর বেশির ভাগ সময় কেটেছে এই বাগানে। তখন নতুন গাছ লাগানো আর পরিচর্যা করেই দিন কাটিয়েছেন জয়া আহসান। বাংলাদেশের বাড়িতে অবসরযাপনের এই টুকরো মুহূর্তগুলো ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন জয়া।
শহরের আনাচেকানাচে গজিয়ে ওঠা ফ্ল্যাটের মাঝে জয়ার ইস্কাটনের বাড়ির এই একটুকরা ছাদবাগান তাঁর স্বস্তির আশ্রয় তা বলাই বাহুল্য। উপহার হিসেবে গাছ পেলে দারুণ খুশি হন জয়া আহসান। সুযোগ পেলে তো বিদেশ থেকেও গাছ নিয়ে আসেন তিনি।
View this post on Instagram
একটু পিছন ফিরে তাকালে মনে পড়ে যায়, ভারত থেকে পেয়ারা গাছ নিজের দেশে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বিমানবন্দরে ব্যাগ স্ক্যানিংয়ের সময় তা দেখেই হেসে কুটোকুটি উপস্থিত সকলে। জয়াকে তো কর্মীরা বলেই ফেলেছিলেন, “আপনাদের দেশে তো পেয়ারাগাছ পাওয়া যায়, এ দেশ থেকে নিয়ে যাচ্ছেন কেন?”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপের ম্যাচে মাঠে নেমে গোল বাতিল করান কুয়েতের রাজপুত্র!
-
কর্মক্ষেত্রে ‘ফ্রেন্ড বম্বিং’-এর শিকার হলেই চাকরি গেল বলে! কীভাবে সতর্ক থাকবেন?
-
বর্ষার শুরুতেই ঘুরে আসুন ভারতের এই নৈসর্গিক ভারজিন স্থানে, হদিশ দিলেন আনন্দ মহিন্দ্রা
-
রবিতে বিসিএস পরীক্ষা, সকাল থেকেই চলবে মেট্রো, জেনে নিন সময়সূচি
-
মলমাসের পুণ্যলগ্নে শুক্র প্রদোষ ব্রত, জানুন মহাদেবের পুজোর শুভ তিথি ও মাহাত্ম্য