সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নিজের লেখনির জাদুতে বম্বের গ্ল্যামার জগতের উত্থানের গল্প সাজিয়েছিলেন সৌমিক সেন। তাতে যেমন ছিল স্টার হয়ে ওঠার গল্প, তেমনই ছিল হিংসা, লোভ, স্বার্থপরতা, রাজনীতি, দেশভাগের যন্ত্রণা। ওয়েব দুনিয়ার দর্শকদের মুগ্ধ করেছে ‘জুবিলি’। এবার? টলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন, এবার সৌমিকের কলমে মুক্তিযুদ্ধের গল্প সেজে উঠছে। আর তাতে জুটি হিসেবে দেখা যেতে পারে বাংলাদেশি তারকা আরিফিন শুভ ও টলিউড অভিনেত্রী সৌরসেনী মৈত্রকে।

যদিও এ বিষয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ সৌমিক। তবে শোনা যাচ্ছে, নতুন এই সিরিজের পরিচালনার ভার তিনিই হয়তো সামলাবেন। টলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন, নতুন সিরিজ প্রযোজনা করতে পারেন অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়। আর তা দেখা যেতে পারে সোনি লিভ ওয়েব প্ল্যাটফর্মে। এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ার জন্য এক সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে সৌরসেনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তবে তিনিও এই সিরিজ নিয়ে কিছু বলতে নারাজ।
[আরও পড়ুন: কলাকুশলীদের বকেয়া ৬৫ লক্ষ! ২৫০ কোটির ঋণে ডুবন্ত বাসু ভাগনানির উপর ক্ষুব্ধ ফেডারেশন]
এমনিতে সৌরসেনীর এখন কলকাতা-মুম্বইয়ে যাতায়াত বেড়েছে। ‘তাজ: ডিভাইডেড বাই ব্লাড’-এ ফিমেল লিড হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছেন তিনি। সিরিজের মাধ্যমে সারা দেশের নজর কেড়েছেন তিনি। এখন মনীশ মালহোত্রার আগামী ছবিতে কাজ করছেন সৌরসেনী। তার শুটিং, ডাবিং চলছে। আবার কিছু প্যাচ ওয়ার্কও করতে হচ্ছে।
View this post on Instagram
বাংলায় আবার সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ‘সত্যি বলতে সত্যি কিছু নেই’ ছবিতে দেখা যাবে সৌরসেনীকে। এর সঙ্গে যদি সৌমিকের সিরিজও যুক্ত হয় তাহলে নায়িকার অনুরাগীরা খুশিই হবেন। শোনা যাচ্ছে, চিত্রনাট্যের প্রাথমিক খসড়া ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। সৌরসেনী ও আরিফিনের সঙ্গে প্রাথমিক কথাবার্তাও নাকি সারা।
View this post on Instagram
[আরও পড়ুন: বাবা রাজের জুতোয় পা যুবানের! শুটিংয়ে ‘অ্যাকশন-কাট’ বলছে খুদে! ছবি শেয়ার মা শুভশ্রীর]
সর্বশেষ খবর
-
তৃণমূলের ‘টার্গেটে’ বিজেপি নেতা! বাড়িতে বোমাবাজি, রেখে গেল সাদা থান-হুমকি চিঠি
-
অযোধ্যায় আঁশটে গন্ধে রুষ্ট বিজেপি! কংগ্রেসের অনুষ্ঠানে মৎস্যভোজ? পালটা দিল রাহুলের দল
-
জঙ্গি হামলা রুখতে কালীঘাটে বিশেষ নজর, এবার শক্তিপীঠ ঘিরে ফেলল এনএসজি!
-
পূরণ হয় সন্তানলাভের ইচ্ছে, এই মন্দিরে শায়িত বিষ্ণু মূর্তিতে সঠিক রীতিতে পুজো দিলেই মেলে ফল
-
জাতীয় সঙ্গীত শুনেই ক্যামেরা নামানোর নির্দেশ, ভূমির আচরণে মুগ্ধ খোদ পাপারাজ্জিরাই