Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mamata Shankar

স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে মমতা শঙ্করের মন্তব্যে শোরগোল, গর্জে উঠলেন ইমন-সুদীপা

ঋতুস্রাব নিয়ে মমতা শঙ্করের মন্তব্যে কটাক্ষ ইমনের। কী বলছেন সুদীপা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৫, ১৮:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২১, ২০২৫, ১৮:০৬

options
link
স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে মমতা শঙ্করের মন্তব্যে শোরগোল, গর্জে উঠলেন ইমন-সুদীপা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি সংবাদ প্রতিদিন-এর সাক্ষাৎকারে মমতা শঙ্কর ঋতুস্রাব সংক্রান্ত কিছু মন্তব্য করেছিলেন। বর্ষীয়াণ অভিনেত্রী তথা নৃত্যশিল্পী প্রশ্ন ছুড়েছিলেন, “স্যানিটারি ন্যাপকিনের বিজ্ঞাপনে লাল রং ঢেলে বোঝানোর কোনও প্রয়োজন আছে ঋতুস্রাব কী বা কেমন?” তাঁর সংযোজন, বাবা কিংবা ছেলের সঙ্গে এই বিষয়ে তিনি আলোচনা করতে পারবেন না! মমতা শঙ্করের এহেন মন্তব্য ভাইরাল হতেই সংবাদ প্রতিদিন-এর সাক্ষাৎকারের ওই সংশ্লিষ্ট অংশ নিয়ে নেটপাড়ায় তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। সিংহভাগ নেটিজেন বর্ষীয়াণ অভিনেত্রী তথা নৃত্যশিল্পীর উদ্দেশে কদর্য আক্রমণ শুরু করেছে। এমন আবহেই বর্তমান প্রজন্মকে আক্রমণাত্মক শব্দ নির্বাচনের জন্য একহাত নিলেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে মমতা শঙ্করের ঋতুস্রাব সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন ইমন চক্রবর্তী।

সঙ্গীতশিল্পী ইমন বলছেন, “ছোটবেলায় আমার বাবা-ই আমায় দোকানে গিয়ে কখনও স্যানিটারি ন্যাপকিন কিনতে দেননি। তাই আজও সেই অভ্যেস আমার নেই। আমার মা আমাকে বলেছিলেন যে, এগুলো খুব নরমাল ঘটনা। আমার মা আমাকে বলেছিলেন, নারী-পুরুষ সমান সমান। কী জানি, এখন কিছু ইন্টারভিউ দেখে মনে হচ্ছে মা হয়তো ভুল ছিলেন। রবীন্দ্রনাথের চিত্রাঙ্গদা-তে চিত্রাঙ্গদা তাঁর সমানাধিকারের কথা বলেছেন, দাবি জানিয়েছেন, কী জানি সেটাও কি ভুল ছিল? গা গোলাচ্ছে। শরীর খারাপ লাগছে আমার।” অন্যদিকে এহেন মন্তব্যের জেরে যে ভাষায় মমতা শঙ্করকে আক্রমণ করা হচ্ছে, সোশাল মিডিয়ায় তার প্রতিবাদ করে দীর্ঘ পোস্ট করলেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়।

Advertisement

সুদীপ্তার মন্তব্য, “ওই স্যানিটারি প্যাডের বিজ্ঞাপন দেখতে আমার মাও পছন্দ করতেন না। তাঁকে আমরা আমাদের পয়েন্ট বোঝাতে চেষ্টা করতে পারি। কিন্তু এভাবে আক্রমণ করাটা বোধহয় ঠিক নয়। আমি ওঁর কথা সমর্থন করছি না,তবে তোমাদের আক্রমণটাকেও সমর্থন করতে পারছি না। সবার আগে আমরা ভারতীয়। ভারতের সভ্যতার একটা ইতিহাস আছে। গ্লোবাল হতে গিয়ে সেটাকে বিসর্জন দিতে পারব না। আমি যদি নাস্তিক হই-তাহলে কি মা দুর্গার মূর্তিতে কালি ছেটাব? কেন ছেটাব না? কারণ আমাদের সভ্যতা আর শিক্ষা সেটা অনুমতি দেয় না।” সঞ্চালিকার সংযোজন, “মমতাশঙ্করকে নিয়ে এই বর্তমান প্রজন্মের পর পর প্রতিক্রিয়া দেখে আর আক্রমণ দেখে, মনটা বেশ খারাপ হয়ে গেল। কিরকম ধারালো সব লেখা। অনেকদিন নাহ! কিছু বলব না, ভেবেও,আজ আর পারলাম না। তারকাদের আক্রমণ করা এখনকার একটা ট্রেন্ড হয়ে দাড়িয়েছে। কিন্তু কেন? কেন পান থেকে চুন খসলেই তাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে,খাপ পঞ্চায়েত বসিয়ে দেবেন আপনারা? কোথায় কে ঠিক করে দিয়েছে, সেলিব্রিটিদের সবসময় পারফেক্ট হতে হবে? তাঁরা কি সমাজ সংস্কারক? রাজনীতিবিদরা রোজ কত শত বাজে বলে যাচ্ছেন, কই? তাদের নিয়ে তো এত লেখা আর একরম হচ্ছে না?” ‘জেন জেড’ নেটিজেনদের সুদীপার পাঠ, “সমাজের জন্য় তোমরা কী করেছে? কতটুকু অবদান রয়েছে তোমাদের? ওনার মতো অভিনয় করতে পারবে? ওনার মতো নাচতে পারো- ক’জন? সবার আগে মনে রাখতে হবে, উনি বয়সে তোমাদের থেকে অনেকটা বড়। তাই যে কথা নিজের মা-পিসি-ঠাকুমা-দিদিমাকে বলতে পারো না, সেকথা প্রকাশ্যে ওঁকে বলছ কেন?”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.