Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Honey Singh Ramayana

বেঙ্গালুরুর ছেলে বলেই ‘রাবণ’ যশকে বেশি পছন্দ? ‘রাম’ রণবীর নিয়ে কী বললেন হানি সিং?

'রামায়ণ' যাতে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না করে সেই আশা করেছেন হানি সিং।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৫:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২১, ২০২৬, ১৫:২৬

options
link
বেঙ্গালুরুর ছেলে বলেই ‘রাবণ’ যশকে বেশি পছন্দ? ‘রাম’ রণবীর নিয়ে কী বললেন হানি সিং? zoom
যশ, হানি সিং ও রণবীর কাপুর। ফাইল ছবি
Advertisement

পৌরাণিক মহাকাব্য ‘রামায়ণ’-এর গল্প এবার বড়পর্দায়। নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত ‘রামায়ণ’ নিয়ে সিনেপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। দর্শকের উত্তেজনায় সুরসুরি দিয়ে সামনে এসেছে সিনেমার প্রচার ঝলক। রাম রূপে রণবীর নাকি রাবণের ভূমিকায় যশ? কে বেশি আকর্ষণীয়? এই মুহূর্তে জোর চর্চা সোশাল মিডিয়ায়। বলা ভালো, ‘রামায়ণ’-এর প্রতিটি চরিত্রের লুকই যেন একেবারে সাধারণ মানুষ আতসকাচের নিচে রেখে পর্যবেক্ষণ করছেন। সম্প্রতি গায়ক-র‍্যাপার হানি সিংও ‘রামায়ণ’-এ রাম-রাবণের লুক নিয়ে নিজের মতামত পেশ করেছেন।

ইনস্টাগ্রাম লাইভ সেশনে ‘রামায়ণ’-এর ট্রেলার নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। সেখানেই নিজের পছন্দের কথা বলেন ইয়ো ইয়ো হানি সিং। রাম না রাবণ, হানি সিংয়ের মার্কশিটে কে পেল বেশি নম্বর? রাবণকেই এগিয়ে রাখলেন হানি সিং। কন্নড় অভিনেতা যশকে ‘অসাধারণ’ বলে মন্তব্য করেছেন। ভগবান রামের চরিত্রে রণবীর কাপুরের তুলনায় তাঁর নজরে রাবণ অনেক বেশি আকর্ষণীয়। বলা ভালো দৃষ্টিনন্দন।

Advertisement

নিজের পছন্দকে যুক্তিসহকারে ব্যাখ্যা করে হানি বলেন, “যশ ভাই আমাদের বেঙ্গালুরুর ছেলে। উনি রাবণের চরিত্রে অভিনয় করছেন। সত্যি বলছি বন্ধুরা, আমি ‘রামায়ণ’-এর টিজার দেখেছি। আমি শ্রীরামের ভক্ত। রাবণের সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু যশ ভাইকে কী দারুণ লাগছে! আমার ব্যক্তিগত মতামত অনুযায়ী, রণবীর ভাইয়ের থেকেও যশকে আমার বেশি ভালো লাগছে।”

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Yo Yo Honey Singh (@yoyohoneysingh)

ছবি মুক্তির পর যেন ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত না লাগে সেই প্রার্থনাই করেছেন ব়্যাপার। তাঁর কথায়, “আমি আশা করি সিনেমাটি খুব ভালো হবে এবং কোনও ধর্মের অনুভূতিতে আঘাত করবে না। আমরা ছোটবেলা থেকে যেভাবে রামায়ণ দেখে এসেছি, দিল্লি ও কারমপুরায় যেভাবে রামলীলা দেখেছি, আমাদের কাছে যেটা এতটা পবিত্র ছিল ছবিটিও যেন তেমনই থাকে। অতিরঞ্জিত যেন না করা হয়। কারণ রামায়ণের সঙ্গে আমাদের ছোটবেলার আবেগ জড়িত।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.