Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Chuck Norris

হলিউডে ইন্দ্রপতন! প্রয়াত ব্রুস লিকে টক্কর দেওয়া সুপারস্টার চাক নরিস

'দুরন্ত যোদ্ধা হলেও ওঁর হৃদয় ছিল ভালোবাসায় পরিপূর্ণ', বলছেন ৮৬ বছরের চাক নরিসের কন্যা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৬:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৬:১২

options
link
হলিউডে ইন্দ্রপতন! প্রয়াত ব্রুস লিকে টক্কর দেওয়া সুপারস্টার চাক নরিস zoom
৮৬ বছর বয়সে প্রয়াণ ঘটল মার্কিন মার্শাল আর্টিস্টের।

প্রয়াত হলিউডের অ্যাকশন স্টার চাক নরিস (Chuck Norris)। ব্রুস লি-র সঙ্গে রুপোলি পর্দায় তাঁর লড়াই আজও স্মরণীয় হয়ে রয়েছে। ৮৬ বছর বয়সে প্রয়াণ ঘটল সেই মার্কিন মার্শাল আর্টিস্টের। শিল্পীর কন্যা বাবার স্মৃতিচারণ করে জানিয়েছেন, ”দুরন্ত যোদ্ধা হলেও ওঁর হৃদয় ছিল ভালোবাসায় পরিপূর্ণ।”

১৯৪০ সালে কার্লস রে নরিস জন্মগ্রহণ করেন ওকলাহোমায়। কৈশোরে যোগ দেন মার্কিন বায়ুসেনায়। পোস্টিং হয় দক্ষিণ কোরিয়ায়। সেখানেই তাঁর মার্শাল আর্টে হাতেখড়ি। ক্যারাটে, তাইকোন্ডু, ট্যাং সু ডু, ব্রাজিলিয়ান জিউ জিতসু ও জুডোয় ব্ল্যাক বেল্ট চাক পরবর্তী সময়ে পা রাখেন হলিউডে। ১৯৭২ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘দ্য ওয়ে অফ দ্য ড্রাগন’। সেই ছবিতেই কিংবদন্তি ব্রুস লি-র সঙ্গে লড়তে দেখা গিয়েছিল চাক নরিসকে। সোনালি চুলের অভিনেতাকে প্রাথমিক লড়াইয়ে দেখা যায় ব্রুসকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিতে! পরে ক্রমশ তাঁর বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অবশ হয়ে যেতে থাকে ব্রুস লি-র মারে। সব মিলিয়ে রীতিমতো উপভোগ্য ছিল সেই অ্যাকশন যা আজও আলোচিত। ব্রুস লি-র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তাঁর। বলে রাখা ভালো, যে সময় ওই মারপিটের দৃশ্য তোলা হয়েছিল তখন চাকই ছিলেন ক্যারাটের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। শুটিংয়ের আগে রসিকতার সঙ্গে তাই বলেছিলেন, ”ব্রুস, তুমি তাহলে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে হারাতে চাও?” ব্রুস লি-র স্বভাবোচিত জবাব, ”না চাই না। আমি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নকে খুন করতে চাই।”

Advertisement

ক্যারাটে, তাইকোন্ডু, ট্যাং সু ডু, ব্রাজিলিয়ান জিউ জিতসু ও জুডোয় ব্ল্যাক বেল্ট চাক পরবর্তী সময়ে পা রাখেন হলিউডে। ১৯৭২ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘দ্য ওয়ে অফ দ্য ড্রাগন’। সেই ছবিতেই কিংবদন্তি ব্রুস লি-র সঙ্গে লড়তে দেখা গিয়েছিল চাক নরিসকে।

পরবর্তী সময়ে ‘আ ফোর্স অফ ওয়ান’, ‘দ্য অক্টাগন’, ‘অ্যান আই ফর অ্যান আই’ ছবিগুলির মাধ্যমে তাঁর নাম ঘরে ঘরে পৌঁছে যায়। হলিউডে তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল প্রশ্নাতীত। ভক্ত ছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টও (জর্জ বুশ)। ইন্টারনেটের যুগে তাঁকে নিয়ে তৈরি হয়েছিল অসংখ্য মিম। যেমন ‘চাক নরিস সেই মানুষ, যিনি চোখ বোজা অবস্থায় ভিশন টেস্টে পাশ করে যান।’ কিংবা ‘হাল্ক যখন প্রচণ্ড রেগে যায়, তখন সে চাক নরিসে পরিণত হয়।’ এই সব মিমে রসিকতার মেজাজ থাকলেও আদপে তা চাক নরিসের প্রবল তারকা সত্তাকেই প্রতিফলিত করে।

হলিউডে তাঁর জনপ্রিয়তা ছিল প্রশ্নাতীত। ভক্ত ছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্টও (জর্জ বুশ)। ইন্টারনেটের যুগে তাঁকে নিয়ে তৈরি হয়েছিল অসংখ্য মিম।

এহেন মার্শাল আর্টিস্টের প্রয়াণে হতভম্ব বিনোদুনিয়া। শোকপ্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। লিখেছেন, ‘উনি ছিলেন এক মহান মানুষ, সত্যিকারের শক্তিশালী পুরুষ।’ এক্স হ্যান্ডলে শোকপ্রকাশ করেছেন বলিউডের অ্যাকশন হিরো অক্ষয় কুমার। জানিয়েছেন, কীভাবে চাক নরিস তাঁকে আশৈশব মুগ্ধ করেছেন। 

১০ মার্চ পেরিয়ে এসেছিলেন জন্মদিন। পোস্ট করেন বক্সিং অনুশীলনের ভিডিও-ও। উল্লেখ করেছিলেন তাঁর বিখ্যাত সংলাপ- ”আমার বয়স বাড়ে না, জীবনের প্রতিটি ধাপে আরও শক্তিশালী হই।” সপ্তাহখানেক পেরনোর পর এবার তিনি পাড়ি দিলেন না ফেরার দেশে। রয়ে গেল তাঁর স্টাইল, অ্যাকশন, হার না মানা মনোভাবের সোয়্যাগ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.