মৃত্যুর আগে শেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্ট। শিবের শরণে আশ্রয় নিতে চান বলে উল্লেখ করেছিলেন পোস্টে। তার মাত্র কয়েকদিনের পর অমৃতলোকের পথে অভিনেত্রী। তবে কি ঈশ্বরের ডাক আগেই অনুভব করেছিলেন অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা সিরোহী (Divyanka Sirohi Death)? শেষ ইনস্টাগ্রাম পোস্ট ভাইরাল হওয়ায় উঠছে প্রশ্ন।
গত ২১ এপ্রিল সব শেষ। মাত্র ৩০ বছর বয়সেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে হরিয়ানার অভিনেত্রীর। পরিবার সূত্রে খবর, ওইদিন গাজিয়াবাদে নিজের বাড়িতেই ছিলেন দিব্যাঙ্কা। আচমকা শরীর খারাপ লাগতে শুরু হয় তাঁর। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শেষরক্ষা হয়নি। চিকিৎসকরা জানান, পথেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে চোখে জল অনুরাগীদের। দিব্যাঙ্কার মৃত্যুর পর তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্ট হু হু করে ভাইরাল হচ্ছে। গত ২০২৩ সালে তিনি একটি ছবি শেয়ার করে। তাতে পরনে নীল জ্যাকেট এবং মাথায় মেরুন রঙের পাগড়ি দেখা গিয়েছে। ওই ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লেখেন, “মহাদেব, আপনার সঙ্গে নিয়ে যান।” এই ছবিটি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। একের পর এক কমেন্টের ঝড়। অনুরাগীরা আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।
আরও পড়ুন:
View this post on Instagram
১৯৯৬ সালে বুলন্দশহরে তাঁর জন্ম। মীরাটের চৌধুরী চরণসিং ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক হন দিব্যাঙ্কা। সিকিম থেকে এমবিএ করেন। বছরখানেক পর হরিয়ানার বিনোদুনিয়ায় কাজ শুরু করেন। জনপ্রিয়তাও পান। ছোট থেকেই অভিনয়ের প্রতি উৎসাহী দিব্যাঙ্কা। টিকটকে ভিডিও তৈরি করতেন। যা মন ছুঁয়ে নেয় দর্শকদের। একাধিকবার নানা জায়গায় সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, “আমি ছোট থেকে অভিনয় এবং নাচের বিষয়ে উৎসাহী। একবার দীপাবলিতে নীল রঙের স্যুট পরে পাঞ্জাবি গানে ভিডিও তৈরি করেছিলাম। ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। সেই শুরু।” এই সাফল্যের পর আর পিছু ফিরে চাইতে হয়নি তাঁকে। স্বল্প দিনের কেরিয়ারে কমপক্ষে ৫০টি মিউজিক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে দিব্যাঙ্কাকে। মাসুম শর্মা, কেডি, অমিত সাইনি রোহতকিয়ার মতো জনপ্রিয় তারকার সঙ্গে দেখা গিয়েছে তাঁকে। কেরিয়ার জীবনের একেবারে শুরুতেই দিব্যাঙ্কার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বিনোদুনিয়া।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধের রক্তচক্ষু-রাজনীতিতে বারবার প্রভাবিত বিশ্বকাপ! তবু জিতে গিয়েছে ফুটবল
-
পালিয়েও বাঁচলেন না, বাড়ি ফিরতেই তৃণমূল নেতাকে জুতোপেটা মহিলাদের! ভাইরাল ভিডিও
-
এবার সিনেপর্দায় জুবিনের স্মৃতিচারণ, জীবনীচিত্রতে অভিনয়ে টলিপাড়ার কোন কোন বাঙালি?
-
অভিন্ন দেওয়ানি বিধির উদ্দেশ্য সন্তানসংখ্যা নির্ধারণ? বিভ্রান্তি দূর করলেন শমীক ভট্টাচার্য
-
তৃণমূল নেতাকে কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরাল জনগণ, ডিমথেরাপি! আক্রান্তকে উদ্ধার বিজেপির