Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Sreelekha Mitra

মোদির কুরুচিকর ছবি প্রদর্শনে শ্রীলেখার বিরুদ্ধে নয়া অভিযোগ, তলব করা হতে পারে অভিনেত্রীকে

মোদির 'কুরুচিকর' পোস্টার দেখিয়ে বিতর্কে শ্রীলেখা মিত্র। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে দায়ের নয়া অভিযোগ।

অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১৪:২৪

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১৪:২৪

options
link
মোদির কুরুচিকর ছবি প্রদর্শনে শ্রীলেখার বিরুদ্ধে নয়া অভিযোগ, তলব করা হতে পারে অভিনেত্রীকে zoom
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কুরুচিকর ছবি প্রদর্শনে শ্রীলেখার বিরুদ্ধে নয়া অভিযোগ
Advertisement

গত ২৪ জুলাই নিট কেলেঙ্কারি ইস্যুতে ধর্মতলায় ছাত্র মিছিল থেকে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে। ঘটে সাংবাদিক নিগ্রহের মতো ঘটনাও। সেই মিছিলেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘কুরুচিকর’ ছবি প্রদর্শনের অভিযোগ ওঠে শ্রীলেখা মিত্রের (Sreelekha Mitra) বিরুদ্ধে। যে মর্মে আগেই রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র কেয়া ঘোষ টলিউড অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পাশাপাশি বিজেপির নেতা-কর্মীদের তরফে বিধাননগরের সাইবার ক্রাইম থানাতেও অভিযোগ দায়ের করা হয়। এবার ফের নতুন করে শ্রীলেখা মিত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হল।

খবর, প্রধানমন্ত্রীর ‘কুরুচিকর’ পোস্টার বিতর্কে কলকাতার মুচিপাড়া থানায় দু’টি পৃথক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, দু’টি ক্ষেত্রেই অভিযোগকারী মালদহ জেলার বাসিন্দা। মালদহের হাবিবপুর এলাকার শ্রীরামপুরের এক যুবকের অভিযোগ, গত ২৪ জুলাই শ্রীলেখা মিত্র ও অন‌্যান্য অভিযুক্তরা শিয়ালদহ থেকে ধর্মতলায় নিট কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে হওয়া প্রতিবাদ মিছিলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবিযুক্ত একটি ‘কুরুচিকর’ পোস্টার হাতে নিয়ে ছবি তোলেন। যে ছবি সোশ‌াল মিডিয়াতেও দাবানল গতিতে ভাইরাল হয়। তাঁর দাবি, অভিযুক্তরা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করেছেন। শুধু তাই নয়, পাশাপাশি শান্তিভঙ্গের ইন্ধনও জুগিয়েছেন তাঁরা। তার ভিত্তিতেই হাবিবপুর থানায় শ্রীলেখা মিত্র ও বাকিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই যুবক।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিগত দিন কয়েক ধরেই এই ঘটনায় তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অবমাননার প্রতিবাদেই সুর চড়িয়েছে গৈরিক সমাজ।

অন্যদিকে শ্রীলেখা ও বাম ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে মালদহের বামনঘাটা থানায় এই একই মর্মে অভিযোগ দায়ের করেন শ্রীবিষ্ণুপুর গ্রামের আরেক বাসিন্দা। দু’টি ক্ষেত্রেই জিরো এফআইআর হয়। জানা গিয়েছে, মালদহ জেলার পুলিশ সুপারের নির্দেশে সেই দু’টি এফআইআর-ই পাঠানো হয় মুচিপাড়া থানায়। কারণ, শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরের অংশ, যেখান থেকে মিছিল শুরু হয়েছিল, তার একটি অংশ মুচিপাড়ার আওতায় পড়ে। এর আগে বিধাননগরের সাইবার ক্রাইম থানা ও আনন্দপুর থানায় এইবিষয়ে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সূত্রের খবর, মুচিপাড়া থানায় দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। পাশাপাশি অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রকে তলব করা হতে পারে বলেও জানা গেল।

Sreelekha Mitra booked in fresh FIR over PM Narendra Modi poster during NEET protest
শ্রীলেখা মিত্র, ছবি : ইনস্টাগ্রাম

এর আগে কেয়া ঘোষ দাবি করেন, শ্রীলেখা ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের সঙ্গে শামিল রয়েছেন। সর্বোপরি একাধিক থানায় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেপ্তারির দাবিও জানানো হয়। অবিলম্বে গ্রেপ্তার না করলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে গেরুয়া শিবির। বিগত দিন কয়েক ধরেই এই ঘটনায় তোলপাড় রাজনৈতিক মহল। দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অবমাননার প্রতিবাদেই সুর চড়িয়েছে গৈরিক সমাজ। কোন কোন ধারায় শ্রীলেখার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে? ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২০২৩ (বিএনএস) ৩৫২ ধারায় ইচ্ছাকৃত কারও ভাবমূর্তি বা মর্যাদা নষ্ট করার অভিসন্ধি যা দেশের শান্তি বিঘ্নিত করে। ৩৫৩ ধারায় প্রকাশ্যে উসকানিমূলক তথ্য প্রদর্শন বা আচারণ করে জনরোষের সৃষ্টি করা। ১৯ (১)(২) ধারায় সংবিধান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অনুমতি দিলেও তা শর্তসাপেক্ষ। ৩৫৬ ধারা অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃত মানহানির জন্য ভাবমূর্তি নষ্ট।

“পেটে কিছুটা হলেও তো শিক্ষা আছে। আসলে তখন আমার চোখে রোদ চশমা ছিল। আর সেই মুহূর্তে পুলিশের লাঠিচার্জও হচ্ছিল। তাই কোনওক্রমে পোস্টারটি তুলেছিলাম।…” 

সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে মুখ খোলেন শ্রীলেখা মিত্র। অভিনেত্রী জানান, “আমি যতই বিজেপি বা মোদি বিরোধী হই, আমাকে যদি কেউ দেশদ্রোহী আখ্যা দেন, সেটা ঠিক ততটাই হাস্যকর যদি কেউ মনে করেন আমি ইচ্ছাকৃতভাবে ওরকম একটা ছবি হাতে নিয়ে প্রদর্শন করেছি। পেটে কিছুটা হলেও তো শিক্ষা আছে। আসলে তখন আমার চোখে রোদ চশমা ছিল। আর সেই মুহূর্তে পুলিশের লাঠিচার্জও হচ্ছিল। তাই কোনওক্রমে পোস্টারটি তুলেছিলাম। ঘুরিয়েও দেখিনি সেখানে মোদিজির কেমন ছবি রয়েছে। পোস্টারটাও সাইজে বেশ ছোট। তাই ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি মোদিজির বিকৃত কোনও ছবি আমার হাতে রয়েছে।” গ্রেপ্তারির ভয়ে বিন্দুমাত্র আতঙ্কিত নন বাঙালি অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বরং পালটা সুর চড়িয়ে একহাত নিয়েছেন শাসকদলকে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.