Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Entertainment News

শাঁখের করাত! নুসরত ফারিয়ার গ্রেপ্তারিতে কী অবস্থান ইউনুস উপদেষ্টা-পরিচালক ফারুকির?

মাথায় হেলমেট, মুখ ঢেকে আদালতে অভিনেত্রী, পাঠানো হল জেলে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৫, ১৭:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৫, ১৭:৪৭

options
link
শাঁখের করাত! নুসরত ফারিয়ার গ্রেপ্তারিতে কী অবস্থান ইউনুস উপদেষ্টা-পরিচালক ফারুকির? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে অর্থদান, হত্যামামলায় যুক্ত-সহ একাধিক অভিযোগে রবিবার ঢাকা বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নুসরত ফারিয়া। ঢাকা মহানগর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করার নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল। সোমবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে আপাতত নায়িকাকে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। এই পরিস্থিতিতে ইউনুস সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তাফা সরোয়ার ফারুকির দশা কার্যত শাঁখের করাতের মতো! সহশিল্পীর পাশে দাঁড়াবেন নাকি সরকারপক্ষকেই সমর্থন করবেন? এনিয়ে ইতস্তত অবস্থার মাঝে সোশাল মিডিয়ায় তাঁর মন্তব্য, ”যা ঘটেছে, তা বিব্রতকর।”

সোমবার সকালে নুসরত ফারিয়াকে ঢাকার আদালতে পেশ করে ঢাকা মহানগর পুলিশ। তাঁর মুখ ঢাকা ছিল হেলমেটে, মুখে মাস্কও ছিল। অনেক অনুরাগীই অভিনেত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন। কিন্তু সর্বক্ষণ মাথা নিচু করেই ছিলেন নুসরত। তাঁর হয়ে সওয়াল করতে উঠে আইনজীবী জানান, গত বছর আন্দোলনের মাঝে যে হত্যামামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেসময় দেশে ছিলেন না অভিনেত্রী। প্রমাণস্বরূপ তাঁর ভিসা, পাসপোর্টের নথিও পেশ করা হয়। তবে নায়িকাকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

Advertisement
ঢাকার আদালতে অভিনেত্রী নুসরত ফারিয়া।

এনিয়ে ইউনুস সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা তথা নামী পরিচালক মোস্তাফা সরোয়ার ফারুকি ফেসবুক পোস্টে নিজের অবস্থানের কথা উল্লেখ করেছেন। তাঁর পোস্ট, ‘‘আমি সাধারণত চেষ্টা করি মন্ত্রণালয়ের কাজের বাইরে কথা না বলতে। কিন্তু আমার তো একটা পরিচয় আছে, আমি এই ইন্ডাস্ট্রিরই মানুষ ছিলাম। দু’দিন পর সেখানেই ফিরে যাব। নুসরত ফারিয়ার গ্রেপ্তারি বিব্রতকর একটা ঘটনা হয়ে রইল আমাদের জন্য। আমাদের সরকারের কাজ জুলাই বিপ্লবের প্রকৃত অপরাধীদের বিচার করা। ঢালাও মামলার ক্ষেত্রে আমাদের পরিষ্কার অবস্থান, প্রাথমিক তদন্তে শক্তপোক্ত প্রমাণ না থাকলে কাউকে গ্রেপ্তার করা হবে না। এবং সেই নীতিই অনুসরণ করা হচ্ছিল।”

ফারুকির আরও দাবি, ‘‘ফারিয়ার বিরুদ্ধে এই মামলা তো অনেকদিন ধরেই ছিল। সরকারের পক্ষ থেকে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে গ্রেপ্তারের কোনও উদ্যোগ নেওয়ার বিষয় আমার নজরে আসেনি। কিন্তু তিনি ঢাকা বিমানবন্দরে যাওয়ার পরেই এই ঘটনাটা ঘটে। আওয়ামি লিগের সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের বিদেশ গমনকে কেন্দ্র করে ক্ষোভের পর অতিরিক্ত উদ্বেগ থেকেই হয়ত নুসরতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।” তাঁর এসব বক্তব্য থেকে একটা বিষয় স্পষ্ট, সরকারের উপদেষ্টা হওয়ার পর শিল্পী হয়ে শিল্পীর পাশে দাঁড়াতে বেশ কুণ্ঠাবোধই করছেন ফারুকি। আর তাই দুর্বল যুক্তি দিচ্ছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.