Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Mahesh Babu

আর্থিক তছরুপ মামলায় দক্ষিণী সুপারস্টার মহেশবাবুকে তলব ইডির

আচমকাই কেন ইডির স্ক্যানারে দাক্ষিণাত্যভূমের দাপুটে তারকা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৫, ১০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০২৫, ১০:০৭

options
link
আর্থিক তছরুপ মামলায় দক্ষিণী সুপারস্টার মহেশবাবুকে তলব ইডির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর্থিক তছরুপ মামলায় এবার দক্ষিণী সুপারস্টার মহেশবাবুকে তলব করল ইডি। আগামী ২৭ এপ্রিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেটের দপ্তরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে অভিনেতাকে। কিন্তু আচমকাই কেন ইডির স্ক্যানারে দাক্ষিণাত্যভূমের দাপুটে তারকা?

জানা গিয়েছে, হায়দ্রাবাদের রিয়াল এস্টেট সংস্থা সাই সূর্য ডেভেলপারস এবং সুরানা গ্রুপের বিরুদ্ধে ওঠা তছরুপের মামলাতেই ডাক পড়েছে মহেশবাবুর। অভিযোগ, ওই দুই সংস্থার থেকে সম্পত্তি ক্রয় করতে গিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন বহু মানুষ। মাথা গোজার ঠাঁই করতে গিয়ে সর্বস্ব খোয়াতে হয়েছে তাঁদের। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠেছে, ওই দুই রিয়াল এস্টেট সংস্থার গড়ে তোলা একাধিক আবাসন নিয়েও। আর আর্থিক দুর্নীতিতে অভিযুক্ত সেই দুই সংস্থার হয়ে বিজ্ঞাপন করাতেই বিপাকে পড়েছেন দক্ষিণী তারকা। সংশ্লিষ্ট মামলায় নাম জড়িয়েছে মহেশবাবুর।

Advertisement

বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, সাই সূর্য ডেভেলপারস তাঁদের বিজ্ঞাপনী দূত মহেশবাবুকে ৫.৯ কোটি টাকা দিয়েছিল। এর মধ্যে ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ৩.৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়। আর বাকি ২.৫ কোটি টাকার লেনদেন হয় নগদে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, মহেশবাবুকে যে নগদ টাকা দেওয়া হয়, সেটা ছিল রিয়াল এস্টেট সংস্থার জালিয়াতি সংক্রান্ত কালো টাকা। গত ১৬ এপ্রিল তদন্তে নেমে হায়দরাবাদ এবং সেকেন্দ্রাবাদের চারটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। আর তার ফলেই বহু নথিপত্র, লেনদেনের তথ্য, নগদ ১০০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তকারী অফিসাররা। এর মধ্যে সুরানা গ্রুপের কাছ থেকে ইতিমধ্যেই ৭৪.৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

ভাগ্যনগর প্রপার্টিজের ডিরেক্টর নরেন্দ্র সুরানা, সাই সূর্যর বিরুদ্ধে একাধিক এফআইআর দায়ের করে তেলঙ্গানা পুলিশ। অভিযোগ, গ্রাহকদের থেকে টাকা তুলেও সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়নি এবং তদন্তে নেমে ইডি জানতে পারে, একই প্লট বার বার বিক্রি করা হয়েছে খদ্দেরদের কাছে। চুক্তি ছাড়াই টাকা আদায় করা হয় ক্রেতাদের কে। জমি রেজিস্ট্রি করা নিয়েও ভুরি ভুরি অভিযোগ! এবার মহেশবাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ওই দুই দুর্নীতিগ্রস্থ সংস্থার বিজ্ঞাপনী মুখ হওয়ায় তাঁকে দেখে বহু মানুষ সম্পত্তি কিনতে উৎসাহিত হয়েছিলেন। আর তাতেই প্রতারণা, জালিয়াতির শিকার হতে হয় তাঁদের। সংশ্লিষ্ট মামলায় জেরার জন্য আগামী ২৭ এপ্রিল ইডির দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে মহেশবাবুকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.