Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Durga Tumi Themo Na

পুজোর গানে নারীশক্তির জয়ধ্বনি, অভিনব উদ্যোগ ‘বঙ্গজীবনের অঙ্গ’ বোরোলীনের

'দুর্গা তুমি থেমো না', গানের মাধ্যমে নারীশক্তি উদযাপনে কণ্ঠ দিলেন বাংলার শিল্পীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০২৪, ১৬:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৬, ২০২৪, ১৬:৩৩

options
link
পুজোর গানে নারীশক্তির জয়ধ্বনি, অভিনব উদ্যোগ ‘বঙ্গজীবনের অঙ্গ’ বোরোলীনের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সেই কবে থেকে ‘বঙ্গজীবনের অঙ্গ’ বোরোলীন। এবার সেই সুরোভিত প্রসাধনী ব্র্যান্ডের তরফেই নারীশক্তিকে উদযাপন করতে এক অভিনব উদ্যোগ। মাতৃশক্তির আরাধনা কালে বোরোলীন নিয়ে এল ‘দুর্গা তুমি থেমো না’। উমা, প্রতিটি নারীর মধ্যেই বিরাজমান। নিত্যদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অদৃশ্যমান দশ হাতে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যান যাঁরা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে যখন আবারও নারীশক্তি জাগরণের বিষয়টি প্রাসঙ্গিক, তখন পুজোর মরশুমেই বোরোলীন-এর হাত ধরে নারীশক্তির জয়ধ্বনি বাংলার শিল্পীদের কণ্ঠে।

গানের কথাতেই নারীচেতনা জাগরণের ডাক। “দুর্গা, তুমি থেমো না/ এই অর্ধেক আকাশ তোমারই, এ- আকাশ ছেড়ে নেমো না/ তোমাদেরই হাতে আগামীর চাকা, বুঝে নাও অধিকারে/ এই অসময়ে চাইলে মেয়েরা সকাল আনতে পারে, শুধু লড়ে যাও/ নিজের লড়াই ছেড়ো না হকের দাবি মনে রেখো, আছে তোমাদেরই হাতে ভবিষ্যতের চাবি…।” পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নিজের স্বপ্নে বাঁচার কথা বলে এই গান। বলে, বৈষম্যের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার কথা। ডাক দেয়, নির্ভীকভাবে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। ‘দুর্গা তুমি থেমো না’ গানের লিরিকসের নেপথ্যে শ্রীজাত এবং গান বেঁধেছেন জয় সরকার। যে গানে কণ্ঠ দিয়েছেন লোপামুদ্রা মিত্র, রূপম ইসলাম, উপল সেনগুপ্ত, তিমির বিশ্বাস, সোমলতা আচার্য চৌধুরী, উজ্জয়িনী মুখোপাধ্যায়ের মতো শিল্পীরা।

Advertisement

গত পয়লা অক্টোবর আশ্বিনের শারদপ্রাতে ইউ টিউবে মুক্তি পেয়েছে ‘দুর্গা তুমি থেমো না’ গানটি। মিউজিক ভিডিও পরিচালনা করেছেন অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়। যেখানে বিভিন্ন পেশার নারীদের উদযাপন করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত ঘরে-বাইরে পুরুষদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিজের লড়াই লড়ে যাচ্ছেন নারীরা। হতে পারেন তিনি একজন গৃহকর্ত্রী কিংবা রাঁধুনি বা কোনও শিল্পী। আবার সিনেমাটোগ্রাফারও, কিংবা ডাক্তার অথবা শিক্ষক। ময়দানেও পুরুষদের পাশাপাশি নারীরা সাফল্যের জয়গান গেয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন। সমাজের চিরাচরিত প্রথা ভেঙে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন ফুটবল বা ক্রিকেটের ময়দানকে। আবার এক নারী গাড়ির চালকের আসনে বসে রাত-বিরেতে কোনও পুরুষযাত্রীকে সাবধানে বাড়ি ফিরিয়ে দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। এঁরাই তো বাস্তবের উমা। তাঁদের জীবনযুদ্ধ এবং শক্তির উদযাপন করতেই বোরোলীন-এর এমন অভিনব উদ্যোগ।

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.