Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Uttam Kumar

আমার ধারণা, উত্তম কুমার নারীমন খুব ভালো বুঝতেন: দিতিপ্রিয়া রায়

মহানায়কের শতবর্ষে দিতিপ্রিয়ার কলমে উত্তমযাপন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫, ১৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫, ১৯:৫৩

options
link
আমার ধারণা, উত্তম কুমার নারীমন খুব ভালো বুঝতেন: দিতিপ্রিয়া রায় zoom
Advertisement

দিতিপ্রিয়া রায়: প্রয়াণের পর পঁয়তাল্লিশ বসন্ত পেরিয়েছে, কিন্তু আজও আমাদের বাঙালিদের মননে উত্তম কুমার আবেগ এতটুকুও অমলিন হয়নি। মুখে গোঁজা সিগারেট, তাঁর অনস্ত্রিন অ্যাটিটিউড…, আমার চোখে উত্তম কুমার ঠিক কেমন? সেই অনুভূতি শব্দে, ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না! ওঁর হাসি, চাহনি, ক্যারিশ্ম্যাটিক ব্যক্তিত্বের অধিকারী এত সুদর্শন-সুপুরুষ, খুব বিরল। বিশেষ করে আজকের দিনে। অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায় ওরফে উত্তম কুমার, টালিগঞ্জ স্টুডিও পাড়ায় তখনও যেমন একমেবাদ্বিতীয়ম ম্যাটিনি আইডল ছিলেন, আজও তেমনই রয়েছেন।

কারও কাছে তিনি ভালো বন্ধু, কারও দাদা, কারও প্রেমিক। কিন্তু গোটা জাতির কাছে তিনি স্বপ্নের নায়ক, মহানায়ক উত্তম কুমার। তাই তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন শুধু তাঁর প্রজন্মের মহিলারাই দেখেননি, স্বপ্নের জাল বুনি আমরাও, এই প্রজন্মের অভিনেত্রীরাও। সুযোগ পেলে কে উত্তম কুমারের নায়িকা হতে চাইবে না, বলুন তো? গৌরবদার (চট্টোপাধ্যায়) সঙ্গে যেহেতু আমার বহু বছরের ভালো সম্পর্ক, সেক্ষেত্রে মহানায়ক বেঁচে থাকলে দেখা করার একটা সুযোগ হত। সেটা ওঁকেও অনেকবার বলেছি যে- ‘তুমি আমাকে দেখা করাতে তো?’ ভবানীপুরের বাড়িতেও যাই আমি। দেখা করতে পারলে সেটা আমার কাছে বিরাটপ্রাপ্তি হত।

Advertisement

আমাকে আরও বেশি করে মহানায়কের প্রতি যে বিষয়টি আকৃষ্ট করে, সেটা হল অভিনেত্রীদের সঙ্গে কী সুন্দরভাবে স্ক্রিন শেয়ার করতেন উনি। আমার ধারণা, উত্তম কুমার নারীমন খুব ভালো বুঝতেন। কোনওদিন যদি ওঁর সঙ্গে অভিনয় করার সুযোগ পেতাম, সেটাই হত আমার কাছে পরমপ্রাপ্তি। তাই আলাদা করে ওঁর কোনও ছবির কোনও নায়িকার জায়গায় নিজেকে ভাবতে পারিনি। তবে ‘সপ্তপদী’তে রিনা ব্রাউনের চরিত্রটি আমার খুব পছন্দের। মহানায়ক অভিনীত ‘সন্ন্যাসী রাজা’ সিনেমাটিও রয়েছে সেই তালিকায়। আর রোম্যান্টিক দৃশ্যে শুটিংয়ের সুযোগ হলে বোধহয় মুগ্ধ হয়ে ড্যাব ড্যাব করে ওঁর দিকেই চেয়ে থাকতাম। আজ উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে যখন লিখছি, তখনও আমার মননে, আমার ভাবনায় মহানায়কের ওই ভুবনভোলানো হাসিমুখ খানা বারবার উঁকি দিচ্ছে।

আমি একটি ছবিও করেছি, যার নাম ‘অচেনা উত্তম’। অতনু বোসের পরিচালনায়। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছিলাম সেই ছবিতে। স্বল্প দৈর্ঘ্যের উপস্থিতি হলেও চিত্রনাট্যের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল আমার চরিত্রটা। সেটাও বড় পাওনা আমার কাছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.