Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৯ জুন ২০২৬
Dev-Hiran

টলিউডের উন্নয়নে নয়া কমিটিতেও ঠাঁই দেবের, হিরণের খোঁচা, ‘সৌজন্যের রাজনীতি শিখুন!’

টলিউডের উন্নয়নের গঠন হল নতুন উপদেষ্টামণ্ডলী। যে কমিটিতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন 'বিক্ষুব্ধ তৃণমূল' তথা অধুনা এনসিপিআই সাংসদ দেব এবং বিজেপির তারকা বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৬, ১২:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৬, ১২:১৬

options
link
টলিউডের উন্নয়নে নয়া কমিটিতেও ঠাঁই দেবের, হিরণের খোঁচা, ‘সৌজন্যের রাজনীতি শিখুন!’ zoom
টলিউডের নতুন উপদেষ্টামণ্ডলীতে দেব-হিরণ।

রাজ্যে পালাবদলের পর ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর নাগপাশমুক্ত টলিউডে স্বস্তির শ্বাস ফেলছে বাংলা সিনেপাড়া। বিগত দেড় দশকে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে যাঁরা একচেটিয়া আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন, সরকার পতনের পর একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে তাঁরা বর্তমানে ‘ব্যাকফুটে’। এমতাবস্থায় সিনেইন্ডাস্ট্রির উন্নয়নে বিজেপির তারকা বিধায়করা ইতিমধ্যেই ‘অ্যাকশনে’ নেমে পড়েছেন। এবার টলিউডের উন্নয়নে গঠন হল নতুন উপদেষ্টামণ্ডলী। যে কমিটিতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন ‘বিক্ষুব্ধ তৃণমূল’ তথা অধুনা এনসিপিআই সাংসদ দেব এবং বিজেপির তারকা বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Dev-Hiran)।

এই কমিটিতে দেব-হিরণের একসঙ্গে থাকাকে ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। কারণ হিরণের কথায়, “কমিটিতে এমন মানুষও রয়েছেন, যাঁরা একুশে জুলাইয়ের মঞ্চেও ছিলেন। কীভাবে সৌজন্যের রাজনীতি…”

দীর্ঘদিনের অস্থিরতা কাটিয়ে বাংলা সিনে ইন্ডাস্ট্রির হাল ফেরাতে বুধবার রাতে নতুন কমিটির ঘোষণা হয়েছে। খবর, গত ৮ জুন নবান্নে তথ্যসংস্কৃতি দপ্তরের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। যে মিটিংয়ের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল বাংলা সিনেমা ও টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির নানা সমস্যায় আলোকপাত করা। সেই বৈঠকের সিদ্ধান্তই এবার রাজ্য সরকারের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হল। নতুন এই উপদেষ্টামণ্ডলীতে রয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ, হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, দীপক অধিকারী (দেব), যিশু সেনগুপ্ত, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী, প্রযোজক মহেন্দ্র সোনি, পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়, পরিচালক-প্রযোজক সানি ঘোষ রায়,প্রোডাকশন ম্যানেজার জয়ন্ত কুন্ডু, টিভি পরিচালক অমিত দাস, অভিনেতা তন্ময় দে, তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব সৌমিত্র মোহন প্রমুখ। নয়া এই কমিটিতে দেব-হিরণের একসঙ্গে থাকাকে ওয়াকিবহাল মহলের অনেকেই বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। কারণ হিরণের কথায়, “কমিটিতে এমন মানুষও রয়েছেন, যাঁরা একুশে জুলাইয়ের মঞ্চেও ছিলেন। কীভাবে সৌজন্যের রাজনীতি করতে হয়, এটা তাঁদের শেখা উচিত। রাজনীতির উর্ধ্বে গিয়ে মানুষের উন্নয়ন।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Rebel TMC leader Dev and BJP's Hiran Chatterjee will work together in Tollywood's new advisory committee
কমিটিতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন ‘বিক্ষুব্ধ তৃণমূল’ তথা অধুনা এনসিপিআই সাংসদ দেব এবং বিজেপির তারকা বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

নির্বাচনী ময়দানে টলিপাড়ার ‘খোকা’ বনাম ‘মাচো মস্তানা’র প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়েও কম ট্রোল-মিম হয়নি। এবার বিরোধী শিবিরের দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে একসঙ্গে টলিউডের উন্নয়নে কাজ করতে দেখা যাবে। সেই প্রেক্ষিতেই দেব-হিরণের নতুন সমীকরণের দিকে যে সিনেমহল থেকে রাজনৈতিক মহলের নজর থাকবে, তা বলাই বাহুল্য।

বিজেপি বিধায়কের এহেন মন্তব্যে প্রশ্ন উঠেছে, তিনি কি দেবকে উদ্দেশ্য করেই কথাগুলো বললেন? কারণ রাজনীতির পিচে তিনি ‘সৌজন্যের পোস্টার বয়’ বলেই পরিচিত। তৃণমূলের তারকা সাংসদ হলেও প্রাক্তন শাসকদলের রক্তচক্ষু, নিষিদ্ধ সংস্কৃতির উর্ধ্বে গিয়ে বিজেপি সমর্থক সেলেবদের সঙ্গে সিনেমায় কাজ করেছেন। শুধু তাই নয়, ১২ বছরের রাজনৈতিক ইনিংসে টলিউড সুপারস্টার দেখিয়ে দিয়েছেন সৌজন্যতা কাকে বলে? একদিকে যেমন প্রচারমঞ্চে কোনোদিন বিরোধী শিবিরের বিরুদ্ধে কোনওরকম অপশব্দ প্রয়োগ করেননি, তেমনই রাজনৈতিক সংস্কৃতি কলুষিত করার অভিযোগও কখনও ওঠেনি দেবের বিরুদ্ধে। ইন্ডাস্ট্রির বিজেপি সমর্থক তারকাদের সঙ্গেও তৃণমূলের তারকা সাংসদের সখ্যতা দারুণ। সেই প্রেক্ষিতেই ওয়াকিবহাল মহলের অনুমান, হিরণের মন্তব্য সম্ভবত দেবকে লক্ষ্য করেই! চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে ঘাটাল কেন্দ্রে একে-অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন দেব-হিরণ। সেবার বিজেপির তারকা প্রার্থীকে হারিয়ে সাংসদ হিসেবে হ্যাটট্রিক করেন দীপক অধিকারী তথা টলিউড সুপারস্টার। নির্বাচনী ময়দানে টলিপাড়ার ‘খোকা’ বনাম ‘মাচো মস্তানা’র প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়েও কম ট্রোল-মিম হয়নি। তবে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে শ্য়ামপুর থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন হিরণ। এবার বিরোধী শিবিরের দুই প্রতিদ্বন্দ্বীকে একসঙ্গে টলিউডের উন্নয়নে কাজ করতে দেখা যাবে। সেই প্রেক্ষিতেই দেব-হিরণের নতুন সমীকরণের দিকে যে সিনেমহল থেকে রাজনৈতিক মহলের নজর থাকবে, তা বলাই বাহুল্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.