চেক বাউন্স মামলার অভিশাপ যেন কিছুতেই কাটছে না! ফের বিপাকে রাজপাল যাদব। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৯ কোটির চেক বাউন্স মামলায় রাজপাল যাদবের ( Rajpal Yadav) অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করে দিল্লি হাইকোর্ট। তবে জামিন মঞ্জুর হলেও বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছিল অভিনেতাকে। তবে আদালতের নির্দেশানুযায়ী মামলাকারীকে বকেয়া টাকা মেটাতে ব্যর্থ হয়েছেন রাজপাল। সেই প্রেক্ষিতেই বলিউডের স্বনামধন্য কৌতুকাভিনেতাকে ফের তিন মাসের কারাদণ্ড দিল আদালত।
ফের মাস তিনেকের জন্য জেলের ঘানি টানতে হবে বলিউডের ‘ছোটে পণ্ডিত’কে। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, মামলার নিষ্পত্তির জন্য একাধিক সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও অভিনেতা বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন।
আরও পড়ুন:
‘হাম কোই মন্দির কা ঘণ্টা হ্যায়, কি কোই ভি আকে বাজা যাতা হ্যায়?’, রাজপাল যাদবের এহেন বিখ্যাত সংলাপ আমজনতার পেটে খিল ধরালেও এই কথাগুলিই যেন অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেল বাস্তবজীবনে। ফের মাস তিনেকের জন্য জেলের ঘানি টানতে হবে বলিউডের ‘ছোটে পণ্ডিত’কে। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, মামলার নিষ্পত্তির জন্য একাধিক সুযোগ পাওয়া সত্ত্বেও অভিনেতা বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ব্যর্থ হয়েছেন। সেই মর্মেই শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্ট চেক বাউন্স সংক্রান্ত সাতটি মামলায় অভিনেতা রাজপাল যাদবের সাজা বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মা। আগামী ৩ মাস ফের জেলেই কাটাতে হবে কৌতুকাভিনেতাকে। খবর, ওই সাতটি মামলার জন্য অভিযোগকারীকে ১.০৫ কোটি টাকা-সহ ১.০৪ লক্ষ এবং ৭৫ হাজারের পাশাপাশি ২৫ হাজার টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রাজপাল যাদবকে। এছাড়াও রাজপালের স্ত্রী রাধা যাদবকে ৫ লক্ষ ৫১ হাজার টাকা মেটানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

২০১০ সালে ‘আতা পাতা লাপাতা’ সিনেমার জন্য মুরালি প্রজেক্ট নামে দিল্লির এক সংস্থার থেকে ৫ কোটি টাকা ধার করেছিলেন অভিনেতা। সেই ছবির বক্স অফিসে ভরাডুবি হওয়ায় টাকা ফেরত দিতে পারেননি তিনি। ফলত, মামলা গড়ায় আদালত অবধি।
২০১০ সালে ‘আতা পাতা লাপাতা’ সিনেমার জন্য মুরালি প্রজেক্ট নামে দিল্লির এক সংস্থার থেকে ৫ কোটি টাকা ধার করেছিলেন অভিনেতা। সেই ছবির বক্স অফিসে ভরাডুবি হওয়ায় টাকা ফেরত দিতে পারেননি তিনি। ফলত, মামলা গড়ায় আদালত অবধি। এদিকে কয়েকবার সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও বকেয়া না মেটাতে পারায় গত ৫ ফেব্রুয়ারি দিল্লি উচ্চ আদালতের নির্দেশে আত্মসমর্পণ করেন রাজপাল যাদব। জেলযাত্রার প্রাক্কালে করুণ সুরে বলেছিলেন, “আমার কোনও বন্ধু নেই যে বকেয়া টাকা মেটাবে।” এর আগে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাজপালকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিনেতা এবং তাঁর স্ত্রী। চেক বাউন্সের মামলায় সেসময়ে তাঁদের সাজা স্থগিত হয়ে যায়। এরপর ২০২৪ সালে ফের দোষী সাব্যস্ত হলেও রাজপালের সাজা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। মামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতা করে বা অর্থ ফেরত দিয়ে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়ে যাবে বলেই আশা করেছিল আদালত। কিন্তু দু’দফায় ২.২৫ কোটি টাকা মেটালেও বাকিটা বকেয়া রয়ে গিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই আদালতের নির্দেশে এবার ফের রাজপাল যাদবকে তিন মাস জেলবন্দি থাকতে হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
একদিনে হুগলির ৩ পুরসভার চেয়ারম্যানের পদত্যাগ! ইস্তফা বৈদ্যবাটির চেয়ারম্যান সহ ১৩ জনের
-
বাদ ডায়মন্ড হারবার, বিশ্বকাপের মাঝেই শুরু কলকাতা লিগ, কোথায়-কত টাকায় দেখা যাবে ম্যাচ?
-
৩ মিনিট ১২ সেকেন্ড অপেক্ষাতেই পেনাল্টি মিস এমবাপের! তিতিবিরক্ত দেশঁ, ফুঁসে উঠলেন হালান্ডও
-
সারাদিন ফোনে মুখ গুঁজে বাড়ছে ডার্ক সার্কেল? দু’সপ্তাহেই ‘ভ্যানিশ’ হবে পাঁচ ঘরোয়া উপায়ে
-
সোমেই লাগু গুন্ডাদমন, ‘সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান আর হবে না’, বহরমপুরে দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর