Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬
Mayukh Ghosh

বাংলা ছবিতে হাতেখড়ি ‘ব্রাউন’-এর চিত্রনাট্যকার ময়ূখের, টলি সেলেবেই রাখছেন ভরসা

'ব্রাউন'-এর পর বাংলা ছবির পরিকল্পনা। এ প্রসঙ্গে কী বলছেন সিরিজের লেখক ময়ূখ ঘোষ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৩:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৬, ২০২৬, ১৩:২০

options
link
বাংলা ছবিতে হাতেখড়ি ‘ব্রাউন’-এর চিত্রনাট্যকার ময়ূখের, টলি সেলেবেই রাখছেন ভরসা zoom
'ব্রাউন'-এর পর বাংলা ছবির পরিকল্পনা ময়ূখের

কলকাতার সেন্ট জেভিয়ার্সে পড়াশোনা। তবে এতদিন যা কাজ করেছেন, সবই মুম্বই ইন্ডাস্ট্রিতে। ঝুলিতে রয়েছে আন্তর্জাতিক কাজও। এবার অবশ্য বাংলা ছবি করতে চলেছেন চিত্রনাট্যকার ময়ূখ ঘোষ (Mayukh Ghosh)। নতুন ছবির নাম ‘মোকোভা’। সদ্যই মুক্তি পেয়েছে তাঁর লেখা ‘ব্রাউন’ সিরিজটি। অভিনয় দেও পরিচালিত, করিশ্মা কাপুর অভিনীত এই সিরিজ যথেষ্ট জনপ্রিয় হয়েছে দর্শকের কাছে।

কেরিয়ারের শুরুর দিকের কাজ, কিন্তু ‘ব্রাউন’-এর মুক্তি প্রায় তিন-চার বছর পিছিয়ে যাওয়ায় খানিকটা ভাবিয়ে তুলেছিল ময়ুখকে। তাঁর কথায়, ‘আসলে চিত্রনাট্যকার হিসেবে একজনের তখনই ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত হয়, যখন তার কাজ মুক্তি পায়। ফলে, কোনও কাজের মুক্তি আটকে থাকলে, ভবিষ্যতে যে কাজগুলো পাওয়ার কথা, সেগুলোও আটকে যেতে পারে। তবে আমি মনে হতাশা জমতে দিইনি।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

‘ব্রাউন’ রিলিজের পর, তাঁর কাজ প্রশংসিত হচ্ছে। আর সেটা বিশেষ করে কলকাতা শহরটাকে কেবল দুর্গাপুজো, ট্রাম আর হাওড়া ব্রিজে আটকে না রেখে শহরের ‘মেট্রোপলিটন’ দিকটা তুলে ধরার জন্য। যদিও লেক মার্কেট থেকে হাতে-টানা রিকশায় উঠে নিউটাউনে নামার মতো দৃশ্য, যারা এই শহরটাকে ভালো করে চেনে তাদের চোখে লাগারই কথা, তবে ময়ূখের বক্তব্য অনুযায়ী সিনেমা-সিরিজ সবসময় বাস্তব ভৌগোলিক রেখা মেনে চলে না।

Brown series writer Mayukh Ghosh speaks about making his first Bengali film
ময়ূখ ঘোষ

তিনি বলছেন, “আমার মূল উদ্দেশ্য ছিল, শহর হিসেবে কলকাতার কেমন স্বাদ সেটা দর্শকের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া। শহরটা পশ্চিমবঙ্গে হলেও, শুধু বাঙালিদের শহর নয়, এখানে আরও অনেক সম্প্রদায়ের বসবাস এবং তাদেরও এই শহরে অনেক অবদান আছে, এই দৃষ্টিকোণটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। এই শহরের খাবার, গানবাজনা, বিভিন্ন ভাষা – এই কালচারাল ফেনোমেনন ঘিরে এই ন্যারেটিভ তৈরি।”

বলিউডে এতদিন কাজ করার পরেও প্রথম ছবি বাংলায় করছেন, এটা তাঁর কাছে একটা বড় সিদ্ধান্ত। কাছের মানুষরা এই নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেও তিনি নিজের সিদ্ধান্তে অনড় থাকছেন। মনে করছেন, বাংলা ছবিতে নতুন কণ্ঠ আসাটা খুবই জরুরি। অনেকেই নতুন এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন, আর তিনিও সেটাই করতে চান।

Mayukh Ghosh discusses breaking conventional trends in the Bengali film industry
বাংলা ছবিতে আগ্রহী ময়ূখ

ময়ূখের মনে হয়, বাংলা ছবি এক ধরনের টেমপ্লেটে ফেঁসে গিয়েছে, যেখান থেকে বেরনো দরকার। কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের বাইরেও যে একটা বৃহত্তর বাংলা আছে সেটা নিয়ে কাজ খুব কম হচ্ছে। আর সেই সব মাথায় রেখেই তাঁর প্রথম বাংলা ছবির গল্প বুনেছেন ময়ুখ।

বাংলায় কোনও প্রোজেক্টের জন্য না হলেও, কলকাতায় আগে শুটিং করেছেন, এবং তাঁর মতে এখানকার কারিগরি দক্ষতা মুম্বইয়ের থেকে কোনও অংশে কম নয়। কাজের সরঞ্জামও যথেষ্ট আধুনিক। তবে কাজের কালচারের একটা তফাত আছে হয়তো। তাঁর কথায়, কলকাতার একটা সুবিধে আছে, সকলে নিজের মতো করে ছবিতে ‘ইনপুট’ দিতে চায়, যেটা অনেকসময় খুব সাহায্য করে।

Brown Series creator Mayukh Ghosh says Bengali cinema is trapped in a repetitive template
করিশ্মার ‘ব্রাউন’

ময়ূখের বাংলা ছবির শুটিং অবশ্য কলকাতায় নয়, হবে বীরভূমে। ক্রুও সেখানকার। ‘অন লোকেশন’ শুট করারও একটা আলাদা আমেজ বা টোন আছে। এবং এর ফলে একটা সাংস্কৃতিক স্বাদ সহজেই নিয়ে আসা যাবে বলে মনে করছেন তিনি। এছাড়া কাস্টিংও তিনি বাংলা ইন্ডাস্ট্রি থেকেই করতে চান। কিছু নতুন মুখকেও আনতে চান বড় পর্দায়। এই গোটা অভিজ্ঞতাটাই তাঁর কাছে নতুন, আর সেই নিয়ে তিনি উত্তেজিত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.