Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Arindam Sil

অরিন্দম শীলের ‘অনিচ্ছাকৃত’ শ্লীলতাহানি! ঠিক কী হয়েছিল? মুখ খুললেন অভিনেত্রী

শ্লীলতাহানির অভিযোগে আরও বিপাকে টলিউড পরিচালক অরিন্দম শীল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪, ১৯:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪, ১৯:৩১

options
link
অরিন্দম শীলের ‘অনিচ্ছাকৃত’ শ্লীলতাহানি! ঠিক কী হয়েছিল? মুখ খুললেন অভিনেত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্লীলতাহানির অভিযোগে আরও বিপাকে টলিউড পরিচালক অরিন্দম শীল (Arindam Sil)। এবার পরিচালকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হল। যে অভিনেত্রীর অভিযোগের জেরে অরিন্দম শীলকে ডিরেক্টর্স গিল্ড থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তিনিই সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পরিচালকের বিরুদ্ধে ৩৫৪ ও ৫০৪ ধারায় একটি মামলা রুজু হয়েছে বলে খবর।

তা ঠিক কী ঘটেছিল অভিনেত্রীর সঙ্গে? অবশেষে মুখ খুললেন তিনি। সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালকে অভিনেত্রী জানালেন, ”একটা অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং ছিল। প্রথম থেকেই বলা ছিল, এই দৃশ্যে কোনও চুম্বন থাকবে না। দৃশ্যটা বোঝানোর জন্য উনি (পরিচালক) আমাকে কোলে বসতে বাধ্য করেন এবং গালে একটা চুমু খান। এটাই পুরো বিষয়টা। আমি প্রচণ্ড অস্বস্তিবোধ করি। তারপর পুরো ঘটনাটি জানিয়ে, সঙ্গে সঙ্গে প্রোডাকশন হাউজে লিখিত অভিযোগ করি। পশের গাইডলাইন অনুযায়ী সবার আগে এমপ্লয়ারকে জানানোটাই নিয়ম বলে জানতে পারি। তাই আমি সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদেরকে জানাই। পশের ক্ষেত্রে এই লিখিত অভিযোগকেই অফিসিয়াল অভিযোগ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে জানতে পারি। তাই সেটা করি। আমার যেদিন শুটিংয়ের শেষদিন ছিল, সেদিনকে মহিলা কমিশনে অভিযোগ জমা দিই। কারণ আমার মনে হয়েছিল এর আগে অভিযোগ করলে, শুটিংয়ে সমস্যা হতে পারে আর ভেবেছিলাম এমপ্লয়ার পশ অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেবে।

Advertisement

অনেকেই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনছেন, কেন প্রথম দিনই গোটা ঘটনার প্রতিবাদ তিনি করেননি। এর উত্তরে স্পষ্ট তিনি জানান – একথা সম্পূর্ণ ভুল। ঘটনার পরের মুহূর্তেই আইন মেনে এমপ্লয়ারকে অফিসিয়াল জানাই। ফ্লোরে উপস্থিত একজিকিউটিভ প্রযোজককেও জানাই। সেই অভিযোগ ঠিক সময়ে মহিলা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। দরকার পরলে পুলিশকেও দেব।

, ”আমার এতটাই তখন আনকমফোর্টেবল লেগেছিল, বলার নয়। অতজন টেকনিশিয়ান, ছবির টিমের সামনে খুব অপমানিত লাগছিল। পরে কিন্তু আমি পরিচালককে স্পষ্ট জানিয়ে ছিলাম, আমার অস্বস্তির কথা । আমাদের তো আরও অনেক অন্তরঙ্গ দৃশ্য রয়েছে! এটা শুনে উনি আমাকে বলেন, এমা কেন তোর ভালো লাগেনি? এই কথাটা অসহ্য লেগেছিল। বুঝতে পারি, ওঁর সঙ্গে কথা বলার কোনও দরকার নেই। তারপর আমি মেকআপ রুমে যাই। মেকআপ তুলি। নিজেকে একটু বুঝিয়ে নিই। আর প্রোডাকশন হাইজে লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ করি। প্রথমেই আইনের পথে যায়নি, তার কারণ আমার মনে হয়েছিল এক্ষেত্রে শুটিং বন্ধ হয়ে যেতে পারে। একজন অভিনেত্রী হিসেবে আমার যা দায়িত্ব রয়েছে সেটা মনে করেই প্রথমেই আইনের পথে যায়নি।”

অভিনেত্রী আরও বলেন, ”তবে এখানে একটা কথা বলতে চাই। পুরো ঘটনায় আমি খুব ট্রমাটাইজড। ফ্লোরের মধ্যে এমন একটা ঘটনা ঘটতে পারে, তা ভাবা যায় না। তার থেকেও বড় ব্যাপার যখন সবাইকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, তখন কেউ কেউ সত্যিটা বলতে ভয় পাচ্ছেন। পরে যখন তাঁদের সঙ্গে কথোপকথনের কল রেকর্ডিং শোনানো হচ্ছে, তখন তাঁরা যা দেখেছেন স্বীকার করেছেন। এটা আমাকে খুব হতবাক করেছে। ভাগ্যিশ, আমি ঘটনার দিনই প্রোডাকশন হাইজে অভিযোগ করি। আর বাকি অনেক প্রমাণ সঙ্গে রেখেছি। না হলে হয়তো প্রমাণ করতেই পারতাম না ওনার এই যৌনহেনস্তা।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.