Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
AR Rahman

‘আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলাম’, জীবনের ‘অন্ধকার অধ্যায়ের’ কথা শোনালেন রহমান

ঘিরে ধরে অবসাদ! নিজেকে শেষ করার কথাও ভেবেছিলেন 'মায়োস্ত্রো'।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৪, ১২:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৯, ২০২৪, ১২:৩৫

options
link
‘আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলাম’, জীবনের ‘অন্ধকার অধ্যায়ের’ কথা শোনালেন রহমান zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নভেম্বর মাসের ১৯ তারিখেই স্ত্রী সায়রাবানুর সঙ্গে ডিভোর্সের ঘোষণা করেছেন এ আর রহমান (AR Rahman)। মিউজিক মায়েস্ত্রোর প্রায় তিন দশকের দাম্পত্য ভেঙেছে। তার পর থেকেই নিত্যদিন সংবাদের শিরোনামে তিনি। এমন কঠিন সময়েই গোয়াতে আয়োজিত ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন ‘মোজার্ট অফ মাদ্রাস’। সেখানেই মানসিক স্বাস্থ্যের কথা তুলে ধরলেন রহমান।

সঙ্গীত মানুষের জীবনে কতটা প্রভাব ফেলে, সেই বিষয়েই কথা বলছিলেন এ আর রহমান। তিনি জানান, “যে সমস্ত মানুষদের অবসাদ ঘিরে ধরেছে, সঙ্গীত তাঁদের সেরে ওঠার ওষুধ হিসেবে কাজ করে। IFFI-র মঞ্চে দাঁড়িয়ে রহমানের মন্তব্য, কমবেশি আমাদের প্রায় সকলেরই মানসিক স্বাস্থ্যের সমস্যা রয়েছে। অবসাদ রয়েছে। তার কারণ, আমার মনে হয়, আমাদের মধ্যে একটা শূন্যতা রয়েছে। আর সেই শূন্যস্থান পূরণ করতে পারেন কোনও গল্পকথক কিংবা এমন কোনও কাজ যা মানুষকে আনন্দ দেয়, যেটা করতে গিয়ে সে নিজেই জানেন না যে অজান্তে সেটা ওষুধের মতো কাজ করছে। হিংসা বা যৌনতার মতো শারীরিক প্রয়োজনীয়তা মেটানোই সব নয়। জীবনের পরিধি এর থেকেও বাইরে।” এরপরই নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা শোনা যায় রহমানের মুখে।

Advertisement

এ আর রহমান বলেন, “ছোটবেলায় আমারও আত্মহত্যা করার কথা মনে হয়েছিল। সুইসাইডাল ভাবনাচিন্তা আসত মনে। তবে আমার মা একটা দারুণ উপদেশ দিয়েছিলেন। উনি বলতেন- ‘তুমি অন্যের জন্য বাঁচলে কখনও স্বার্থপর হবে না। বেঁচে থাকার অন্য অর্থ খুঁজে পাবে।’ সেই কথাগুলো জীবনে মনে রেখে দিয়েছি।” শিল্পীর কথায় আধ্যাত্মিকতার ছোঁয়াও পাওয়া যায়। মিউজিক মায়েস্ত্রো বলেন, “এটা নিশ্চিত যে আমাদের সকলেরই একটা অন্ধকার অধ্যায় রয়েছে। এই বিশাল পৃথিবীতে এটা ছোট্ট সফর মাত্র। আমরা জন্মেছি এবং আমরা চলেও যাব। আমরা কেউই এখানকার চিরস্থায়ী বাসিন্দা নই। আমরা কোথায় যাচ্ছি, কেউ জানি না। এটি প্রতিটি মানুষের নিজস্ব কল্পনাজগত এবং বিশ্বাসের উপর নির্ভর করে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.