Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Abhijeet Bhattacharya AR Rahman

পদ্মসম্মান প্রাপ্ত শিল্পীদেরও অসম্মান! ‘৩ ঘণ্টা বসিয়েও বেপাত্তা’, রহমানের ‘ঔদ্ধত্য’ নিয়ে বিস্ফোরক অভিজিৎ

আচমকাই অভিজিৎ-কণ্ঠে রহমানের বিরুদ্ধে চড়া সুর কেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৫, ১২:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৫, ১২:৩৬

options
link
পদ্মসম্মান প্রাপ্ত শিল্পীদেরও অসম্মান! ‘৩ ঘণ্টা বসিয়েও বেপাত্তা’, রহমানের ‘ঔদ্ধত্য’ নিয়ে বিস্ফোরক অভিজিৎ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিতর্ক এবং অভিজিৎ ভট্টাচার্য, যেন একে-অপরের সমার্থক! বেফাঁস মন্তব্যের জন্য প্রায়শই বিতর্কে জড়ান প্রবীণ গায়ক। শাহরুখ, সলমনকেও রেয়াত করে কথা বলেন না তিনি। এবার অভিজিৎ ভট্টাচার্যের নিশানায় এআর রহমান! যিনি ‘মোজার্ট অফ মাদ্রাজ’। বিশ্বজুড়ে অগণিত ভক্তদের কাছে জীবন্ত কিংবদন্তী। অস্কারজয়ী সঙ্গীতশিল্পী। আর সেই রহমানের বিরুদ্ধেই এবার বিস্ফোরক অভিযোগ অভিজিতের। গায়কের মন্তব্য, “পদ্মসম্মানে ভূষিত শিল্পীদেরও সম্মান দেন না রহমান।”

অভিজিতের অভিযোগ, “দেশের সম্মানীয় সব সুরকার, গায়ক এবং গীতিকারদের নিজস্ব স্টুডিওতে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে বাধ্য করতেন রহমান এবং প্রায়শই তাঁদের সঙ্গে দেখাও করতেন না। দেশের তাবড় শিল্পীদের প্রতি রহমানের এহেন শ্রদ্ধার অভাব দেখে হতবাক হয়েছিলাম আমি।” আচমকাই কেন রহমানের বিরুদ্ধে চড়া সুর অভিজিৎ কণ্ঠে? স্মৃতির সরণি বেয়ে গায়ক আসলে পৌঁছে গিয়েছিলেন ১৯৯৯ সালে। ঠিক যে বছর ‘দিল হি দিল মে’ ছবির জন্য ‘অ্যায় নাজনিন সুনো না’ গানটি রেকর্ড করেছিলেন অভিজিৎ ভট্টাচার্য। পুরো অ্যালবামটির সুর করেছিলেন রহমান। সম্প্রতি এএনআই-এর এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা ফাঁস করেন মুম্বই নিবাসী বাঙালি গায়ক। কী ঘটেছিল? অভিজিৎ জানিয়েছেন, রেকর্ডিংয়ের দিন তিনি যে ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন, তাতে হতবাক হতে হয় তাঁকে। স্টুডিওর নিচের ঘরে বিখ্যাত সব শিল্পীদের তিন ঘণ্টা ধরে একটা বেঞ্চে বসিয়ে রেখেছিলেন এআর রহমান। অপেক্ষারত সেই শিল্পীদের তালিকায় সেদিন পদ্মভূষণ এবং পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্তরাও ছিলেন।

Advertisement

Musician AR Rahman admitted to hospital in Chennai

অভিজিৎ ভট্টাচার্যর মন্তব্য, “রহমান সাহেবের মনে কী যে চলে… আমি তো এরকম ঘটনার সাক্ষীও থেকেছি যেখানে ওঁর স্টুডিওতে পদ্মভূষণ, পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত শিল্পীদেরও নিচের বেঞ্চে বসে থাকতে হয়েছে। তাঁদের মধ্যে আমাদের বহু সহকর্মী, দক্ষিণী লেখক-পরিচালক অনেকেই রয়েছেন। দু’ ঘণ্টা, তিন ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও রহমান নিচে নামেননি। এদিকে এঁরা সকলে একে অপরের সঙ্গে গল্পে মশগুল। আমি তো ঘড়ি দেখছি বারবার। দেরি হয়ে যাচ্ছে। তবুও সেদিন রহমান নিচে নামলেন না। ওঁর অ্যাসিস্ট্যান্টের তত্ত্বাবধানে আমি তো গান রেকর্ড করে বেরিয়ে গিয়েছিলাম। এটা সেদিনকার ঘটনা, যেদিন আমি ‘অ্যায় নাজনিন সুনো না’ গানটি রেকর্ড করি। ভাবতে পারছেন, পদ্মশ্রী এবং পদ্মভূষণপ্রাপ্ত শিল্পীদের সম্মানটা কোথায়!”

উল্লেখ্য, পদ্মশ্রী এবং পদ্মভূষণ হল ভারতের চতুর্থ এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা, যা ভারত সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রদান করে। রহমান নিজেও ২০১০ সালে পদ্মভূষণ পান। এবার তাঁর বিরুদ্ধেই সম্মানীয় শিল্পীদের অসম্মান করার বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন অভিজিৎ ভট্টাচার্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.