১৭ এপ্রিল মুক্তি পেয়েছে অক্ষয় কুমার অভনীত হরর কমেডি মুভি ‘ভূত বাংলা’। মুক্তির প্রথম দিনেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া বক্স অফিসে। তবে অক্ষয়ের ফিল্মি কেরিয়ারের খরা কাটাতে ‘ভূত বাংলা’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে তা বললে অত্যুক্তি হবে না। নতুন ছবি মুক্তির পরই অতীতের এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন আক্কি। স্টান্ট করতে গিয়ে প্রাণনাশও হতে পারত অক্ষয়ের (Akshay Kumar)! সম্প্রতি এক ইউটিউব চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে ‘সৈনিক’ ছবির স্টান্ট দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে কী ঘটেছিল সেই স্মৃতি রোমন্থন করেছেন।
স্টান্টের জন্য অক্ষয় কখনও বডি ডাবলের সাহায্য নেন না। নিজেই নিজের স্টান্ট করার জন্য পরিচিত বলিউডের খিলাড়ি। স্টান্টের পিছনে লুকিয়ে থাকে মৃত্যুর হাতছানি। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই ক্যামেরার সামনে একাধিকবার শট দিয়েছেন অক্ষয়। খোলামেলা আলাপচারিতায় অক্ষয় জানান, আগে স্টান্ট করার সময় তেমন কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকত না। আজকের মতো তখন ভিএফএক্স বা আধুনিক প্রযুক্তির এতটা বারবাড়ন্ত ছিল না। অনেক দৃশ্যই বাস্তবে করতে হত যা ছিল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
আরও পড়ুন:

অক্ষয় বলেন, “সৈনিকের শুটিং চলাকালীন এক বিল্ডিং থেকে অন্য বিল্ডিংয়ে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। সেই সময় মনে হচ্ছিল আমি বোধহয় পড়ে যাব। তখন তো প্রযুক্তি এত উন্নত হয়নি। ভিএফএক্সের কোনও সুযোগ সুবিধা ছিল না, সব নিজেকেই করতে হত।”
‘সৈনিক’ ছবির একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, দুটি বিল্ডিংয়ের মাঝখানে স্টান্ট করার সময় প্রাণঘাতী পর্যন্ত হতে পারত। শুটিংয়ের মাঝে এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন যে শটটা নিরাপদে শেষ করতে পারবেন কিনা সেটা নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন অক্ষয়।
তাঁর কথায়, “সৈনিকের শুটিং চলাকালীন এক বিল্ডিং থেকে অন্য বিল্ডিংয়ে যাওয়ার সময় প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। সেই সময় মনে হচ্ছিল আমি বোধহয় পড়ে যাব। তখন তো প্রযুক্তি এত উন্নত হয়নি। ভিএফএক্সের কোনও সুযোগ সুবিধা ছিল না, সব নিজেকেই করতে হত। ‘ইন্টারন্যাশনাল খিলাড়ি’ ছবিতে একটা নৌকার দৃশ্যে শট দেওয়ার সময় আমার শরীরের অর্ধেকটা কেটে যেতে পারত। সামনে একটা ক্রুজ আসছিল আর মাঝখান দিয়ে আমার নৌকাটির যাওয়ার কথা। আমি শরীর ছিন্নভিন্ন হতে যেতে পারত কিন্তু সেই যাত্রায় ভগবানের আশীর্বাদে বেঁচে গিয়েছি।”

আরও জানান, খিলাড়ি ৭৮৬তে যখন আমি লাফ দিচ্ছিলাম তখন একটা হট এয়ার বেলুনে ঝাঁপ দিতে হয়েছিল। কেরিয়ারে এমন অনেক মুহূর্ত এসেছে যেখানে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত কিন্তু বরাতজোরে প্রাণে বেঁচেছেন। এইসব বিপজ্জনক অভিজ্ঞতার পরও অক্ষয়ের পরিবার নিশ্চিন্তেই থাকত। অভিনেতার সংযোজন, “আমার স্ত্রী টুইঙ্কল এই ঝুঁকিপূর্ণ পেশার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছেন। ওঁর বিশ্বাস আমি সুস্থ শরীরেই বাড়ি ফিরে আসব।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
কলকাতাকে ছুঁয়ে ফেলল নিম্নচাপ! অতি বৃষ্টির লাল সতর্কতা দক্ষিণবঙ্গে, কতদিন চলবে বৃষ্টি?
-
‘একটি দল গোটা দেশের সিস্টেম বদলাতে পারে না’, খামতি স্বীকার করেই বার্তা রামদেবের
-
‘বাথরুমের জানলা ভেঙেছিলাম, তারপর…’ জতুগৃহ তারাপীঠের হোটেলে আটকে হাড়হিম অভিজ্ঞতা পর্যটকের
-
‘জন গণ মন’র পরিবর্তে জাতীয় সঙ্গীত হোক ‘বন্দে মাতরম’, ‘শক্তিমান’ মুকেশের দাবিতে বিতর্কের ঝড়
-
সামনে জামশেদপুর এফসি, মিগুয়েলকে ছাড়াই আজ ডুরান্ড কোয়ার্টারে নামছে মোহনবাগান