অক্ষয় কুমার, বলিউডের অন্যতম ফিট অভিনেতা। নিয়মিত শরীর চর্চা করেন। থাকেন কড়া ডায়েটে। তাই বয়স ষাট ছুঁইছুঁই হলেও বর্তমান প্রজন্মদের অভিনেতাদের অ্যাকশন সিকোয়েন্সে দশ গোল দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন খিলাড়ি। কিন্তু এহেন শরীর সচেতন অভিনেতাও কিনা বৈষ্ণোদেবী তীর্থে গিয়ে আচমকা অসুস্থ পড়েন! শুধু তাই নয়, সেযাত্রায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান অক্ষয়। ঠিক কী ঘটেছিল? ‘ভূত বাংলা’র প্রচারে সেই বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতার কথাই ভাগ করে নিলেন অভিনেতা।
“আচমকাই আমার শরীর খারাপ হয়ে যায়। প্রচণ্ড জ্বর আসে। প্রথমে ১০৩, তারপর সেটা বেড়ে ১০৪-এ দাঁড়ায়। গা পুডে় যাচ্ছিল জ্বরে! একটা সময়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। কাটরার এক চিকিৎসক আমাকে তড়িঘড়ি দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন।…”
আরও পড়ুন:
১৪ বছর বাদে প্রিয়দর্শনের সঙ্গে জুটি বেঁধে নতুন হরর-কমেডি ঘরানার সিনেমা উপহার দিতে চলেছেন অক্ষয় কুমার। সেই প্রেক্ষিতেই বর্তমানে ‘ভূত বাংলা’র জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন তিনি। ছবির প্রচারানুষ্ঠানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনের মাঝে বৈষ্ণোদেবী তীর্থের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন খিলাড়ি। যে কথা বলতে গিয়ে অভিনেতা খানিক আবেগপ্রবণও হয়ে পড়েন বটে। কারণ অক্ষয় কুমার বরাবরই ঈশ্বরে বিশ্বাসী। সময়-সুযোগ পেলেই মন্দির থেকে দরগায় ঢুঁ মারেন। আবার কখনও বা জনসেবার জন্য অকাতরে বিলিয়ে দেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এবার এক অলৌকিক ঘটনার কথা ভাগ করে নিলেন।

অক্ষয় কুমার জানান, বৈষ্ণোদেবীর কাছে মানত করেই তাঁর মা-বাবা সন্তানলাভ করেছিলেন। খিলাড়ি কথায়, “সন্তানলাভের আশায় আমার মা-বাবা বৈষ্ণোদেবীতে গিয়ে পুজো দিয়েছিলেন। ঈশ্বরের কাছে তাঁরা প্রার্থনা করেছিলেন, আমাদের একটি সন্তান দিন, তবে সে যেন খানিক দুরন্ত প্রকৃতির হয়। তার ঠিক একবছর পরেই আমার জন্ম হল। তাই আমার মা-বাবা আবারও আমাকে নিয়ে বৈষ্ণোদেবী তীর্থে যাওয়ার মনস্থ করেন। তবে সেই আধ্যাত্মিক সফরে এক চরম অভিজ্ঞতা হয় আমার।” কীরকম? খিলাড়ির সংযোজন, “আচমকাই আমার শরীর খারাপ হয়ে যায়। প্রচণ্ড জ্বর আসে। প্রথমে ১০৩, তারপর সেটা বেড়ে ১০৪-এ দাঁড়ায়। গা পুডে় যাচ্ছিল জ্বরে! একটা সময়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সেসময়ে কাটরায় কর্তব্যরত এক চিকিৎসক আমাকে তড়িঘড়ি দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন। কারণ তখনও সেখানকার চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নত ছিল না।” অক্ষয় জানান এই ঘটনা ১৯৬৯ সালের। সেসময়ে তিনি খুদে। কয়েক দশক বাদে এবার ‘ভূত বাংলা’র প্রচারে এসে তীর্থকালীন সেই ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথাই ভাগ করে নেন অক্ষয় কুমার।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জেন জি বিক্ষোভে রণক্ষেত্র রাঁচি! পুলিশের জলকামানের মুখে আরও শক্তিশালী আন্দোলনকারীরা
-
‘স্বাধীন বালোচিস্তান’, ১১ আগস্টের উৎসবে নিষেধাজ্ঞা পাকিস্তানের, কারফিউ জারি, বন্ধ ইন্টারনেট
-
বন্যায় ভেসেছে ঘর, ত্রাণশিবিরে আশ্রয়, সেই অসম থেকেই জাতীয় ক্যারাটেতে সোনা জনমণির
-
সবচেয়ে ভয়ংকর! সর্বগ্রাসী দাবানলের শিকার কানাডা, জারি জরুরি অবস্থা
-
মারাত্মক গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত এ আর রহমানের ছেলে, কেমন আছেন আমিন?