সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাইবার ক্রাইমের ফাঁদে পড়া বর্তমানে নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওয়েব মাফিয়ারা ওঁৎ পেতে বসে রয়েছেন সর্বত্র। সেই ফাঁদে পা দিলেই সর্বস্ব খোয়াতে পারেন যে কেউ! এটা যে ভার্চুয়াল যুগের অন্যতম একটা বড় সমস্যা, তা বলাই বাহুল্য। আমজনতা তো বটেই, তারকারাও সাইবার ক্রাইমের হাত থেকে রেহাই পাননি। এবার হ্যাকারদের কবলে রুক্মিণী মৈত্র (Rukmini Maitra)।
অভিনেত্রী ইনস্টাগ্রামে নিজেই জানালেন সেই খবর। বন্ধু-বান্ধব, অনুরাগীদের সতর্কও করে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে রুক্মিণী লিখেছেন, “সবাইকে জানাচ্ছি যে আমার ফেসবুক প্রোফাইল হ্যাক করা হয়েছে। এবং সেই প্রোফাইল থেকে নানারকম মেসেজ যাচ্ছে। ওই মেসেজের কোনও উত্তর দেবেন না। সকাল থেকেই আমাকে অনেকে বিষয়টি জানিয়েছেন। আমার সোশ্যাল মিডিয়া টিম পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখছে। খুব শীঘ্রই আবার ফিরব।” এই অবশ্য প্রথম নয়, গতবছর মে মাসেও সাইবার ক্রাইমের শিকার হয়েছেন রুক্মিণী মৈত্র।
[আরও পড়ুন: ‘টাকা দিলেই অক্ষয়ের নায়িকা’, খিলাড়ির নাম ভাঙিয়ে কাস্টিংয়ের ফাঁদ! পুলিশের জালে ১]

রুক্মিণী মৈত্রর ফেসবুকে প্রায় ১.৩ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছেন। অভিনেত্রী তাঁর ফেসবুক মূলত অনুরাগীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও ব্র্যান্ড কোলাবরেশনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেন। নানা জায়গার ঘোরার ছবিও পোস্ট করেন ফেসবুকে। আজকাল প্রায় প্রতি পদক্ষেপেই পাতা রয়েছে সাইবার ফাঁদ! সচেতন না হলেই সেই ফাঁদের গেরোয় আটকে যাওয়ার ঘোর সম্ভাবনা। কখন, কীভাবে নিজেদের অজান্তেই শিকার হয়ে যাবেন, তা হয়তো বুঝতেই পারবেন না। বা বুঝে হয়ে ওঠার আগেই অনেকটা ক্ষতি হতে পারে আপনার। নেটদুনিয়ার এই অন্ধকার দিক অর্থাৎ সাইবার ক্রাইম বিষয়টি নিয়ে রুক্মিণী মৈত্র নিজেও ‘পাসওয়ার্ড’ ছবিতে অভিনয় করেছেন।
[আরও পড়ুন: ১০ বছরের তিক্ততা মিটল! ইদে সলমনের বাড়িতে ‘রাম’ রণবীর, ‘ব্লকবাস্টার’ খবরের অপেক্ষায় ভক্তরা]
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার