সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক পোস্ট, তা নিয়েই যত কাণ্ড। ‘শিরায় শিরায় রক্ত মাথায় কিন্তু গত্ত!’, এমন কথাই ফেসবুকে লেখেন ঋত্বিক চক্রবর্তী। তাতেই তুলকালাম কাণ্ড। দেব-ভক্তদের রোষানলে ‘সন্তান’ ছবির অভিনেতা। সত্যিই কি ‘দেবের নিন্দা’ করেছেন ঋত্বিক? দিলেন জবাব।

নিজের পোস্ট নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে ঋত্বিক জানিয়েছেন, তাঁর পোস্টে অনেকেই ‘খাদান’, ‘দেবের নিন্দা’ ও তাঁর ঈর্ষা দেখতে পেয়েছেন। অভিনেতার দাবি, এর খানিকটা কাল্পনিক। কারণ তাঁর পোস্ট ভালো করে পড়লে দেখা যাবে, ভালো করে না জেনে সিনেমার ব্যবসা নিয়ে মন্তব্য করা নেটিজেন ও ট্রোলারদের ব্যঙ্গ করেই পোস্টটি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ২০ তারিখে মুক্তি পাওয়া চারটি ছবি দেখার কথাও বলা হয়েছে।
যে পোস্ট ঘিরে এত শোরগোল তাতে লেখা, ‘চা দোকানের লোকটাকে এখুনি বলতে শুনলাম- ‘সোশ্যাল ডিলেমায় দেখিয়েছিল কিছু ছিঁচকে কিস্যু না বুঝে সিনেমা বাণিজ্য কমার্স নিয়ে নিজদের গ্যাদগ্যাদে জ্ঞান বিলিয়ে দেবে অকাতরে আর কত সহজেই প্রমাণ করবে শিরায় শিরায় রক্ত মাথায় কিন্তু গত্ত!’ আমিও ট্রেন্ড অনুযায়ী না বুঝেই শেয়ার করলাম কথাটা। এদিকে চারটে ভিন্ন স্বাদের জমজমাট বাংলা ছবি চলছে। আপনার পছন্দ মতো হলে গিয়ে দেখুন।’ তবে শেষের বাক্যটি এডিট করে পরে লিখেছেন ঋত্বিক। এমনই দাবি সোশাল মিডিয়ায়।

এডিট করার অভিনেতা অস্বীকার করেননি। তাঁর মতে, এক ধরনের ‘জঙ্গি দর্শক’ চাইছে সারাক্ষণ এ বনাম ওর যুদ্ধ চলতে থাকুক। অন্যের ছবি ধ্বংস হোক। এতেই তাঁর আপত্তি। রবিবার বিকেলে আবার অভিনেতা লেখেন, ‘ভ্যানভ্যানে মাছি সুরেলা গাধা আর ফুটো কড়ির ট্রোলারদের সরগম কে উপেক্ষা করতে ফেসবুক তার উপভোক্তা দের দিচ্ছে ব্লক করার অপার স্বাধীনতা! ওপরের কথাটা একটা ফাঁদ! এবার কমেন্ট বক্সে ভ্যানভ্যানে সুরেলা আর ফুটো কড়ির সরগম শুরু হবে।’

সর্বশেষ খবর
-
৩ বছর একই অফিসে কর্মরত পঞ্চায়েত কর্মীদের বদলির নির্দেশ, ১১,১৫৪টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে
-
ভুল নিয়মে পরলেই ঘোর অমঙ্গল, শুক্রের কৃপা পেতে কীভাবে হিরে ধারণ করবেন?