Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Rishav Basu on Suvendu Adhikari

শুভেন্দু অধিকারীই আসল ‘ধুরন্ধর’, ওঁকে নিয়ে সিনেমা বানাতে চাই: ঋষভ বসু

বাংলায় বিজেপি সরকার আসতেই টলিউড নিয়ে আশাবাদী ঋষভ বসু। কোন অঙ্কে শুভেন্দুকে 'ধুরন্ধর' বললেন অভিনেতা?

সন্দীপ্তা ভঞ্জ
সন্দীপ্তা ভঞ্জ

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৬, ১৮:৫৮

link
সন্দীপ্তা ভঞ্জ
সন্দীপ্তা ভঞ্জ

শেষ আপডেট: মে ১১, ২০২৬, ১৮:৫৮

options
link
শুভেন্দু অধিকারীই আসল ‘ধুরন্ধর’, ওঁকে নিয়ে সিনেমা বানাতে চাই: ঋষভ বসু zoom
কোন অঙ্কে শুভেন্দুকে 'ধুরন্ধর' বললেন ঋষভ বসু? গ্রাফিক্স ছবি
Advertisement

শ্যামাপ্রসাদের স্বপ্নপূরণ করে নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সদ্য বাংলার মসনদে বসেছেন মেদিনিপুরের ভূমিপুত্র। আর সোমে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নবান্নয় পা দিয়েই মন্ত্রিসভার সঙ্গে প্রথম বৈঠক করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ‘মেদিনি’ থেকে ভায়া জননেতা হয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হওয়া শুভেন্দুর এহেন রাজনৈতিক কেরিয়ার ঋষভ বসুর কাছে কোনও সিনেমার চিত্রনাট্যের থেকে কম নয়। আর সেই প্রেক্ষিতেই অভিনেতার কাছে শুভেন্দুর সমার্থক যেন ‘ধুরন্ধর’। কোন অঙ্কে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে ‘ধুরন্ধর’ বলে সম্বোধন করলেন ঋষভ (Rishav Basu)?

“শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক কেরিয়ারকে সিনেমার ভাষায় ব্যাখ্যা করতে হলে বলব, ‘লাইফ ইজ স্ট্রেঞ্জার দ্যন ফিকশন’।…” 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল-এর তরফে যোগাযোগ করা হলে অভিনেতার মন্তব্য, শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক কেরিয়ারকে সিনেমার ভাষায় ব্যাখ্যা করতে হলে বলব, ‘লাইফ ইজ স্ট্রেঞ্জার দ্যন ফিকশন’। ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে আমরা দেখেছি, কীভাবে রণবীর সিংয়ের ‘আন্ডারডগ’ চরিত্রটি পাকিস্তানের গ্যাংস্টার দলে ঢুকে পড়ে এবং শেষমেশ সেখানকার ‘কিং’ হয়ে যায়। শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক সফরটাও আমার সেরকমই মনে হয়েছে। তৃণমূলের হাত ধরে পলিটিক্যাল কেরিয়ার শুরু করা এক নেতা কীভাবে বিজেপিতে গিয়ে নিজের জায়গা শক্ত করে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন, সেটা ভাববার। তাই আমার কাছে, শুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক সফর কোনও সিনেমার চিত্রনাট্যর থেকে কম কিছু নয়। তাহলে কি অভিনেতা পালাবদলের রাজনীতিতে দৃঢ় চিত্তে বিজেপিকে সমর্থন করছেন? কৌতূহল অস্বাভাবিক নয়।

Advertisement
Actor Rishav Basu calls West Bengal Chief Minister Suvendu Adhikari “Dhurandhar
শুভেন্দু অধিকারী। গ্রাফিক্স ছবি

“রাজনীতিক হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীকে কারও পছন্দ-অপছন্দ হতেই পারে। আমি সেই দ্বন্দ্বে যাচ্ছি না। শুধু এটা বলতে চাই যে, একজন তৃণমূল স্তরের নেতা থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠার ওঁর এই জার্নিটা আমাকে মুগ্ধ করেছে।…” 

এপ্রসঙ্গে ঋষভ বসুর সংযোজন, “আমার এই মন্তব্যে মধ্যে কোনও রাজনৈতিক অভিসন্ধি নেই। রাজনীতিক হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীকে কারও পছন্দ-অপছন্দ হতেই পারে। আমি সেই দ্বন্দ্বে যাচ্ছি না। শুধু এটা বলতে চাই যে, একজন তৃণমূল স্তরের নেতা থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠার ওঁর এই জার্নিটা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি যদি কোনওদিন প্রযোজক হই তাহলে নিশ্চয় এই বিষয়টা নিয়ে একটা সিনেমা করব।” টলিউডের ভবিষ্যৎ নিয়ে কতটা আশাবাদী? নতুন সরকারের কাছেই বা কী আর্জি রাখবেন? ঋষভ বললেন, আশাবাদী তো বটেই। এযাবৎকাল যাঁরা টলিউডে কাজ করেছেন তাঁরা রাজনৈতিক আস্ফালনে কোনও না কোনওভাবে প্রভাবিত হয়েছেন। যেমন আমাদের সিনেমা ‘অ্যাকাডেমি অফ ফাইনার্স’কে আটকে দেওয়া হয়েছিল।” শুধু তাই নয়, কথাপ্রসঙ্গে ঋষভ ফিরে গেলেন একবছর আগে।

Actor Rishav Basu optimistic about Bengali film industry under BJP government in West Bengal
ঋষভ বসু

“বাংলার ক্রীড়াদুনিয়া হোক কিংবা সিনেদুনিয়া, সেখান থেকে রাজনীতি দূরে থাকাই মঙ্গল। আরেকটা বিষয় উল্লেখ করতে চাই, ইন্ডাস্ট্রির যে সকল সদস্যরা এযাবৎকাল তৃণমূল করেছেন,…।” 

অভিনেতা জানালেন, “আর জি কর কাণ্ডের সময়ে আমি রাজনৈতিক রং-দলের উর্ধ্বে গিয়ে মিছিলে হেঁটেছিলাম, সেকারণেও গত এক বছরে আমার কাজ পেতে অসুবিধে হয়েছে। কাউকে যোগাযোগ করলে হয় সে ব্যস্ত বলেছে, কেউ বা আমল দেয়নি! তবে এই বিষয়ে আমার সেভাবে কোনও অভিযোগ নেই। কিন্তু আমি চাইব, বাংলার ক্রীড়াদুনিয়া হোক কিংবা সিনেদুনিয়া, সেখান থেকে রাজনীতি দূরে থাকাই মঙ্গল। আরেকটা বিষয় উল্লেখ করতে চাই, ইন্ডাস্ট্রির যে সকল সদস্যরা এযাবৎকাল তৃণমূল করেছেন, তাঁদেরকেও যদি এবার কাজ করতে না দেওয়া হয়, তাহলে সেটাও ভুল। যোগ্যতা অনুযায়ী সবাই যেন সমানভাবে কাজ পান, এটাই চাইব।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.