Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Jojo-Biswanath Basu

‘এককালের অনুরাগীই আজ বন্ধু’, জোজোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে খুনসুটি ভরা পোস্ট বিশ্বনাথের

জোজোর সঙ্গে অনুষ্ঠান করতে পেরে আপ্লুত বিশ্বনাথ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৯:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৯:৫০

options
link
‘এককালের অনুরাগীই আজ বন্ধু’, জোজোর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে খুনসুটি ভরা পোস্ট বিশ্বনাথের zoom
ছবি: ফেসবুক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একসময়ে ছিলেন অনুরাগী সেখান থেকে এখন তুমুল বন্ধুত্ব। তাঁরা আর কেউ নন, বাংলা বিনোদুনিয়ার দুই জনপ্রিয় তারকা। একজন হলেন অভিনেতা বিশ্বনাথ বসু ও অন্যজন স্বনামধন্য সঙ্গীতশিল্পী জোজো। বন্ধুত্বের গভীরতা তাঁদের অনেক। আর তাই খুনসুটিতেও মাততে ভোলেন না তাঁরা। রবিবাসরীয় সকালে অভিনেতার সোশাল মিডিয়ায় চোখ রাখতেই দেখা গেল তেমনই এক খুনসুটির ঝলক।

এদিন সকালে সোশাল মিডিয়ায় বিমানে বন্ধু জোজোর সঙ্গে যাত্রাকালীন ছবি পোস্ট করেন বিশ্বনাথ।সেখানেই দেখা যাচ্ছে জোজোর কাঁধে মাথা দিয়ে ঘুমোচ্ছেন বিশ্বনাথ। ক্যাপশনে খুনসুটির ছলে অভিনেতা লিখেছেন, সাতসকালের বিমানে জোজোর কাঁধ তাঁর জন্য আরামদায়ক বালিশ। তবে এই ছবি একেবারেই যে নিজস্বী তা ভালোভাবে বোঝা যাচ্ছে। যা তুলেছেন জোজো নিজে। ঠিক কোথা থেকে ফিরছেন তাঁরা? তাহলে কি তাঁদের নতুন কোনও কাজ উপহার হিসেবে পেতে চলেছেন দর্শক? ঠিক কোন চমক দেবেন তাঁরা তা জানতেই অভিনেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। ফোনের ওপার থেকে এই প্রশ্নের উত্তরে অভিনেতা বলেন,”আমরা দু’জনে একটি সংস্থার কার্নিভালে পারফর্ম করছি। আমাদের মোট ন’টি জায়গায় এই পারফরম্যান্সের কথা ছিল। তার মধ্যে এটি হল আট নম্বর। এখনও ন’নম্বর শোটি বাকি রয়েছে। আজকে যে ছবিটি পোস্ট করেছি তা শিলিগুড়িতে কার্নিভাল সেরে ফেরার পথে বিমানে তোলা। আসলে আমরা এতদিনের বন্ধু যে আমাদের ভীষণ সুন্দর একটা বোঝাপড়া। একে অপরের পরিবারের সঙ্গেও ভীষণ ঘনিষ্ঠ। আমাদের বহুদিনের এই বন্ধুত্ব।”

Advertisement

 

বিশ্বনাথ আরও বলেন, “জোজোর সঙ্গে একই শোয়ে আমি পারফর্ম করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। একটা সময়ে আমি জোজোর বিরাট অনুরাগী ছিলাম। একবার এমনও হয়েছে জোজোর শো দেখতে যাওয়ার কথা ছিল। বাবা যেতে দেননি। খুব কেঁদেছিলাম। পড়ে জোজোর সঙ্গে যখন বন্ধুত্ব গভীর হয়েছে ওকে এই কথা জানিয়েছি। ও শুনে খুব হেসেছে। আর এখন তো আমি ওর বাড়িতে যাই। ও আমার দেশের বাড়িতে গিয়ে মাঝেমাঝে ছুটি কাটিয়ে আসে। আমরা বাজার করি একসঙ্গে। রাস্তায় বেরোই। একজন ভালো বন্ধু উলটোদিকের বন্ধুটার সমস্ত জ্বালাতন যেভাবে সহ্য করে জোজোও তাই করে। আমাকে খুব সহ্য করে ও।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.