সিঙ্গাপুরের বুকে ইতিহাস তৈরি করল কলকাতার আইইএম-ইউইএম গ্রুপ (IEM-UEM)। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের ঐতিহ্যবাহী ‘শ ফাউন্ডেশন অ্যালুমনি হাউস’-এ সাফল্যের সঙ্গে শেষ হল তাদের ফ্ল্যাগশিপ ‘স্টাডি অ্যাব্রড প্রোগ্রাম’ (SAP) এবং আন্তর্জাতিক ইন্টার্নশিপ উদ্যোগ। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হল ‘স্মার্ট এজ অ্যান্ড নিউরোমরফিক সিস্টেমস কনফারেন্স’ (SENSE-SG 2026)। ইউইএম কলকাতার উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্যজিৎ চক্রবর্তী এবং একঝাঁক প্রতিভাবান অধ্যাপকদের নেতৃত্বে এই গোটা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সহযোগিতায় ছিল আমেরিকার ‘স্মার্ট সোসাইটি’।
বিশ্বের দরবারে বাংলার ছাত্রছাত্রীদের প্রতিভাকে তুলে ধরাই এই সফরের মূল লক্ষ্য। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), মেশিন লার্নিং, সাইবার নিরাপত্তা, ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) এবং এজ কম্পিউটিংয়ের মতো প্রথম সারির প্রযুক্তি নিয়ে দিনভর আলোচনা চলে এদিন। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর, নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি এবং ডেল টেকনোলজিসের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান এই আলোচনায় অংশ নেয়।
আরও পড়ুন:
ডিউক-এনইউএস মেডিক্যাল স্কুল এবং লিনাক্স অ্যানালিটিক্সের মতো বিশ্বখ্যাত গবেষণাগার ঘুরে দেখার সুযোগ পান ছাত্রছাত্রীরা। চিকিৎসাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ ও হেলথকেয়ার অ্যানালিটিক্স কীভাবে কাজ করে, তা হাতে-কলমে শেখে পড়ুয়ারা। শিক্ষা ও প্রযুক্তির মেলবন্ধনে এ যেন এক নয়া দিগন্ত। এমনকী ডিউক-এনইউএস মেডিক্যাল স্কুলের সঙ্গে যৌথ গবেষণার বিষয়েও প্রাথমিক কথাবার্তা শুরু হয় এদিন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে রোটারি ক্লাব ও লায়ন্স ক্লাবের সহযোগিতায় কৃতিদের বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হয়। উপাচার্য ড. সত্যজিৎ চক্রবর্তী জানান, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই কর্মসূচি পড়ুয়াদের আন্তর্জাতিক আঙিনায় কাজের সুযোগ করে দিচ্ছে। সিঙ্গাপুরের এই সাফল্য বিশ্বমঞ্চে আইইএম-ইউইএম গ্রুপের জয়যাত্রাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে দিল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ফাইল খোলার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর, ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই জিটিএ চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা অনীত থাপার
-
বঙ্গীয় ডিম্বাস্ত্র! ক্ষোভ ও ঘৃণাপ্রকাশের আঁশটে ভাষা
-
পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ইরানের পরের পদক্ষেপ কী? মার্কিন চুক্তির পরও উঠছে প্রশ্ন
-
বাবা ফ্রান্সের কিংবদন্তি, কেন আলজেরিয়াকে বেছে নিয়েছেন জিদানপুত্র লুকা?
-
ভরা আষাঢ়েও ঘর্মাক্ত বাংলা, হাঁসফাঁস গরমে নাজেহাল রাজ্য! ঝেঁপে বৃষ্টি নামবে কবে?