সংবাদ প্রতিবেদন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতার ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (IEM-UEM) ইনস্টিটিউটে শুরু হল প্রফেসর সত্যজিৎ চক্রবর্তী ন্যাশনাল ট্যালেন্ট সার্চ পরীক্ষা (SCNTSE-2025)।
পরীক্ষাটি দেশের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও কারিগরি প্রযুক্তিতে উৎসাহিত করার জন্য আয়োজন করা হয়েছে। ড. সত্যজিৎ চক্রবর্তী উচ্চ শিক্ষায় উৎসাহিত করার জন্য এই উদ্যোগ চালু করেছিলেন। ড. সত্যজিৎ চক্রবর্তী হলেন IEM-UEM গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের রূপকার। তাঁর অবদান পশ্চিমবঙ্গের কারিগরি শিক্ষাকে নতুন পথ দেখিয়েছে।

ড. সত্যজিৎ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার আগ্রহকে বাড়ানোর জন্য এই পদক্ষেপ। SCNTSE সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়েছে, যাতে শিক্ষার্থীরা উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনা করতে পারে এবং নিজের কৃতিত্বে দেশকে নেতৃত্ব দিতে পারে।”
এই পরীক্ষাটি তিনটি ধাপে হয়ে থাকে।
(১) মাল্টিপল-চয়েস কোয়েশ্চেন (MCQ) পরীক্ষা।
(২) প্রথম ধাপে সফল প্রার্থীরা এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। এই পরীক্ষায় বর্ণনামূলক(descriptive exam) প্রশ্নপত্র হয়ে থাকে।
(৩) তৃতীয় ধাপ পরীক্ষার চূড়ান্ত পর্যায়। এই পর্যায়ে ইন্টারভিউ ও বিজ্ঞান বিষয়ক প্রজেক্ট জমা দিতে হয়।
এই ট্যালেন্ট সার্চ পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের পদার্থবিদ্যা, রসায়ন এবং গণিত বিষয়ে কমপক্ষে ৭০% নম্বর থাকতে হবে। প্রথম ধাপের পরীক্ষা কলকাতার বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। পরীক্ষার মাধ্যমে সেরা শিক্ষার্থীকে ১০০০০০ টাকার স্কলারশিপ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে সকল অংশগ্রহণকারীকে সার্টিফিকেট দেওয়া হয়ে থাকে।
সর্বশেষ খবর
-
কলকাতায় ব্রাজিলের ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল, খতিয়ে দেখলেন মেগা ম্যাচের প্রস্তুতি, কী জানালেন ক্রীড়ামন্ত্রী?
-
বল নিয়ে কাড়াকাড়ি! শেষে কেটে অর্ধেক করে বাড়ি নিয়ে গেলেন দুই ইংরেজ পেসার, কেন?
-
ভারতীয় জওয়ানদের অসম্মান! স্বঘোষিত জেন জি মহিলা পর্যটককে তুলোধোনা অনুপমের
-
দ্বিতীয়বার ক্যানসার আক্রান্ত হয়েও লড়াই ছাড়েননি, সাংবাদিক হওয়ার স্বপ্ন নিয়েই মৃত্যু পায়েলের
-
‘ককরোচ’দের স্কুল কর্মসূচিতে উদ্বুদ্ধ এবিভিপি! বর্ধমানের উপাচার্যকে ‘চোর’ তকমা দিয়ে ঘেরাও