Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Sabang

মদ্যপ ছেলের তাণ্ডব! বাধা দিলে বৃদ্ধ বাবা-মাকে বাঁশ দিয়ে মার, ধারালো অস্ত্রের কোপ

পলাতক ছেলের খোঁজে তল্লাশি পুলিশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৫, ১৪:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৫, ১৪:২২

options
link
মদ্যপ ছেলের তাণ্ডব! বাধা দিলে বৃদ্ধ বাবা-মাকে বাঁশ দিয়ে মার, ধারালো অস্ত্রের কোপ zoom
প্রতীকী ছবি

অংশুপ্রতিম পাল, খড়্গপুর: মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে তাণ্ডব ছেলের! প্রতিবাদ করায় বেধড়ক মারধর, বাদ গেল না বাবা-মা। ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের দশকগ্রাম অঞ্চলের সতীশচন্দ্র বুথের হরিজনপল্লী এলাকার। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন বৃদ্ধ মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যরা। আহতদের সবং গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় ছেলের শাস্তির আবেদন জানিয়েছেন বাবা-মা।

আহতদের নাম সুশান্ত ঘোড়াই-লালী ঘোড়াই ও আত্মীয় বরুন সামার্ট। জানা গিয়েছে, সুশান্ত ঘোড়াই-এর ছেলে বিষ্ণুপদ ঘোড়াই পেশায় দিনমজুর। অভিযোগ, তিনি প্রতিদিন মত্ত অবস্থায় বাড়ি ফেরেন। গতকাল রবিবারও মদ খেয়ে বাড়ি ফেরেন বিষ্ণুপদ। পরিবারের সদস্যদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। প্রতিবাদ করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে বিষ্ণুপদ।

Advertisement

বৃদ্ধ বাবার উপর চড়াও হয়। অভিযোগ, বাঁশ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারতে থাকেন বাবাকে। বাধা দিতে গিয়ে আক্রান্ত হন মা লালী ও জামাই বরুণ। মারের চোটে বৃদ্ধ বাবার হাত ভেঙেছে। মাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়েছে। বৃদ্ধ দম্পতির চিৎকারে গ্রামবাসীরা ছুটে আসেন। বেগতিক বুঝে এলাকা থেকে পালিয়ে যান বিষ্ণুপদ। স্থানীয়রাই জখমদের উদ্ধার করে সবং গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁদের চিকিৎসা চলে। গুণধর ছেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।

অভিযুক্ত যুবকের মা লালী ঘোড়াই জানিয়েছেন, প্রতিদিন ছেলে মদ খেয়ে এসে বাড়িতে সমস্যা করে। রবিবারও রাতে বাড়ি ফিরে সকলকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। প্রতিবাদ করলে পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয়েছে। লালী দেবীর অভিযোগ, এলাকায় একাধিক চোলাই মদের ভাটি থাকার কারণে এসব ঘটনা ঘটছে। বারবার আবগারি দপ্তরকে জানানোর পরেও কোনও সুরাহা হয়নি। ঘটনায় আবগারি দপ্তরে ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.