দুর্গাপুর, কোচবিহারের পর এবার মুর্শিদাবাদ। দেওরের পাঠানো ৩ হাজার টাকা তুলতে গিয়ে বধূ দেখলেন অ্যাকাউন্টে প্রায় ৭৬০ কোটি টাকা! কী করবেন বুঝতে না পেরে সঙ্গে সঙ্গে থানার দ্বারস্থ হন বধূ। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, পরপর একই ঘটনার নেপথ্যে কোনও বড়সড় সফটওয়্যার গ্লিচ।
জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার বিলবোরাকোপরা অঞ্চলের কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা শরিফা খাতুন। গত শনিবার তাঁর অ্যাকাউন্টে চেন্নাই থেকে ৩,০০০ টাকা পাঠান দেওর। সেই টাকা তুলতে গিয়েই শরিফা খাতুন দেখেন, অ্যাকাউন্টে অবিশ্বাস্যভাবে কয়েকশো কোটি টাকা জমা হয়ে রয়েছে। ব্যালেন্সার জায়গায় জ্বলজ্বল করছে ৭,৫৯,৬৯,৫১,৯৫১ টাকা ১৬ পয়সা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যখন বিপুল অঙ্কের টাকা উদ্ধারের খবর নিয়ে শোরগোল চলছে, তখন নিজের সাধারণ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এত টাকা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই গৃহবধূ ও তাঁর পরিবার। কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে শরিফা খাতুন ও তাঁর পরিবার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি লালগোলা থানায় লিখিতভাবে জানান।
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন তাঁরা। আগামী সোমবার শরিফা খাতুনকে সমস্ত নথিপত্র-সহ ব্যাঙ্কে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ব্যাঙ্কিং বিশেষজ্ঞদের অনুমান, এটি কোনও বড়সড় কারিগরি ত্রুটি। অনেক সময় সিস্টেমের ভুলের কারণে ট্রানজেকশন আইডি বা অন্য কোনও কোড ব্যালেন্সের জায়গায় দেখায়। সোমবার ব্যাঙ্ক খোলার পর খতিয়ে দেখলে তবেই এই রহস্যের সমাধান হবে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে লালগোলা থানার পুলিশ। উল্লেখ্য, এর আগে কোচবিহারে এক ছাত্রীর অ্যাকাউন্টেও দেখা গিয়েছিল একই পরিমাণ ব্যালান্স। একইদিনে দুর্গাপুরের জটেশ্বর এলাকার এক গৃহবধূর অ্যাকাউন্টে ৭৪০ কোটি টাকার হদিশ পাওয়া গিয়েছিল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাটির বাড়ি চাপা পড়ে মৃত্যু দাদু-দিদার, প্রাণে বেঁচেও ‘অনাথ’ কিশোরের আর্তনাদ, ‘তখনও বেঁচে ছিল’
-
পরকীয়া নয়, বর্তমানে সম্পর্ক ভাঙার নেপথ্যে নতুন শত্রু! জানাচ্ছে সমীক্ষা
-
ট্রেন বা স্টেশন নোংরা করলে জরিমানা ১০০০ টাকা! আর কোন নিয়মভঙ্গে গুনতে হবে মোটা টাকা?
-
মিলে গেল বাইবেলের বর্ণনা, ২ হাজার বছর পরে মিলল যিশুর কবর!
-
ড্রোন তৈরিতে পড়ুয়াদের হাতেখড়ি, আইইএমের ‘অ্যাভিওনিক্স ২০২৬’ ঘিরে তুঙ্গে উন্মাদনা