Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee Rally

অভিষেকের সভায় ব়্যাম্প কেন? ‘ভূত’ হাঁটিয়ে কারণ ব্যাখ্যা করলেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’

ব়্যাম্পে ভূত হাঁটালেন তৃণমূলের 'সেনাপতি'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৬:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৬:৪৮

options
link
অভিষেকের সভায় ব়্যাম্প কেন? ‘ভূত’ হাঁটিয়ে কারণ ব্যাখ্যা করলেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ zoom
ছবি: অরিজিৎ সাহা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৪ সালে বিগ্রেডে লোকসভা ভোটের প্রার্থী ঘোষণার সভায় ব়্যাম্প তৈরি করেছিল তৃণমূল। সেই ব়্যাম্পে হেঁটেছিলেন প্রার্থীরা। সেই একই ধাঁচে শুক্রবার বারুইপুরে অভিষেকের সভাতেও (Abhishek Banerjee Baruipur Rally) ব়্যাম্প কেন তৈরি করা হল, তা নিয়ে কৌতূহল ছিল। সভায় বক্তৃতা করতে গিয়ে নিজেই কারণ জানালেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। শুধু কারণ জানালেনই নয়, দেখালেনও। ব়্যাম্পে ‘ভূত’ দেখালেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’! ‘ভূত’ অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশনের খাতায় যাঁরা মৃত! 

বক্তৃতার মাঝেই সভামঞ্চে তিন জনকে হাজির করিয়েছিলেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। তাঁদের দু’জন পুরুষ। এক জনের নাম মনিরুল মোল্লা। অন্যজনের নাম হরেকৃষ্ণ গিরি। তৃতীয় জন এক মহিলা। তাঁর নাম মায়া দাস বলে জানান অভিষেক। অভিষেকের অভিযোগ, এই তিন জনকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় মৃত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন! ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বলেন, “এই যে তিন জনকে দেখছেন, তাঁদের এই দু’জন (সভামঞ্চে হাজির হওয়া দুই পুরুষকে দেখিয়ে) মেটিয়াবুরুজের বাসিন্দা। আর ইনি (মহিলাকে দেখিয়ে) কাকদ্বীপের। নির্বাচন কমিশন এঁদের মৃত ঘোষণা করেছে। শুধু এঁরাই নয়, এঁদের মতো আরও ২৪ জন রয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনায়, যাঁদের মৃত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের এক কাউন্সিলরকেও একই ভাবে কমিশন প্রকাশিত খসড়া তালিকায় মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল। ডানকুনির তৃণমূল কাউন্সিলর সূর্য দে তালিকায় নিজেকে মৃত দেখার পরেই দলবল নিয়ে শ্মশানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। যা নিয়ে গত শোরগোলও হয়েছিল। এ নিয়ে পরে জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল কমিশন।

গত বছরের শেষ দিন, বুধবার দিল্লিতে কমিশনের সদর দপ্তরে গিয়েছিলেন অভিষেক। দেখা করে এসেছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে। পরে বাইরে বেরিয়ে তাঁকে নিশানাও করেছিলেন তৃণমূলের সাংসদ। শুক্রবারও অভিষেকের নিশানায় ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে আঙুল তুলে কথা বলছিলেন জ্ঞানেশ কুমার। বাঙালি কী, দিল্লিতে গিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে এসেছি। এর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাবেন।” প্রসঙ্গত, দিল্লিতে কমিশনের দপ্তরে আড়াই ঘণ্টা বৈঠকের পর বেরিয়ে দৃশ্যতই উত্তেজিত অভিষেক বলেছিলেন, ‘‘জ্ঞানেশ কুমার একাই কথা বলেছেন। আরও দু’জন কমিশনার ছিলেন। তাঁরা রা কাড়েননি। আমরা বলা শুরু করতেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছিল। উঁচুগলায় কথা বলে আমার দিকে আঙুল তোলেন (জ্ঞানেশ)। আমি তখন বলি, আঙুল নামিয়ে কথা বলুন। আপনি কিন্তু মনোনীত। আমি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। ভাববেন না, আপনি জোরগলায় কথা বললেই আমরা দমে যাব।’’

শুক্রবার ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার শুরুর জন্য কেন দক্ষিণ ২৪ পরগনাকে বেছে নিলেন অভিষেক? কৌতূহল ছিল। সেনাপতি নিজেই তাঁর জবাব দিয়েছেন বক্তৃতায়। বলেন, ‘‘আমরা কোনও শুভ কাজে গেলে, বড় কাজে গেলে মা-বাবার আশীর্বাদ নিতে হয়। কালীঘাট আমার জন্মভূমি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা আমার কর্মভূমি। এই মাটিতে যেন আমার মৃত্যু হয়। আপনাদের আশীর্বাদ নিয়ে তাই আমি লড়াই শুরু করলাম।’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.