Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৪ জুন ২০২৬
Bayron Biswas

মুর্শিদাবাদে ৮ তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রতের শিবিরে! কোন পক্ষে ‘বিতর্কিত’ বায়রন

তৃণমূলে মহাবিদ্রোহ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে পরিষদীয় দল গঠন করেছে 'নব্য তৃণমূল'। সেই দলের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ২১:৪২

link
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ২১:৪২

options
link
মুর্শিদাবাদে ৮ তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রতের শিবিরে! কোন পক্ষে ‘বিতর্কিত’ বায়রন zoom
নিজের পাড়ায় ভোট দিতে না পেরে ক্ষুব্ধ সাগরদিঘির তৃণমূল বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস।

তৃণমূলে মহাবিদ্রোহ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে পরিষদীয় দল গঠন করেছে ‘নব্য তৃণমূল’। সেই দলের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল চিহ্নে জিতে আসা ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জন বিধায়ক ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নিয়েছেন। এই আবহে মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের অন্দরেও স্পষ্ট বিভাজন। মমতাকে দলনেত্রী মানলেও অভিষেকে নারাজ তাঁরা। ৯ জনের মধ্যে ৮ জনই ‘বিদ্রোহী’ হয়েছেন। সেই তালিকায় রয়েছেন বহু চর্চিত সাগরদিঘির বিধায়ক বায়রন বিশ্বাসও। তিনি জানিয়েছেন, “আমিও সই করেছি।” অর্থাৎ তাঁর ‘বিশ্বাস’ ঋতব্রততেই।

এই ‘বিদ্রোহে’র অন্যতম কারিগর মনে করা হচ্ছে রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামানকে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যখন মুর্শিদাবাদ জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক ছিলেন তখন ২০১৮ সালে কংগ্রেস ছেড়ে আখরুজ্জামান তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেছিলেন। এবার তিনি ঋতব্রতের পাশে এসে জেলার সামশেরগঞ্জের বিধায়ক নুর আলম, সুতির ইমানি বিশ্বাস, লালগেলার আব্দুল আজিজ, ভগবানগোলার রিয়াত হোসেন সরকার ও হরিহরপাড়ার নিয়ামত শেখ ও ভরতপুরের বিধায়ক মোস্তাফিজুর রহমান ও সাগরদিঘির বায়রন বিশ্বাসকে একএিও করতে সক্ষম হয়েছেন। আখরুজ্জামান বলেন, “মুর্শিদাবাদ জেলার ৯ জন বিধায়কের মধ্যে ৮ জন আমাদের সমর্থন করেছেন। আমরা দলের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সুতির বিধায়ক ইমানি বিশ্বাস বলেন, “আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতাদি ঋতব্রতকে রাজ্যসভার সাংসদ করেছিলেন। বিধানসভার টিকিট দিয়ে বিধায়ক করেছেন। তাই আমরা নেত্রীর বিধায়ক ঋতব্রতের সঙ্গেই রয়েছি।”একই অভিমত সামশেরগঞ্জের বিধায়ক নুর আলম, সাগরদিঘির বায়রন বিশ্বাস, ভরতপুরের মোস্তাফিজুর রহমান ও ভগবানগোলার রিয়াত হোসেন সরকারেরও।

একমাত্র জলঙ্গির নবনির্বাচিত বিধায়ক তথা শিক্ষাবিদ বাবর আলি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আস্থা রেখেছেন। তাঁর সাফ কথা, “আমার রাজনীতিতে হাতেখড়ি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেকের হাত ধরেই। দলনেত্রী যাকে পরিষদীয় দলনেতা করতে বলবেন, আমি তার পক্ষেই সই করব।” তিনি আরও বলেন, “আমি রাজনীতির মারপ্যাঁচ বুঝি না। দল খারাপ ফল করার এক মাসের মধ্যেই বিধায়কদের এই আচরণ হতাশাজনক।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.