Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬
WB Assembly Election 2026

ভোটের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘দখলে’ স্কুল! পঠনপাঠন চালু রাখতে গোটা বিদ্যালয়কেই অন্যত্র সরালেন শিক্ষকরা

প্রধান শিক্ষক শেখর বিশ্বাস জানিয়েছেন, দেবরানী বালিকা বিদ্যালয় ঘর সংখ্যা কম। আর সেই কারণে স্কুলের গোটা ২০ জন শিক্ষক ভাগাভাগি করে পঞ্চম থেকে দশম পর্যন্ত ক্লাস নিচ্ছেন৷ স্কুলে আসছেন শিক্ষা কর্মীরাও৷ নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি চলছে পিটি প্যারেড যোগব্যায়ামের ক্লাসও।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৬, ১৩:৩৭

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ২৬, ২০২৬, ১৩:৩৭

options
link
ভোটের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘দখলে’ স্কুল! পঠনপাঠন চালু রাখতে গোটা বিদ্যালয়কেই অন্যত্র সরালেন শিক্ষকরা zoom
এলাকারই অন্য একটি স্কুলে চলছে পড়াশোনা।

শান্তিপূর্ণ ভোট (WB Assembly Election 2026) করাতে বঙ্গে পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আগামিদিনে আরও বাহিনীর আসার কথা রয়েছে। ইতিমধ্যে এই বাহিনীকে বিভিন্ন স্কুল, প্রশাসনিকভবনে রাখা হয়েছে। তেমনই একটি স্কুল কালিচরণ চক্রবর্তী উচ্চ বিদ্যালয়। ভোটের কাজে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাখা হয়েছে ওই স্কুলে। ফলে বন্ধ স্কুল৷ স্বাভাবিকভাবেই বন্ধ রয়েছে পঠন-পাঠন৷ ঠিক সময়ে সিলেবাস শেষ হওয়া নিয়ে সমস্যায় পড়েছিলেন পড়ুয়ারা। এই পরিস্থিতিতে এলাকার একটি বন্ধ স্কুলে আস্ত একটা স্কুল তুলে নিয়ে গেল কর্তৃপক্ষ! ভোটের কারণে শিক্ষক-শিক্ষিকারা ইচ্ছা করলেই পঠন-পাঠন বন্ধ রাখতে পারতেন ৷ কিন্তু ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাঁরা এই উদ্যোগ নিয়েছেন৷ এতে খুশি গোপালনগর থানার পাল্লা কালিচরণ চক্রবর্তী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এবং তাঁদের অভিভাবকেরা ৷ জানা গিয়েছে, পড়ুয়াদের স্থানীয় দেবরানী বালিকা বিদ্যালয়ে পঠন-পাঠনের ব্যবস্থা করেছেন শিক্ষকেরা৷

স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের জন্য প্রশাসনের নির্দেশে কালিচরণ চক্রবর্তী উচ্চ বিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে ৷ প্রায় এক মাসের বেশি ওই স্কুলে থাকবে জওয়ানেরা৷ স্কুলের প্রধান শিক্ষক এবং সহশিক্ষক জানিয়েছেন, স্কুলে প্রায় দেড় হাজারের বেশি ছাত্র ছাত্রী রয়েছে৷ ভোটের কারণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের স্কুলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে৷ এর ফলে বন্ধ হয়েছে স্কুল৷ ভোট শেষ হয়ে রেজাল্ট বেরোতে মাস খানিকের বেশি সময় লাগবে৷ এরপরেই আবার গরমের ছুটি এসে যাবে৷ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সিলেবাস শেষ করতে হবে! নয়তো পিছিয়ে পড়বে স্কুলের পড়ুয়ারা৷ পাশাপাশি অনলাইনে ক্লাসের কারণে ছোট ছোট পড়ুয়াদের মোবাইলের প্রতি আসক্তি বাড়ছে। আর সবদিক ভেবেই স্কুল কমিটি স্থানীয় পঞ্চায়েত ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে এলাকার অন্য একটি ফাঁকা স্কুলে ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে শিক্ষকদের তরফ থেকে ৷ এর ফলে ছেলেমেয়েদের পড়ার প্রতি আগ্রহ থাকবে বলে মনে করছে স্কুল কতৃপক্ষ৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রধান শিক্ষক শেখর বিশ্বাস জানিয়েছেন, দেবরানী বালিকা বিদ্যালয় ঘর সংখ্যা কম। আর সেই কারণে স্কুলের গোটা ২০ জন শিক্ষক ভাগাভাগি করে পঞ্চম থেকে দশম পর্যন্ত ক্লাস নিচ্ছেন৷ স্কুলে আসছেন শিক্ষা কর্মীরাও৷ নিয়মিত ক্লাসের পাশাপাশি চলছে পিটি প্যারেড যোগব্যায়ামের ক্লাসও। ষষ্ঠ শ্রেণীর দুই ছাত্রীর কথায়, বাড়িতে একা একা মন বসত না। স্কুলে আসতে পারছি বান্ধবীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে পড়াশোনা করছি ভালই লাগছে। সিলেবাসটাও শেষ হবে৷ এক অভিভাবিকার কথায় শিক্ষকরা আমাদের ছেলেমেয়েদের যাতে লেখাপড়ায় ঘাটতি না হয় সেই কথা ভেবে ওনারা অন্য স্কুলে পড়ানোর ব্যবস্থা করেছেন৷ নিয়মিত পড়াচ্ছেন৷ ওনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.