নিরুফা খাতুন: একে তো বাড়বে তাপমাত্রা। তার উপর আবার আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি। সবমিলিয়ে আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে ত্রাহি ত্রাহি রব। আপাতত বর্ষা দক্ষিণবঙ্গে আসার তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। কারণ, উত্তরবঙ্গে থমকে রয়েছে বর্ষা। তার ফলে বেশ কয়েকদিন প্যাচপ্যাচে গরম সহ্য করতে হবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিকে।
আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মৌসুমী বায়ুর গতি শ্লথ। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে বর্ষার অনুকুল পরিবেশের সম্ভাবনা কম দক্ষিণবঙ্গে। উত্তরবঙ্গে ১০ দিন আগে বর্ষা ঢুকেও থমকে রয়েছে। তার ফলে দক্ষিণবঙ্গ এখনই বর্ষা নয় বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। আবহাওয়া দপ্তরের ক্যালেন্ডার অনুযায়ী অবশ্য দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ঢোকার নির্ধারিত দিন ১০জুন। তবে এবার কেরল বা উত্তরবঙ্গের মতো দক্ষিণবঙ্গে আগাম বর্ষা ঢুকবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান আবহাওয়াবিদরা।
গরম ও জলীয় বাষ্পের ফলে অস্বস্তি চরমে। তাই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা ২-৪ চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে। কলকাতায় ভ্যাপসা গরম আর অস্বস্তিতে হাসফাঁস অবস্থা। এই সপ্তাহে পরিস্থিতি বদলের সম্ভাবনা নেই। বেলা বাড়লে গরম এবং অস্বস্তি বাড়বে। আপাতত ভারী বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। তাপমাত্রা বাড়তে পারে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.২ ডিগ্রি। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৪ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫৯ থেকে ৯১ শতাংশ।
পাশাপাশি, সোমবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলবে। বাড়তে পারে তাপমাত্রা। এদিকে, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, কেরল, মাহে, অসম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরাতে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা। মঙ্গলবার দিল্লি-সহ চণ্ডীগড়, হরিয়ানাতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে বইতে পারে দমকা ঝোড়ো হাওয়া।
সর্বশেষ খবর
-
অযোধ্যা পাহাড়ের হোটেলে গা ঢাকা দিয়েও হল না শেষরক্ষা, কীভাবে এসটিএফের জালে অদিতির স্বামী দেবরাজ?
-
খাস কলকাতায় নাবালিকাকে ‘গণধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ২ অভিযুক্ত
-
ঠেকেও শিখল না ভারত! ইংল্যান্ডেও হল না বৈভবের অভিষেক, শ্রেয়সের প্রথম একাদশে কারা?
-
সিকিমজুড়ে রয়েছে জনশ্রুতি! অবশেষে ক্যামেরাবন্দি বিলুপ্তপ্রায় ‘ইউরেশিয়ান লিংক্স’
-
আদালতে ১৫টি নথি জমা দিয়েও ভারতীয় নাগরিক প্রমাণে ব্যর্থ, কী ভুল হল অসমের ব্যক্তির?