মন্ত্র একটাই – ‘থ্রেট কালচার আউট, ভরসা ইন। ভয় আউট ভরসা ইন।’ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করে সাফ জানিয়ে দিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাত ও শুক্রবার দিনভর বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন তিনি। অধ্যক্ষের কার্যালয়ে আর জি কর কাণ্ডের সময় বিভিন্ন স্লোগান লেখা হয়েছিল। তা এখনও রয়েছে দেখে রীতিমতো মেজাজ হারান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। নির্দেশের সুরে সেসব দ্রুত মোছার কথা বলতে গিয়ে তাঁর মন্তব্য, “মামার বাড়ির আবদার নাকি!”
রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ‘থ্রেট কালচার’ চলত আগে। আর জি কর কাণ্ডের পর এই থ্রেট কালচার নিয়ে বিস্তর অভিযোগ সামনে আসে। তার অন্যতম মুখ অভীক দে। যার স্নাতকোত্তরে ভর্তি নিয়েও অভিযোগ ওঠে। এদিন অভীকের প্রসঙ্গ উঠতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রী প্রথমে রসিকতা করে বলেন, ‘‘আছে নাকি পাশে? থ্রেট কালচার! নাম শুনলেই ভয় পাই।” এরপর তাঁর সংযোজন, ‘‘কিন্তু এখন ভয় আউট, ভরসা ইন। অভীক আউট,ভরসা ইন।”
আরও পড়ুন:
পরে এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নই, সিনিয়র চিকিৎসক ছাত্রছাত্রীদের একজন অভিভাবক হিসেবে আবেদন করেছি। নিজের বাড়িতে কী এই প্রতিবাদী লেখনটা হয়? যারা এই প্রতিবাদ করছে, নিজের বেডরুমে কী হয়? এই প্রতিষ্ঠান আমাকে দীক্ষা দিচ্ছে এমবিবিএস-এর। আমার বাড়ির উনুন জ্বালানোর ব্যবস্থা করছে। সেখানে এই গ্রাফিতি কেউ করে? আমি সাতদিন সময় দিয়েছি মোছার জন্য। ওদের লেখার জন্য জায়গা করে দেব, স্টিল ফ্রেম করে। অভিভাবক হিসেবে হাতজোড় করে অনুরোধ করেছি।”
রাজ্যের বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ‘থ্রেট কালচার’ চলত আগে। আর জি কর কাণ্ডের পর এই থ্রেট কালচার নিয়ে বিস্তর অভিযোগ সামনে আসে। তার অন্যতম মুখ অভীক দে। যার স্নাতকোত্তরে ভর্তি নিয়েও অভিযোগ ওঠে। এদিন অভীকের প্রসঙ্গ উঠতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রী প্রথমে রসিকতা করে বলেন, ‘‘আছে নাকি পাশে? থ্রেট কালচার! নাম শুনলেই ভয় পাই।” এরপর তাঁর সংযোজন, ‘‘কিন্তু এখন ভয় আউট, ভরসা ইন। অভীক আউট,ভরসা ইন।”
অভীকের স্নাতকোত্তর নিয়ে প্রশ্নে মন্ত্রীর পালটা প্রশ্ন, “ও কোনওদিন পিজির ক্লাস করেছে? অনাময়টা গ্রামীণ হাসপাতাল বলে মনে হয় (বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি উইং অনাময় হাসপাতাল)। অভীকের বুজরুকি আমরা ধরে ফেলেছি। কোনওদিন হতে পারে না অনাময় হাসপাতাল গ্রামীণ হাসপাতাল। সেখানেও আমরা হাজিরা খাতা দেখার চেষ্টা করেছি। হাজিরা খাতাটাই উধাও। অভীক দে -আপনি কোনওদিনই অনাময়ে কোনও হাজিরা দেননি। আপনার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাওয়ার জন্য খাতা বদল, আপনার ডিউটি বদল।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
২৫ কোটির চুক্তি না পেলে টিভিতে সম্প্রচার নয়, কোথায় আইএসএল দেখাতে চায় ক্লাবগুলি?
-
‘আজকাল সবারই সুগার, মিষ্টি ক’জন খায়?’, চিনির মূল্যবৃদ্ধিতে না ঘাবড়ানোর পরামর্শ বিহারের মন্ত্রীর!
-
‘দিদি আমাকে বলেছিলেন, এমপি-এমএলএ করে দেব…’, মমতাকে নিয়ে অভিমানী ইন্দ্রাণী হালদার!
-
জারিজুরি খতম ‘টাইগার’দের! স্টার্কের নজিরগড়া বোলিংয়ে ৫০ পেরোতেই অলআউট বাংলাদেশ
-
নজরে পাহাড় সমস্যা, হাইভোল্টেজ ‘শাহী’ বৈঠকে মিলবে সমাধান?