Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
TMC

২ তৃণমূল কাউন্সিলর গ্রেপ্তার হতেই পদত্যাগের ঢল! ডামাডোল পানিহাটি পুরসভায়

দুই তৃণমূল কাউন্সিলরের গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পানিহাটি পুরসভায় শুরু হল পদত্যাগের ঢল! সোমবার একসঙ্গে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন আট কাউন্সিলর। অন্যদিকে, একই দিনে দলেরই ১১ কাউন্সিলর বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকের পরে জানানো হয়েছে, কোনও অবস্থাতেই তাঁরা পদত্যাগ করবেন না।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ১৩:৪৭

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুন ৩০, ২০২৬, ১৩:৪৭

options
link
২ তৃণমূল কাউন্সিলর গ্রেপ্তার হতেই পদত্যাগের ঢল! ডামাডোল পানিহাটি পুরসভায় zoom
ডামাডোম পানিহাটি পুরসভায়। ফাইল ছবি
Advertisement

দুই তৃণমূল কাউন্সিলরের গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পানিহাটি পুরসভায় শুরু হল পদত্যাগের ঢল! সোমবার একসঙ্গে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন আট কাউন্সিলর। অন্যদিকে, একই দিনে দলেরই ১১ কাউন্সিলর বৈঠক করেছেন। ওই বৈঠকের পরে জানানো হয়েছে, কোনও অবস্থাতেই তাঁরা পদত্যাগ করবেন না। ফলে পুরবোর্ডে স্পষ্ট হয়েছে দলীয় বিভাজন। রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। পানিহাটি পুরসভায় দেখা দিয়েছে ডামাডোল।

৩৫ সদস্যের পুরসভায় বাম ও কংগ্রেসের দুই কাউন্সিলর ছাড়া বাকিরা সকলেই তৃণমূলের। এর আগে ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সম্রাট চক্রবর্তী এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ঝর্ণা চক্রবর্তী পদত্যাগ করেছিলেন। রবিবার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জয়ন্ত দাস ওরফে গোবিন্দ এবং ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শম্ভুনাথ চন্দ ওরফে সনুকে তোলাবাজি, মারধর, হুমকি, অবৈধ নির্মাণে মদত ও পুকুর ভরাট-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরই পশ্চিম পানিহাটি তৃণমূল সভাপতি প্রবীর ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ৯, ১৫, ১৬, ১৮, ২০, ২৩, ২৪ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদত্যাগপত্র জমা দেন।

Advertisement

প্রবীর ভট্টাচার্য বলেন, “কাজ করার পরিবেশ নেই। নতুন সরকারের জনাদেশকে সম্মান জানিয়েই আমরা সরে দাঁড়িয়েছি।” অন্যদিকে, চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ভাইস চেয়ারম্যান সুভাষ চক্রবর্তীর ঘরে ১১ কাউন্সিলরের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, কোনও অবস্থাতেই তাঁরা পদত্যাগ করবেন না। বৈঠকের পর সুভাষ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “মিথ্যা মামলা বা চাপের কাছে নতি স্বীকার করব না। মানুষ আমাদের ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন। শেষদিন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করব।” সূত্রের দাবি, চেয়ারম্যান সোমনাথ দে-ও পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। ফলে পানিহাটি পুরবোর্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.