Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Union Budget 2026

উত্তরের চা বলয় এবারও ব্রাত্য! কেন্দ্রের বাজেটে ফের হতাশা শ্রমিকদের

কেন্দ্রীয় বাজেটে আশা এবারও পূরণ হল না! হতাশ উত্তরের চা বলয়। উত্তরবঙ্গের চা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে একটি কথাও খরচ হয়নি কেন্দ্রীয় বাজেটে। এর আগে একাধিক আশ্বাস দেওয়া হয় কেন্দ্রের তরফে। তবে, বাজেটে সে সবের প্রতিফলন না হওয়ায় তিমিরেই রয়ে গেল উত্তরের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ক্ষেত্র।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১৯:০৩

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ১৯:০৩

options
link
উত্তরের চা বলয় এবারও ব্রাত্য! কেন্দ্রের বাজেটে ফের হতাশা শ্রমিকদের zoom
চা বাগান। ফাইল ছবি।

কেন্দ্রীয় বাজেটে আশা এবারও পূরণ হল না! হতাশ উত্তরের চা বলয়। উত্তরবঙ্গের চা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে একটি কথাও খরচ হয়নি কেন্দ্রীয় বাজেটে। এর আগে একাধিক আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রের তরফে। তবে, বাজেটে সে সবের প্রতিফলন না হওয়ায় তিমিরেই রয়ে গেল উত্তরের অন্যতম প্রধান অর্থকরী ক্ষেত্র। কথায় আছে, উত্তরের অর্থনীতি চা, কাঠ আর তামাকের উপর নির্ভরশীল। কাঠের ক্ষেত্র বর্তমানে অনেকটাই সংকুচিত পরিবেশগত কারণে। এদিকে, বিগত কয়েক বছর ধরেই চা শিল্প নানা সমস্যার সম্মুখীন। এই অবস্থায় কেন্দ্রের বাজেটে কী বরাদ্দ থাকে, সেই দিকে তাকিয়েছিল উত্তরবঙ্গের চা বলয়। 

দেশের মোট চা উৎপাদনের কম-বেশি ৫৫-৬০ শতাংশ আসে ক্ষুদ্র চা বাগান থেকে। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ার জেলার কয়েক লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষুদ্র চা চাষের সঙ্গে যুক্ত। সম্প্রতি, বাজেট পেশের বেশ কিছু আগে ক্ষুদ্র চা চাষি সমিতির তরফে এক ‘মেমোরেন্ডাম’ পাঠানো হয় কেন্দ্রীয় অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রকের কাছে। কৃষিজীবীর স্বীকৃতি দাবি করেন ক্ষুদ্র চা চাষিরা। তবে, সে গুড়ে বালি। অভিযোগ, ওই তকমা দেওয়া হয়নি তাঁদের। এই স্বীকৃতি পেলে অন্য কৃষিজীবীদের জন্য কেন্দ্রের যে ১৮টি প্রকল্প রয়েছে, তার সুবিধা পেতে পারেন ক্ষুদ্র চা চাষিরা। এমনকী বিশ্বখ্যাত ‘দার্জিলিং চা’য়ের জন্যও কোনও বরাদ্দ নেই এবারের বাজেটে।

Advertisement

সংগঠনের সম্পাদক বিজয় গোপাল চক্রবর্তী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল ও তামিলনাড়ুতে ভালো চায়ের চাষ হয়। বাজেটে চা শিল্পের জন্য কোনও আলাদা বরাদ্দ বা প্যাকেজ নেই। এদিকে কাজু ও নারকেল চাষি ও পশুপালনকারীদের জন্য বিশেষ প্যাকেজের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। আমরা সত্যিই হতাশ।” তবে, সংগঠনের সদস্যদের আশা, পরবর্তীতে চা শিল্প-সহ দেশীয় শিল্পের জন্য পৃথক কোনও প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে। আইটিপিএ-র আহ্বায়ক অমৃতাংশু চক্রবর্তী বলেন, “অনেক আশা ছিল বাজেট নিয়ে। কিন্তু চা শিল্পের জন্য কোনও কথা না থাকায় আমরা হতাশ।” তৃণমূল চা বাগান শ্রমিক ইউনিয়নের নকুল সোনার বলেন, “চা শিল্প শুধু নয়, সামগ্রিক ভাবে পশ্চিমবঙ্গের এই বাজেট থেকে কিছু পাওয়ার নেই। চা শ্রমিকদের কথা যে কেন্দ্র ও বিজেপি ভাবে না, তা বারবার প্রমাণিত হচ্ছে।” শ্রমিকরাও হতাশ হয়েছেন বাজেটে তাঁদের জন্য কোনও বরাদ্দ না থাকায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.