Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬
Uluberia

চার্জ গঠনের আটমাসের মধ্যে সাজা ঘোষণা, খুনে যাবজ্জীবন দিল উলুবেড়িয়া আদালত

২০২৪ সালের ১২ এপ্রিল চেঙ্গাইল এলাকায় বাপন মান্না খুন হয়েছিলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৫, ১৯:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০২৫, ১৯:১৯

options
link
চার্জ গঠনের আটমাসের মধ্যে সাজা ঘোষণা, খুনে যাবজ্জীবন দিল উলুবেড়িয়া আদালত zoom
প্রতীকী ছবি

মণিরুল ইসলাম, উলুবেড়িয়া: খুনের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হল চেঙ্গাইলের যুবকের। সোমবার উলুবেড়িয়া আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক (১) অনির্বাণ চৌধুরী আকাশ জানা ওই দোষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন। এদিন সরকারি পক্ষের আইনজীবী দেবরঞ্জন বন্দোপাধ্যায় বলেন, “দোষী আকাশ জানার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক।” গত শুক্রবার বিচারক আকাশ জানাকে দোষী সাব্যস্ত করেছিলেন। আজ, সোমবার সাজা ঘোষণা হল। প্রসঙ্গত, গত ২০২৪ সালের ১২ এপ্রিল চেঙ্গাইলের কলবাগানের বাসিন্দা বাপন মান্নাকে খুন করে আকাশ জানা। ডিসেম্বর নাগাদ চার্জ গঠন হয়। চার্জ গঠনের আট মাসের মধ্যে সাজা ঘোষণা হল। বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন দোষী জেলেই ছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ঘটনার দিন বাপন মান্না ও তার দাদা লক্ষ্মণ মান্না বাইকে চেপে চেঙ্গাইল স্টেশনের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। কলাবাগান এলাকায় কাছে একটি জটলা দেখে থেমেছিলেন তাঁরা। দেখেন আকাশ জানা ও সাগর জানা নামে দুই যুবক কয়েকজনের সঙ্গে রাস্তার উপরে ঝামেলা করছে। বাপন ও লক্ষ্মণ তাঁদের রাস্তা থেকে সরতে বলেন। তখন আকাশ ও সাগরের সঙ্গে তাঁদের ঝামেলা শুরু হয়। স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে তখনকার মতো বিষয়টি মিটে যায়। বাপন ও লক্ষ্মণ উলুবেড়িয়ার দিকে নিজেদের গন্তব্যে চলে যান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপর রাত ১টা নাগাদ বাপন ও লক্ষ্মণ ওই রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফেরার সময় আকাশ ও সাগর আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। তারা বাপনকে বাইক থেকে নামিয়ে ছুরি দিয়ে কোপায়। পরে দু’জনেই পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা রক্তাক্ত বাপনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গর্ভমেন্ট মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার পরদিনই বাপনের পরিবার উলুবেড়িয়া থানায় আকাশ ও সাগরের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে খুনের মামল রুজু করে। উলুবেড়িয়া আদালতে শুরু হয় মামলা। পুলিশ ৯০ দিনের মধ্যে চার্জশিট পেশ করে। ডিসেম্বর নাগাদ চার্জ গঠন হয়। দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এদিন যাবজ্জীবন সাজা শোনানো হয়। আদালত সাগরকে নির্দোষ হিসেবে মুক্তি দিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.